সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৬ আশ্বিন ১৪৩৩
বুড়িচংয়ে সেচপাম্পে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট নিহত ১
প্রকাশ: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫৬ এএম আপডেট: ২১.০৯.২০২৬ ১:৪৪ এএম |


 বুড়িচংয়ে সেচপাম্পে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট নিহত ১
বুড়িচং প্রতিনিধি: কুমিল্লার বুড়িচংয়ে সেচ পাম্পে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বাবুল (৫১) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে উপজেলার মোকাম ইউনিয়নের শিকারপুর-মনঘাটা এলাকার নাগিনীর জলাশয়ে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত বাবুল ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার চিনাইর এলাকার ছয়ঘর ভূঁইয়া বাড়ির জালাল উদ্দীনের ছেলে। সকালে স্থানীয় শ্রমিকরা মাঠে কাজ করতে গিয়ে তাকে বিদ্যুতের তারের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, শিকারপুর গ্রামের জহিরুল ইসলামের নাগিনীর জলাশয়ে স্থাপিত সেচ পাম্প থেকে গভীর রাতে বিদ্যুতের তার চুরি করার চেষ্টা করছিলেন বাবুল। এ সময় বিদ্যুতের তার কাটতে গিয়ে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
বুড়িচং থানার দেবপুর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই আলমগীর হোসেন বলেন, শিকারপুর গ্রামের জহিরুল ইসলামের জমিতে পানি সেচের জন্য স্থাপিত পাম্পের বিদ্যুতের তার কাটার সময় ওই ব্যক্তি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। সকালে মাঠে কাজ করতে আসা শ্রমিকরা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। তার স্ত্রী শিল্পী আক্তার মরদেহটি শনাক্ত করেন।
দেবপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সুরেচিত বড়ুয়া বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রোববার রাত ২টার পর সেচ পাম্পের বিদ্যুতের তার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তার মৃত্যু হয়। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় বুড়িচং থানায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।















http://www.comillarkagoj.com/ad/1752266977.jpg
Loading...
Loading...
Follow Us
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩, +৮৮ ০১৭১১ ৯৯৭৯৬৯, +৮৮ ০১৯৭৯ ১৫২৪৪৩, ই মেইল: [email protected]
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০২২