
আমার
স্নেহের ছাত্র হালিম আবদুল্লা ‘জোড়া শালিক’ নাম দিয়ে একটি প্রকাশনা সংস্থা
পরিচালনা করছে। প্রতিষ্ঠানটি কান্দিরপাড়-নিউমার্কেটের চারতলার দক্ষিণাংশে
অবস্থিত। লেখক-সাহিত্যিকদের মিলনক্ষেত্র হলো ‘জোড়া শালিক’। এখানে
লেখক-সাহিত্যিক ছাড়াও ভিন্ন আদর্শিক লোকের সমাগম হয়। মজার বিষয় হলো, এখানে
এসে তার নিজস্ব আদর্শিক সত্তা ভুলে সাহিত্যের আড্ডার স্রোতের একাকার হয়ে
যায়। তার আগমন যে উদ্দেশ্য নিয়েই হোক, আমার ছাত্র তাঁকে নিজের নাম ভুলিয়ে
দিতে পারঙ্গম। এ কারিশমা অর্জন করে হালিম আবদুল্লা আমাদের কাছে একধরনের
ঠিকানা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।
‘জোড়া শালিক’-এ শুধু প্রকাশনাই মুখ্য
বিষয় নয় নিজেকে প্রকাশ করার একটি অভিনব প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির দুটি
ধারা- এক. নিজেকে মৌখিক বা লিখিতভাবে উপস্থাপন করা। অথবা দুই, অন্যের কাছ
থেকে অভিজ্ঞতা অর্জন করা। দ্বিতীয় বিষয়টি খুবই জুড়ালো। হালিম আবদুল্লা
অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে এই কাজটি করার জন্য একটি অভিনব চিরায়ত আড্ডার আয়োজন
করে ‘জোড়া শালিকে’র দরজাটি খুলে দিয়েছে। আহবান হচ্ছে- এসো এবং উপভোগ করো,
নিজেকে অনুসন্ধান করে প্রকাশ করো এবং অবশ্যই তার সীমাবদ্ধতা হচ্ছে
সাহিত্য-আসর, সাহিত্য চর্চা, সাহিত্য বিষয়ক আলোচনা এবং মূলত সাহিত্য আড্ডা।
ধারাবাহিকভাবে একশত আড্ডা যখন সমাপ্তির পথে, তখন ইতিহাস এসে সামনে দাঁড়াল।
অর্থাৎ একশতটি আড্ডার হিসাব লিপিবদ্ধ করো, ইতিহাসের দলিলটি দু’মলাটে আবদ্ধ
করো।
মজার ও আশ্চর্যের বিষয় হলো- আমি ‘জোড়া শালিক’-এ দিনের বেলা
অনিয়মিত যাতায়াত করি, মূলত হালিমকে দেখতে, কিন্তু কোনো আড্ডায় যোগদান বা
অংশ গ্রহণ করিনি। বিচিত্র বিষয় হলো- এ জোড়া শালিক ও নাট্যব্যক্তিত্ব
স্নেহভাজন শাহজাহান চৌধুরী এ প্রতিষ্ঠানে আমার আশি বছর পূর্তি অনুষ্ঠানটি
আয়োজন করে কৃতজ্ঞতা পাশে বেঁধে ফেললো। এ প্রাপ্তির প্রতিদান আমার জীবনে শোধ
হবে না বলেই জানি।
বর্তমান সময়ে কুমিল্লা শহরে যে অস্থিরতা বিরাজ করছে
সেখানে সাহিত্যবিষয়ক আড্ডা চলমান রাখা এবং চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যকে লালন করা-
তা রীতিমত যুদ্ধ সামিল। ফেসবুক-এ যখন আড্ডার অংশগ্রহণকারীদের দেখি,
নির্ধারিত বিষয়ের উপর আলোচনা শুনি তখন মনে হয়- আমি কতটা পিছিয়ে আছি। আবার
ভাবি দু:সময়ে কুমিল্লা কতটা এগিয়ে চলেছে সাহিত্যচর্চা ও মুক্তচিন্তার
ক্ষেত্রে। সময় কথা বলবে।
তাহলে কী আমি আড্ডাবাজ কেউ নই : পেছনের দিকে
একটু তাকালাম। এই কুমিল্লা শহরে ৬৫/৬৬ বছর যাবত বাস করছি। ছাত্রজীবন ও
কলেজ-শিক্ষক জীবন কাটিয়েছি অনেক বৎসর। এসব কারণে দাবি করতে পারি- আমি
কুমিল্লাকে দেখেছি, আমার দেখার আগের ইতিহাস অনুসন্ধানে ধারণ করেছি, আশি বছর
অতিক্রান্ত হলেও লেখালেখির মাধ্যমে সাহিত্যচর্চা ও অভিজ্ঞতাকে শাণিত করে
চলেছি। অবশ্যই চলমান পুরনো একটি যানবাহনের মতো চলছি। জানি না কতদিন চলবে।
তবে চলবে। বয়স যদিও ‘আশি’, কিন্তু বলতে পারছি না ‘আসি’।
ছাত্র বয়সে
একধরনের আড্ডায় মশগুল ছিলাম, শিক্ষক-জীবনে ভিন্নরূপ। আবার জীবিকা নির্বাহের
জন্য অন্যরূপ। কিন্তু সাহিত্যচর্চার ছোঁয়া থেকে অভিন্ন হইনি। এ নিয়ে
দু’একটি আড্ডার স্মৃতিচারণ।
কলেজ জীবনে ছোটখাট আড্ডায় সময় কাটাতাম।
মনোহরপুর ‘পপুলার বুক এজেন্সী’ নামে একটি লাইব্রেরি ছিল। মালিক কার্তিক
তারণ। তাঁর বয়:জ্যেষ্ঠ কর্মচারী আশুতোষ চক্রবর্তী চিরকুমার। তিনিই ছিলেন
আমাদের মূল আকর্ষণ। তিনি তান্ত্রিক পুরুষ, রুদ্রাক্ষ্যের মালা পরতেন,
মুণি-ঋষিদের কথা বলতেন, অবাক হয়ে শুনতাম। এই লাইব্রেরির পশ্চিম পাশের্^র
দোকান শক্তি ঔষধালয়। কানু ও ভানু দুই ভাই খেলার পাগল। একটি ট্রেনজিস্টার
দিয়ে খেলার ধারাবিবরণী শুনতেন। আড্ডার বন্ধুরা ছিলাম- ভিক্টোরিয়া স্কুলের
শিক্ষক কবি সুভাস পাল, গায়ক দুলাল চৌধুরী, সহপাঠী খনেন রায় চৌধুরী, গোপাল
সাহা প্রমুখ। শক্তি ঔষধালয়ে আগত পদার্থবিদ্যা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক পিকে
রায় (প্রফুল্ল কুমার রায়)- এর মেধাবী ছেলে অরুন কুমার রায়। বিজ্ঞান বিভাগের
আরেকজন অনুপ বসু। অরুণ রায় শক্তি ঔষধালয়ের পেছনে বসে প্লেনসেটের মাধ্যমে
মৃত ব্যক্তির আত্মা কীভাবে ডেকে এনে কথাবার্তা বা লেখালেখি করত। বিষয়টি আজও
আমার কাছে রহস্যাবৃত। আমরাই পরবর্তীতে পশ্চিমের দোকান- সুচিত্রা স্টুডিওতে
আড্ডা জমালাম। মালিক অনাথবন্ধু দাশ। এখানে কবি সুভাস পাল, সঞ্জীবন
চক্রবর্তী (বার্ডে চাকরি করতেন), মধুসূদন চক্রবর্তী, মিয়াবাজার হাই স্কুলের
শিক্ষক হারাধন ঘোষ, বন্ধু খগেন রায় চৌধুরী, গায়ক দুলাল চৌধুরী প্রমুখ।
আড্ডার বিষয়বস্তু বহুমাত্রিক। সাহিত্যের কোনো বিষয় নয়। সমান তালে পান ও
সিগেরেট সেবন ইত্যাদি।
আমি যখন কুমিল্লা মহিলা কলেজের শিক্ষক হলাম
পরিবার পরিজনসহ বাসাবাড়ি নিয়ে কুমিল্লার দিগাম্বরীতলায় ভাড়া বাসায় থাকি,
তখন রীতিমত সংগ্রামী জীবন শুরু হয়ে যায়। নোটবই লিখি, প্রাইভেট পড়াই এবং
নিউমার্কেটে কর্ণফুলী প্রেসের মালিক আবদুল হালিম সরকারের সঙ্গে ‘পত্রালিকা’
নামে প্রশ্নের ব্যবসা শুরু করি। এ ইতিহাস ভিন্নতর।
আবদুল হালিম সরকার
নিউমার্কেটে জায়গা ক্রয় করে কাগজের দোকান দেয় এবং আমাকে দোকানে বিকেলে বসতে
অনুরোধ করেন। আমার তো টাকার দরকার, নানা কাজে যা আয় রোজগার হয় তাতে সংসার
চলছে না। রাজী হয়ে গেলাম। তখন ভিক্টোািরয়া কলেজে বদলি হয়ে বাংলা বিভাগে
যোগদান করেছি। আমাকে মাসে ৩৫০.০০ টাকা দিতেন। আমার বসার উছিলায় ‘বাংলাদেশ
পেপার হাউস’ (দোকানের নাম)- এ একটি বৈকালিক আড্ডা বসত। এখানে কলেজ শিক্ষকগণ
আসতেন। ভিক্টোরিয়া কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আবদার রশীদ, এডভোকেট সুলতান
মাহমুদ মজুমদার, মোহাম্মদ আবদুল কুদ্দুস (নজরুল গবেষক ও বহুমুখী লেখক),
কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের কলেজ পরিদর্শক প্রফেসর মোহাম্মদ আলী (হবিগঞ্জবাসী),
নোয়াখালী লক্ষ্মীপুরের আমার তাঐমশায় কৃষ্ণচন্দ্র দাশ (যখন কুমিল্লায়
আসতেন, তিনি ১৯২৮ সালে কলকাতা রিপন কলেজ থেকে বিএ পাশ। লক্ষ্মীপুর সামাদ
একাডেমির সিনিয়র শিক্ষক), ইংরেজির অধ্যাপক শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরী (শিক্ষা
বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ছিলেন), আমার শিক্ষক অধ্যাপক কাজী নজরুল ইসলাম,
রসায়ন শাস্ত্রের অধ্যাপক সুলতান আহমদ, ইতিহাসের অধ্যাপক হারুন অর রশীদ
প্রমুখ। বিকেলবেলায় দোকানদারী শেষ। এক সমৃদ্ধ আড্ডা। নানামুখী জ্ঞানধর্মী
সাহিত্যচর্চা, বিজ্ঞান-দর্শন-ইতিহাস বিষয়ে আলোচনা। অধ্যক্ষ প্রফেসর আবদার
রশীদ অনুবাদ-এর জন্য বাংলা একাডেমী পুরস্কার প্রাপ্ত। এডভোকেট সুলতান
মাহমুদ মজুমদার ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্র ছিলেন, নজরুল ইসলাম যখন ১৯২১ সালে
কুমিল্লায় এসেছেন, তিনি কলেজ-হোস্টেলে থাকতেন, সেখানে কবির যাতায়াত ছিল। এ
সূত্রে তাঁরা বন্ধু হলেন। ম্যাজিস্ট্রেট জনাব সুলতান মাহমুদ মজুমদার
ত্রিপুরা রাজ্যের প্রথম মুসলিম গ্রেজুয়েট ও জনাব মোহাম্মদ আবদুল কুদ্দুস
এডিপিআই ও বয়স্ক শিক্ষা বিশেষজ্ঞ। কুমিল্লায় নজরুল নিয়ে তাঁর অসামান্য
গবেষণা এবং কুমিল্লার উপর অনুসন্ধানী প্রকাশনাও রয়েছে। এভাবে গুণিজন যখন
আড্ডায় মশগুল থাকতেন, আমি অর্বাচীন জুনিয়র শিক্ষক বিস্ময়ের আকাশচারী হয়ে
যেতাম। এ আড্ডাটি ১৯৭৬-১৯৮৬ সাল পর্যন্ত চলে।
১৯৮৬ সালে আমি কুমিল্লা
রামকৃষ্ণ আশ্রমের সম্পাদক মনোনীত হওয়ার পর আর দোকানের আড্ডায় থাকিনি। এর
মধ্যে গুণিজন অনেকে চাকরি শেষ করে নিজেদের অবস্থানে চলে গেছেন। আমার শিক্ষক
অধ্যক্ষ কাজী নুরুল ইসলাম মারা গেছেন।
চাকরি থেকে যখন অবসরজীবনে চলে
যাই, তখন রাজগঞ্জ-এর একটি জুতার দোকানে মাঝে মাঝে এক অভিনব আড্ডায় যোগদান
করতাম। শ্রী শান্তিভূষণ মজুমদার ছিলেন দোকানের মালিক। কর্মচারীরা দোকানদারী
করত। তাঁকে উপলক্ষ করে আমরা কতিপয় অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি- অধ্যাপক সমীর
মজুমদার, (অজিতগুহ কলেজের শিক্ষক), কালীপদ মজুমদার (টেলিফোন ও টেলিগ্রাম
অফিসের কর্মকর্তা), পরেশচন্দ্র দে (জেলা পরিষদের প্রকৌশলী), শক্তিবাবুর
বন্ধু ফরহাদ সাহেব (ব্যাংকার), সুখেন চন্দ্র সাহা (ঠিকাদার), মাহবুবুর
রহমান (ব্যাংকার), পন্ডিত জিতেন্দ্র চন্দ্র সরকার (ফয়জুন্নেছা বালিকা
বিদ্যালয়ের পন্ডিত শিক্ষক ছিলেন), শিবলী নোমানী (ক্রীড়াবিদ) প্রমুখ। এখানে
জ্ঞানভিত্তিক আড্ডা বিষয় নয়, জীবনের বিচিত্র অভিজ্ঞতার কথাই আলোচ্য বিষয়
প্রাধান্য পেতো। তাও একসময় ইতি হয়ে যায়। এখন অর্থে আমি বেকার। প্রধান কারণ,
বয়স ও আড্ডার সময়টি আমার জন্য সুবিধাজনক নয় বলেই ‘জোড়াশালিক-এর চমৎকার
আয়োজন সমৃদ্ধ আড্ডায় একদিনের জন্যও যোগ দিতে পারিনি। এদিকে দিয়ে আমি
অসামাজিক ও অযোগ্য হিসেবেই বিবেচ্য। অথচ হালিম আবদুল্লা নিরন্তর আমন্ত্রণ
জানিয়ে আসছে। ১২ জুলাই ২০২৬ শততম অতিক্রমী আড্ডার আয়োজন ও স্মরণীয় করে
রাখার উদ্যোগ অর্থাৎ প্রকাশণার জন্য আমার অনুভূতি ও অভিজ্ঞতার উপর লেখা
চাইল, রীতিমত ব্যর্থতার বিষয়টি আমাকে দগ্ধ করছে। তারপরও আনন্দ অনুভব করছি-
তারা আমাকে ভুলতে চায় না, সঙ্গে রাখতে চায়। তাদের কর্তব্যবোধ ও আহবান আমাকে
মোহিত করেছে। প্রত্যাশা এ আড্ডা চলবে পরম্পরা ধারায়। এজন্য শুধুই-
ব্যর্থ প্রাণের আবর্জনা পুড়িয়ে ফেলে আগুন জ¦ালো,
একলা রাতের অন্ধকারে আমি চাই পথের আলো।
ব্যতিক্রমী আলোচনা
সাহিত্য
চর্চার ক্ষেত্রে ও লেখালেখি যাঁরা করেন, তাঁদের জন্য আড্ডা হলো একধরনের
টনিক। নিজেকে প্রকাশ করা, অন্যের অভিজ্ঞতাকে আত্মস্থ করা- দুটিই বান্ধবের
মতো সহায়তা করে। বিশেষত সাহিত্যচর্চায় তিনটি অনুষঙ্গ রয়েছে- ১. স্মারক
বক্তৃতা, ২. সেমিনার ও ৩. আলোচনা বা আড্ডা।
স্মারকবক্তৃতা হলো- মঞ্চে
একজন সভাপতি, স্মারকবক্তা এবং একজন আয়োজক থাকেন। আয়োজক স্বাগত ভাষণ প্রদান
করেন, স্মারক বক্তা বক্তৃতাটি পাঠ করেন এবং সভাপতি প্রাসঙ্গিক বক্তব্য
উপস্থাপন করে সভাটির সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
সেমিনারে মঞ্চে সভাপতি থাকেন
একজন নির্ধারিত। প্রাবন্ধিক তিনি, সেমিনারের জন্য একটি নির্ধারিত বিষয়ের
উপর প্রবন্ধ পাঠ করেন। এই প্রবন্ধটি নির্ধারিত ২/৩ জন আলোচক আলোচনা করেন।
প্রবন্ধটি পূর্বেই আলোচকদের কাছে জমা দিতে হয়। পরে ধন্যবাদসহ সভাপতি সভার
সমাপ্তি টানেন।
আড্ডায় আলোচনা বিষয় ভিত্তিক থাকে, আবার থাকেও না। এখানে
আলোচকেরা স্বাধীনভাবে নিজেদের কথা বলতে পারেন, যুক্তি-প্রতিযুক্তি
উপস্থাপনের মাধ্যমে আড্ডাটিকে প্রাণবন্ত করে তুলেন। তবে বিষয়টির চারিত্রিক
দিক নির্দেশনা হলো আড্ডা-সাহিত্য আড্ডা।
‘জোড়া শালিক’ সাহিত্য আড্ডায়
বিষয় নির্ধারণ করে দেয়। এতে এক ধরনের সীমাবদ্ধতা থেকে যায়। মুক্ত আলোচনার
যে স্বাদ বা রসালু ঝাঁঝ, তাতে একটু আলুনি হয়ে পড়ে। মূলত সাহিত্য আড্ডা জমে
ওঠে সমমনারা যখন একত্রিত হন, তখন কোনো না কোনো ভাবে একজন একটি বিষয় আলোচনার
আদলে উপস্থাপন করার পর এক ধরনের বৈচিত্র্য বা সৌন্দর্য এমনিতেই জমে ওঠে।
তাতে চলে তর্ক-বিতর্ক এবং অভিজ্ঞতা বা জ্ঞানচর্চার উজার করা ভান্ডারের
উন্মুক্ত প্রবাহ। এটাই সাহিত্য-আড্ডার কারিশমা এবং আগামীদিনের জন্য
প্রস্তুতি। ‘জোড়া শালিক’ বিষয়টি ভেবে দেখতে পারে।
তারপরও ‘জোড়া শালিক’ এগিয়ে চলবে- এ প্রত্যাশা ও আমার অভিনন্দন।
