মঙ্গলবার ● ৬ অক্টোবর ২০২৬
২১ আশ্বিন ১৪৩৩
কুমিল্লার কিশোররা কেন জড়াচ্ছে গ্যাং কালচারে
জহির শান্ত, কুমিল্লা।।
প্রকাশ: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫৫ এএম আপডেট: ০৫.১০.২০২৬ ১:৫৯ এএম |


* সাঁড়াশি অভিযানের পর স্বস্তির আভাস
* পুলিশের জালে শীর্ষ গ্যাং লিডাররা
* ৫ অভিযানে আটক ২ সহস্রাধিক


কুমিল্লার কিশোররা কেন  জড়াচ্ছে গ্যাং কালচারে২০২২ সালের ১৯ আগস্ট কুমিল্লা নগর উদ্যানের সামনে দুই কিশোর গ্যাং গ্রুপের আধিপত্যের দ্বন্দ্বে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয় শাহাদাত নামে এক কিশোরকে। রতন গ্রুপের প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল গ্রুপের অন্যতম লিডার ১৭ বছর বয়সী শাহাদাতহত্যা মামলার প্রধান আসামি ইমরান হোসেন রতন। চাঞ্চল্যকর সেই হত্যার ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ পুরো দেশ জুড়ে আলোড়ন তৈরি করে। সেই সময় রতনের বয়স ছিল ১৬ বছর।  সেই থেকে কুমিল্লা নগরীতে আতঙ্ক ছড়ায় কিশোর গ্যাং ‘রতন গ্রুপ’। পরবর্তীতে আরো কিশোরদের সম্পৃক্ততায় এই গ্রুপটি নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ‘র স্কোয়াড’ নামে পরিচিতি পায়। 
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কুমিল্লা নগরীর ফৌজদারী এলাকার মফিজাবাদ কলোনির রিকশা মেকানিক আবুল কাশেমের ছেলে রতন। স্কুলের গণ্ডি না পেরোলেও ছোটবেলা থেকেই নগর উদ্যানের সামনে তার আড্ডা ও চলাফেরা ক্রমান্বয়ে তাকে কিশোর গ্যাং লিডারে পরিণত করে। বিশেষ করে শাহাদাত হত্যাকাণ্ডের পর আলোচনায় আসে রতন গ্রুপ ও রতনের নাম। এরপর থেকেই মোটরসাইকেল মহড়া, অস্ত্র নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় হামলাসহ নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ে রতন। একই সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ে এই গ্রুপের সদস্য সংখ্যাও। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এই গ্রুপটির নানান কর্মকাণ্ডের ছবি ও ভিডিও দিয়ে উপস্থিতি জানান দেয় গ্রুপের সদস্যরা। হত্যা, হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা, ছিনতাই, হুমকি-ধমকিসহ নানা অভিযোগে রতনের বিরুদ্ধে অন্তত ৯টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
একই তথ্য পাওয়া গেছে আরো বেশ কয়েকজন কিশোর গ্যাং লিডারের বিরুদ্ধে যারা একেবারেই নিম্নবিত্ত পরিবারে জন্ম নিলেও ছোটবেলা থেকেই নানা অপরাধ কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে কিশোর অপরাধীদের একেবারে নেতৃত্ব পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে।
তেমনি আরেকজন কুমিল্লা নগরীর ঝাউতলা এলাকার চা দোকানি আক্তার মোল্লার ছেলে সাইফুল ইসলাম। প্রাথমিক পড়ার সময় বাবার চা দোকানের কাজে সহযোগিতা করতো সে। কিন্তু এক পর্যায়ে পড়ালেখা ও বাবাকে সহযোগিতা বাদ দিয়ে জড়িয়ে পড়ে কিশোর গ্যাং গ্রুপের পাল্লায়। পরবর্তীতে তার নেতৃত্বে ঝাউতলা ও আশপাশের এলাকায় গড়ে উঠে আরেক কিশোর গ্যাং গ্রুপ। আধিপত্যের বিস্তার জানান দিতে গ্রুপের সদস্যদের নিয়ে অস্ত্র হাতে মহড়া, বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে অপর গ্রুপকে হুমকি দিয়ে আসা, তুচ্ছ কারণে মানুষকে মারধর, ছিনতাই-হামলাসহ একের পর এক অপরাধ সংঘটিত করতে থাকে এ গ্রুপের সদস্যরা। পুলিশ বলছে, সাইফুলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে থানায় অন্তত ১০টি মামলা রয়েছে।
তবে শেষ রক্ষা হয়নি তাদের, পুলিশের সাম্প্রতিক অভিযানে কুমিল্লা নগরী ও আশপাশের এলাকায় অন্ততত ৯টি শীর্ষ কিশোর গ্যাং গ্রুপের শতাধিক সদস্য ও ৯জন গ্যাং লিডারকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে কুমিল্লার আলোচিত স্কুলছাত্র ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যায় জড়িত ৩ কিশোর গ্যাং লিডারও রয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পুলিশের অনুসন্ধানে কুমিল্লায় অন্তত ২৪টি সক্রিয় কিশোর গ্যাং গ্রুপের তথ্য উঠে এসেছে। এর মধ্যে কুমিল্লা মহানগরীর রতন গ্রুপ বা ‘র স্কোয়াড', কিং স্কোয়াড, ক্রাইম সেটআপ, কেবি গ্যাং, কোটবাড়ি বাইকার গ্রুপ, ঈগল গ্রুপ, র‌্যাক্স, এক্স, এলআরএন, সিবিক, মডার্ন, রকস্টার, ডিস্কো বয়েজ, বস, রয়েল বেঙ্গল, সিজলিন, জে অ্যান্ড জে, বিগ ব্রাদার, টুইস্ট, ব্ল্যাক স্টার, ডার্ক, আরজিএস, সিএমসি, উল্লেখযোগ্য। আবার কিছু কিছু গ্রুপ আছে একেবারেই নাম সর্বস্ব। একজন দু’জন বন্ধু মিলেই একটি গ্রুপ পরিচালনা করছে। 
২০১৬ সাল থেকেই কুমিল্লা মহানগর ও আশপাশের এলাকায় এসব কিশোর গ্যাংগুলো তৎপর রয়েছে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে। নানা সময় এসব গ্রুপের বিরুদ্ধে মারামারি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদক, অস্ত্র বহন, হত্যাচেষ্টা ও হত্যাকাণ্ডসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। ঘটেছে বেশ কয়েকটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনাও। বিভিন্ন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, গত ৮ বছরে কুমিল্লার এসব কিশোর গ্যাং গ্রুপের হাতে অন্তত ১২টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ২০১৮ সালে এমনি একটি গ্রুপ কুমিল্লা নগর উদ্যান সংলগ্ন ধর্মসাগর এলাকায় কুপিয়ে হত্যা করে শিহাব উদ্দিন অন্তু নামে কুমিল্লা অজিতগুহ কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের এক শিক্ষার্থীকে। আর এই গ্যাং কালচারের সর্বশেষ বলি কুমিল্লা বিশ^বিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের স্কুলপড়ুয়া পুত্র ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম। মূলত চলতি বছরের ১৮ সেপ্টেম্বরের এ হত্যাকাণ্ডের পরই নড়ে-চড়ে বসেছে কুমিল্লার প্রশাসন। যদিও পুলিশ বলছে, এতোদিন ধরে কুমিল্লা নগরীতে আতঙ্ক ছড়িয়ে আসছিলো প্রধানত ৬টি কিশোর গ্যাং গ্রুপ। যে গ্রুপগুলোর শীর্ষ লিডারসহ বেশিরভাগ সদস্যকে আটক করা হয়েছে। 
সর্বশেষ গত ২ অক্টোবর রাতে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে অভিযান চালিয়ে ‘র স্কোয়াডের’ প্রধান ইমরান হোসেন রতন, ঝাউতলার সাইফুল ইসলাম, ক্রাইম সেটআপ গ্রুপের দুই শীর্ষ লিডার পয়েন্ট সাব্বির ও নবীকে গ্রেপ্তার করা হয়। কুমিল্লাজুড়ে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান শুরুর পর তারা আত্মগোপনে ছিলো। এছাড়া আনিক, তারেক, রিফাত, রিজুমান ও সাকিব নামে আরো পাঁচজন শীর্ষ কিশোর অপরাধী চক্রের হোতাও ইতোমধ্যে ধরা পড়েছে পুলিশের জালে। এছাড়া কোটবাড়ি এলাকার শীর্ষ তিনটি গ্যাং গ্রুপের তিন সদস্য তুহিন, কামরুল এবং ফাহাদকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা অপ্রতিম হত্যা মামলার আসামি। এছাড়া সুজানগর এলাকার কসাই ফারুকের ছেলে কসাই ফাহিমও আটক হয়েছে পুলিশের অভিযানে।
কিশোর গ্যাং গ্রুপের এসব লিডারকে গ্রেপ্তারের পর কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান জানান, যেসব গ্যাং লিডারকে আমরা গ্রেপ্তার করেছি- তারা একসময় কিশোর অপরাধী থাকলেও এখন পরিণত বয়সের সন্ত্রাসী। এ নিয়ে রতনের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, কিশোর অপরাধী রতন এখন পরিণত বয়সের একজন সন্ত্রাসী। সে আর এখন কিশোর নয়, যদিও কিশোরগ্যাংয়ের সাথে এখনো তার সম্পৃক্ততা রয়েছে। বর্তমানে তার বয়স ১৯ বছর তাহলে, ২০২২ সালের শাহাদাত হত্যাকাণ্ডের সময় তার বয়স ছিলে মাত্র ১৬ বছর। 
তিনি বলেন, সাধারণত কিশোর অপরাধের সাথে যুক্ত যারা তারা নিম্ন আয় ও দু:স্থ পরিবার থেকেই আসা। অনেকেই একেবারেই পড়াশোনা ছাড়া কিংবা কেউ কেউ পড়াশুনা থেকে ঝড়ে পড়া। বিশেষ করে কুমিল্লা নগরী কিংবা উপজেলা শহরগুলোকে কেন্দ্র করে এইসব গ্যাং গ্রুপের অবস্থান ও মহড়া দেখা যায়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে মধ্যবিত্ত পরিবারের কিংবা পড়াশোনা করা ছেলেদের সম্পৃক্ততাও পাওয়া গেছে। তবে এই কার্যক্রম আমরা চলতে দিতে চাই না। শক্ত হাতেই এই গ্যাংকালচার দমন করা হচ্ছে। 
জানতে চাইলে কুমিল্লা জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আবদুল হাফিজ বলেন, ২০১৫-১৬ সালের পর থেকেই কুমিল্লায় ধীরে কিশোর গ্যাং গ্রুপের সংখ্যা বাড়তে থাকে। এরই মধ্যে নানা অপরাধ কর্মকাণ্ড এবং হত্যার ঘটনাও ঘটেছে। কিন্তু কি কারণে কিশোর-তরুণরা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছেন এ বিষয়টি নিয়ে যারা কাজ করেন তারাই ভালো বলতে পারবেন। আমার কাছে মনে হচ্ছে সামাজিক অবক্ষয়ের কারণেই এমনটা হচ্ছে। যে করেই হোক এই গ্যাং কালচারের প্রবণতা থেকে তাদেরকে বের করে আনতে হবে। এজন্য পরিবারের সদস্য ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। কিন্তু কিছু কিছু ক্ষেত্রে - অনেক বাবা-মাও অসহায়ত্ব প্রকাশ করছেন- যেটা খুব শঙ্কার বিষয়। 
তিনি বলেন, প্রাথমিক পর্যায় থেকেই একজন শিক্ষার্থীকে নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে পারলে কিশোর বয়সে তারা আর অপরাধে জড়াবে না। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই তৎপরতা অব্যাহত থাকলে কিশোর অপরাধীর সংখ্যা কমে আসবে বলে মনে করছি।

সাঁড়াশি অভিযানে পুলিশ, কমেছে অপরাধ:
সাম্প্রতিক সময়ে অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের পর কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে সাঁড়াশি অভিযানে নেমেছে পুলিশ। একযোগে জেলার ১৮টি থানায় চালানো হচ্ছে অভিযান। পাঁচ দফায় অভিযান চালিয়ে এখনো পর্যন্ত ২ হাজার ৩৫জনকে আটক করা হয়েছে। সর্বশেষ গত শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত জেলার ১৮টি থানায় একযোগে অভিযান চালিয়ে ৩৬৩ জনকে আটক করা হয়। এর আগে প্রথম দফায় ৬২৪ জন, দ্বিতীয় দফায় ২৫৪ জন, তৃতীয় দফায় ৪১৫ জন এবং চতুর্থ দফায় ৩৭৯ জনকে আটক করা হয়। আটকদের মধ্যে থেকে যাচাই-বাছাই শেষে ১ হাজার ৪০৯ জনের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে এবং বাকি ৬২৬ জনকে অপরাধ সংশ্লিষ্টতায় আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। 
এদিকে কুমিল্লা জেলাজুড়ে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানের কারণে একদিকে যেমন শহর ও উপজেলা শহরগুলোতে কিশোরগ্যাংয়ের দৌরাত্ম কমে আসছে; অন্যদিকে কমেছে অপরাধ প্রবণতাও। বিশেষ করে ছিনতাইয়ের ঘটনা প্রায় শূন্যের কোটায় চলে এসেছে। অভিযান শুরু হওয়ার পর গত এক সপ্তাহে কুমিল্লায় কোনো ছিনতাইয়ের তথ্য পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি কমেছে চুরি-ডাকাতিও।
কুমিল্লার সমাজকর্মী মোহাম্মদ জাবের হোসেন বলেন, দেরিতে হলেও পুলিশ কিশোর অপরাধ দমনে মাঠে নেমেছে এটি একটি সুখকর বিষয়। এ অভিযানের প্রভাবও পড়তে শুরু করেছে কুমিল্লায়। শহরের আনাচে-কানাচে রাতবিরাতে অযাচিত আড্ডা যেমন কমেছে তেমনি চুরি ছিনতাইও অনেকাংশে লোপ পেয়েছে। আশা রাখছি কুমিল্লার মানুষকে পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তা দিতে পুলিশের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি অভিযানে সাধারণ নিরীহ কোনো মানুষ যেনো হয়রানির শিকার না হয়- সে বিষয়টি নিয়ে সতর্ক থাকতেও পুলিশের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।
এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফুর রহমান বলেন, কাউকে হয়রানি নয়- কুমিল্লার মানুষকে নিরাপত্তা দিতেই পুলিশ এই অভিযান। কিশোর গ্যাংবিরোধী এই অভিযানে গিয়ে কাউকে বাসা থেকে বা রেস্তোরাঁয় বসে থাকা অবস্থায় আটক করা হয়নি। সন্ধ্যার পর কিংবা মধ্যরাতে পড়াশোনা ও ঘুমানোর সময় যাদের রাস্তায় বা বাড়ির বাইরে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখা গেছে, তাদেরই আটক করা হয়েছে।
তিনি বলেন, অভিযান শুরুর পর থেকেই কুমিল্লায় অপরাধপ্রবণতা কমেছে। বিশেষ করে আগে ছিনতাইপ্রবণ এলাকাগুলো দিয়ে মানুষ চলাচল করতে ভয় পেতো কিংবা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটতো। এখন মানুষ স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারছে।
কিশোর অপরাধ দমন নিয়ে কুমিল্লা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন পুলিশ সুপার মো. আবদুল মান্নান। তিনি বলেছেন, সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্টকারী এবং কিশোরদের অপরাধের পথে ধাবিতকারী কোনো গ্যাং বা গডফাদারকে ছাড় দেওয়া হবে না। এই সাঁড়াশি অভিযান জেলা থেকে কিশোর গ্যাং কালচার সম্পূর্ণ নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। 
এসময় তিনি অভিভাবকদের প্রতি সন্তানদের খোঁজখবর রাখতে এবং তারা কার সাথে মিশছে সে বিষয়ে সচেতন হতে অনুরোধ জানান।














http://www.comillarkagoj.com/ad/1752266977.jpg
Loading...
Loading...
Follow Us
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩, +৮৮ ০১৭১১ ৯৯৭৯৬৯, +৮৮ ০১৯৭৯ ১৫২৪৪৩, ই মেইল: [email protected]
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০২২