কুমিল্লার দেবিদ্বারে ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে অর্থ নেওয়ার অভিযোগকে মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন দাবি করে গুনাইঘর দক্ষিণ ইউনিয়নের মধুমোড়া গ্রামের ছাত্রদল নেতা মহিউদ্দিন সরকার একটি সংবাদ সম্মেলনে আমাকে জড়িয়ে মিথ্যা-বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বক্তব্য দিয়েছে তা কুমিল্লার স্থানীয় ও জাতীয় কয়েকটি পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। আমি এমন মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
প্রকৃতপক্ষে, তার নিজের অপকর্ম ডাকতে আমাকে জড়িয়ে এমন মিথ্যা বানোয়াট বক্তব্য দিয়েছে। তিনি তার বক্তব্যের এক পর্যায়ে আমার নাম উল্লেখ করে বলেন, আমি নাকি গ্রামে মদ বা নেশা জাতীয় দ্রব্য বিক্রি করেছি। গ্রামের লোকজন নাকি গ্রামে আমার মদের দোকান ভেঙে দিয়েছে এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট বক্তব্য। গ্রামে আমার মা-বাবা, আমার পরিবার পরিজন থাকেন। আমার গ্রামের আমি এমন ব্যবসা করবো এটা মানসিক অসুস্থ্য ব্যক্তিও বিশ^াস করবে না। আমি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সুনামের সঙ্গে জাতীয় পার্টির রাজনীতি করে আসছি।
আমি ছাত্রজীবনের রাজনীতি থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০ বছরের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ও ব্যক্তিগতভাবে এমন কাজে জড়িত আছি তার প্রমাণ কেউ দিতে পারবে না। মূলত মহিউদ্দিন সরকার আমাকে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করতে সাংবাদিকদের কাছে এমন মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করিয়েছেন। গত কয়েকদিন আগে এক নারীকে ফ্যামেলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে টাকা নিয়েছে ওই নারীর স্বীকারোক্তির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কে কারা ভাইরাল করে তা আমি জানিনা, অথচ মহিউদ্দিন সরকার আমাকে এই কাজের জন্য দোষারোপ করে সাংবাদিকদের কাছে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বক্তব্য দিয়েছে। অথচ আমি ঢাকায় অবস্থান করে নিজের ব্যবসা বাণিজ্য করি। আব্দুল আউয়াল সরকার বলেন, আমাকে গত ৫ আগস্ট ও তার আগে দেবিদ্বারে ছাত্র জনতার আন্দোলনে আওয়ামীলীগের হামলার ঘটনায় আমাকে জড়ানো হয়েছে। অথচ আমি ওই দিন দেবিদ্বারেই ছিলাম না। যদি হামলার ঘটনায় কেউ যদি আমার ছবি ভিডিও দেখাতে পারে আমি আর রাজনীতি করবনা। অথচ আমি ও আমার দল জাতীয় পার্টি ছাত্রজনতার পক্ষে সমর্থন দিয়েছিলাম। আমাকে জড়িয়ে মহিউদ্দিন সরকারের এমন মিথ্যা ও বানোয়াট বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
মো. আব্দুল আউয়াল সরকার
কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, জাতীয় পার্টি।
