বাংলাদেশের
শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ড ইস্পাহানি মির্জাপুরের উদ্যোগ, পরিকল্পনা ও
পৃষ্ঠপোষকতায় মাতৃভাষা বাংলা নিয়ে দেশের সবচেয়ে বড় মেধাভিত্তিক টিভি
রিয়্যালিটি শো ‘ইস্পাহানি মির্জাপুর বাংলাবিদ’ সপ্তম বর্ষ–এর কুমিল্লা
অঞ্চলের বাছাইপর্ব (অডিশন) অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষে ৭ আগস্ট, ২০২৬
শুক্রবার কুমিল্লা শহরের ‘নবাব ফয়জুন্নেসা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়’
প্রাঙ্গণে আয়োজিত বাছাই পর্বের প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় সহস্রাধিক শিক্ষার্থী।
প্রাথমিক বাছাইপর্ব শেষে চূড়ান্ত পর্বে ঢাকায় যাবার সুযোগ পেয়েছে কুমিল্লা
অঞ্চলের সেরা পাঁচ বাংলাবিদ।
নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলা সংস্কৃতি,
শুদ্ধ বাংলা, বানান ও ব্যবহার ছড়িয়ে দিতে সপ্তমবারের মতো ইস্পাহানি টি
লিমিটেড আয়োজন করছে বাংলা প্রতিযোগিতা ‘ইস্পাহানি মির্জাপুর বাংলাবিদ’।
প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা
বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কামরুন নাহার শিলা, এবং প্রথিতযশা আবৃত্তি শিল্পী
মাহীদুল ইসলাম আর এই প্রতিযোগিতাটি পরিচালনায় ছিলেন চ্যানেল আই-এর তাহের
শিপন। পরে নির্বাচিতদের হাতে সম্মাননা পুরস্কার তুলে দেন কুমিল্লার
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আহসান পারভেজ, ইস্পাহানি টি
লিমিটেডের জ্যেষ্ঠ বিভাগীয় ব্যবস্থাপক (কুমিল্লা) আসলাম হোসেন চৌধুরী।
এছাড়াও সুন্দর হাতের লেখার জন্য সেরা তিনজন কে পুরষ্কার তুলে দেন ইস্পাহানি
টি লিমিটেডের জ্যেষ্ঠ বিভাগীয় ব্যবস্থাপক ( চট্টগ্রাম উত্তর) মোহাম্মদ
আশিকুর রহমান।
নির্বাচিতরা হলেন নাবিহা তাসনীন তারিন (নবাব ফয়জুন্নেসা
সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়- নবম শ্রেণি), ওয়াসিমা ইবনাত মজুমদার
(ইস্পাহানি ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ- নবম শ্রেণি),
তাবারাকা শাফী (আবেদা নূর উচ্চ বিদ্যালয়- দশম শ্রেণি), আরেফিন জামান
(ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড মাধ্যমিক বিদ্যালয়- দশম শ্রেণি) এবং নওশিন ইমরোজ
(নবাব ফয়জুন্নেসা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়- নবম শ্রেণি)।
ষষ্ঠ থেকে
দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিয়ে এ প্রতিযোগিতায় ৪০ নম্বরের সাহিত্য ও
ব্যাকরণভিত্তিক বহুনির্বাচনী প্রশ্ন ও ৩০ নম্বরের অনুধাবনমূলক
প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে নির্বাচন করা হয় বিভাগীয় সেরা ২০ প্রতিযোগীকে। পরে
বিচারকরা যাচাই করেন প্রতিযোগীদের উচ্চারণ, বানান ও ব্যাকরণের সুষ্ঠ
প্রয়োগের ক্ষমতা, যার মাধ্যমে সেরা পাঁচজন নির্বাচিত হয়ে ঢাকায় মূলপর্বে
যাবার সুযোগ পায়। সেরা ২০ এর প্রত্যাককেই দেয়া হয় বিশেষ সনদ ও পুরষ্কার।
এছাড়া অংশগ্রহনকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ‘সুন্দর হাতের লেখা’ প্রতিযোগিতায়
প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান বিজয়ীকে দেওয়া হয় যথাক্রমে পাঁচ হাজার, তিন
হাজার ও দুই হাজার টাকার আর্থিক পুরস্কার ও সনদপত্র।
উল্লেখ্য, ঢাকায়
মূলপর্ব শেষে দেশসেরা বাংলাবিদ জিতে নেবে ১০ লক্ষ টাকার মেধাবৃত্তি এবং
দ্বিতীয় ও তৃতীয়স্থান অধিকারী পাবে যথাক্রমে ৩ লক্ষ টাকা ও ২ লক্ষ টাকার
মেধাবৃত্তি। এছাড়াও প্রথম দশজন প্রতিযোগী পাবে ১ টি ল্যাপটপসহ ব্যক্তিগত
গ্রন্থাগার করার জন্যে ৫০ হাজার টাকা সমমূল্যের বাংলা বই ও বইয়ের আলমারি।
