মো. হাবিবুর রহমান ।।
“জাতীয় ঐক্য, সংহতি ও গণতান্ত্রিক চেতনা” এই স্লোগানকে ধারণ করে কুমিল্লার মুরাদনগরে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হলো ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’। শনিবার দুপুরে উপজেলা পরিষদের কবি নজরুল মিলনায়তন যেন পরিণত হয়েছিল এক মিলনমেলায়; যেখানে রাজনৈতিক মতপার্থক্য ছাড়িয়ে দেশের স্বার্থে ঐক্যের সুর প্রতিধ্বনিত হয়।"
উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাকিব হাসান খানের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা বরুণ চন্দ্র দের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক পটভূমি ও তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মাহফুজুর রহমান, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মহিউদ্দিন অঞ্জন, বাঙ্গরা বাজার থানার এসআই রবিউল ইসলাম, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক আহমেদ বাদশা, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক খাইরুল হাসান এবং শিক্ষক সমিতির সভাপতি জামাল হোসেন।
বক্তারা বলেন, "৭ নভেম্বর কেবল একটি তারিখ নয়, এটি আমাদের জাতীয় জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অধ্যায়। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে বেগবান করতে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই।"
অনুষ্ঠানে অন্যান্যেদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সফিউল আলম তালুকদার, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া ও নজরুল ইসলাম, উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সুফি আহমেদ প্রমুখ।
আলোচনার পর অনুষ্ঠানটি প্রবেশ করে এক ভিন্ন মাত্রায়। উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করে। সুরের মূর্ছনা আর দেশাত্মবোধক পরিবেশনায় মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো মিলনায়তন। অনুষ্ঠান শেষে দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী প্রতিযোগীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা।
ঐতিহাসিক এই দিবসের চেতনা মুরাদনগরের মানুষের মননে নতুন উদ্দীপনা ও দেশপ্রেমের আলোকবর্তিকা হয়ে থাকবে এমন প্রত্যাশাই ব্যক্ত করেন উপস্থিত সকলে।
