কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলায় সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচীর আওতায় ছয়টি ইউনিয়নে ভাতা পাচ্ছেন ১৫ হাজার ৭৯৮ জন উপকারভোগী। এর মধ্যে বয়স্ক ভাতা পাচ্ছেন ৮ হাজার ১০৭ জন, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলা ভাতা পাচ্ছেন ৩ হাজার ৮৪১ জন, প্রতিবন্ধী ভাতা পাচ্ছেন ৩ হাজার ৭২১ জন, তৃতীয় লিঙ্গ (হিজড়া) জনগোষ্ঠীর বিশেষ বয়স্ক ভাতা পাচ্ছেন ১৪ জন, অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর বিশেষ বয়স্ক ভাতা পাচ্ছেন ৪৭ জন ও প্রতিবন্ধী শিক্ষা উপবৃত্তি পাচ্ছেন ৪৫ জন ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর শিক্ষা উপবৃত্তি পাচ্ছেন ২৩ জন শিক্ষার্থী।
সূত্র জানায়, উপজেলার বিজয়পুর, বারপাড়া, চৌয়ারা, বৃহত্তর গলিয়ারা, জোড়কানন (পূর্ব) ও জোড়কানন (পশ্চিম) ইউনিয়নে ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরে প্রতিমাসে ৭০০ টাকা হারে বয়স্ক ভাতা পাচ্ছেন ৮ হাজার ১০৭ জন, একই হারে বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলা ভাতা পাচ্ছেন ৩ হাজার ৮৪১ জন, ১ হাজার টাকা হারে প্রতিবন্ধী ভাতা পাচ্ছেন ৩ হাজার ৭২১ জন, প্রতিমাসে ৬৫০ টাকা হারে তৃতীয় লিঙ্গ (হিজড়া) জনগোষ্ঠীর বিশেষ বয়স্ক ভাতা পাচ্ছেন ১৪ জন, একই হারে অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর বিশেষ বয়স্ক ভাতা পাচ্ছেন ৪৭ জন। প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে প্রতিবন্ধী শিক্ষা উপবৃত্তি পাচ্ছেন ৪৫ জন শিক্ষার্থী। এছাড়াও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর শিক্ষা উপবৃত্তি আওতায় প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষা উপবৃত্তি পাচ্ছেন ২৩ জন শিক্ষার্থী।
উপজেলায় ভাতাভোগীদের সংখ্যা বৃদ্ধি ও সারাদেশে মাসিক ভাতার পরিমাণ বৃদ্ধি করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন অভিজ্ঞ মহল। কারণ মাসে ৭০০ টাকা দিয়ে একজন বয়স্ক ও বিধবা/স্বামী নিগৃহীতা নারী চলতে পারছেন কী-না সেটিও দেখতে হবে। আর অন্যদিকে একজন প্রতিবন্ধী যিনি কোনো কাজ করার সামর্থ রাখেন না তিনি কীভাবে আজকের দ্রব্যমূল্যের এই ঊবর্ধগতির বাজারে মাসিক ১ হাজার টাকায় পরিবার-পরিজন নিয়ে জীবন যাপন করবেন ? তাদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগামী বাজেটে উক্ত খাতে বরাদ্দ বাড়ানো জরুরী হয়ে পড়েছে।
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোসা. শামীমা শারমিন দৈনিক কুমিল্লার কাগজকে ভাতার পরিমাণ ও উপকার ভোগীদের সংখ্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
