সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে দেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
নির্বাসিত জীবন থেকে ফিরে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে আসা তারেক এ পদে কত বেতন কিংবা কী কী সুবিধা পাবেন, সে জিজ্ঞাসা আছে অনেকের।
প্রধানমন্ত্রীর বেতন ও সুবিধাদি নির্ধারণ করা রয়েছে দ্য প্রাইম মিনিস্টার্স (রেমুনারেশন অ্যান্ড প্রিভিলেজ) অ্যাক্টের মাধ্যমে।
সেখানে বলা আছে, একজন প্রধানমন্ত্রী মাসে ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা পারিশ্রমিক পাবেন। এর সঙ্গে বাড়ি ভাড়া হিসেবে পাবেন ১ লাখ টাকা।
প্রধানমন্ত্রী
হিসেবে বিনোদনের জন্য ব্যয় করা সম্পূর্ণ অর্থই তিনি পাবেন ভাতা হিসেবে।
তার অফিস থেকে বাসা এবং বাসা থেকে অফিসে যাতায়াতের সব খরচও বহন করবে
রাষ্ট্র।
সেক্ষেত্রে তার এবং তার পরিবারের নির্দিষ্ট ব্যয়ও তিনি ভাতা হিসেবে পাবেন।
তার
গৃহস্থালি পণ্য পরিবহন করা লাগলে সেজন্য বিমান ও ব্যক্তিগত গাড়ির বাইরেও
বাড়তি ট্রেন, স্টিমার বা জাহাজের খরচ পাবেন। তবে এর দূরত্ব হতে হবে
সর্বোচ্চ সাড়ে চার হাজার কিলোমিটারের মধ্যে।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান সরকারি বাসভবন পাবেন। বাসভবনের সজ্জা ও রক্ষণাবেক্ষণের সব ব্যয়ভার বহন করবে সরকার।
তিনি
কোনো কারণে নিজ বাসায় থাকতে চাইলে বা থাকলে বাড়ি ভাড়ার ভাতা পাবেন এক লাখ
টাকা করে। সেক্ষেত্রেও সজ্জা ও রক্ষণাবেক্ষণের খরচ সরকার দেবে।
এছাড়া তার বাসভবনের বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, টেলিফোন ও অন্যান্য ইউটিলিটির ব্যয়ও বহন করবে সরকার।
তিনি নিজ বাসায় থাকতে চাইলে নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগ ও তার খরচও রাষ্ট্রের কোষাগার থেকে যাবে।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে বিবেচিত হবেন এবং দেশের ভেতর তার যাতায়াতের সব খরচ বহন করবে সরকার।
দেশের বাইরে কোনো কাজে গেলে তার জন্যও ভাতা পাবেন তারেক রহমান।
এসময়
তিনি দৈনিক ভাতা হিসেবে ৩ হাজার টাকা, নিজের এবং পরিবারের জন্য সুবিধাজনক
পরিবহন, বিমান ভ্রমণের জন্য বীমা কভারেজ ২৫ লাখ টাকা এবং স্বেচ্ছাধীন তহবিল
দেড় কোটি টাকা পাবেন।
প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসকের পরামর্শে দেশে এবং দেশের বাইরের যেকোনো মেডিকেলে চিকিৎসা সুবিধা পাবেন তিনি; সঙ্গে পরিবারও।
