স্কুলে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি পদ্ধতি প্রত্যাহার করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
শিক্ষামন্ত্রী
আ ন ম এহছানুল হক মিলন সোমবার বিকালে সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে
বলেছেন, "বছরের প্রথমে অ্যাডমিশন যেটা হয়, সেখানে আমরা লটারির পরিবর্তে
পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করতে যাচ্ছি। আগাম জানিয়ে দিলাম, যেন সবাই সুযোগ
পায়।
"আমরা লটারি সিস্টেম উইথড্র করলাম,দ্যাটস ইট।"
সবগুলো শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রেই পরীক্ষার আয়োজন করা হবে বলে ইঙ্গিত দেন শিক্ষামন্ত্রী।
তিনি
বলেন, গত এক মাস ধরে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা-পর্যালোচনার মাধ্যমে স্কুলে
ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি উঠিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
লটারি পদ্ধতি উঠিয়ে দিয়ে ভর্তি পরীক্ষা নিলে 'কোচিং ও নোট গাইডের' বাজার বাড়বে না বলেও মনে করছেন শিক্ষামন্ত্রী।
প্রথম
শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে 'প্রাথমিক পর্যায়ের' পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা
তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, "ওদেরকে আমরা ক্লাস ওয়ানে নিউরোসার্জন বানানোর
চেষ্টা করছি না। এটা নিশ্চিত থাকেন।"
ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি “কোনো শিক্ষা ব্যবস্থায় থাকতে পারে না” বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
আগে
প্রথম শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য পরীক্ষা না নিয়ে লটারি হত।
কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে ২০২১ শিক্ষাবর্ষে সব শ্রেণিতেই শিক্ষার্থী ভর্তিতে
লটারি শুরু হয়। চলতি বছরও প্রথম থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য লটারির
মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হয়েছিল।
