ইসমাইল নয়ন।।
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশের পৃথক দুটি সফল অভিযানে ১০০ (একশত) পিস অবৈধ ইয়াবাসহ দুই চিহ্নিত মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একই সাথে অন্য এক অভিযানে সীমান্ত এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ভারতীয় বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বাজী।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গতকাল রোববার (০১ নভেম্বর ) দুপুর আনুমানিক ২:৩০ ঘটিকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ব্রাহ্মণপাড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রূপম কুমার সরকার ও সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মোঃ কামরুজ্জামান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে শশীদল ইউনিয়নের হরিমঙ্গল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানকালে হরিমঙ্গল-কুমিল্লা সড়কের হরিমঙ্গল বাজারের দক্ষিণ পাশে দক্ষিণ তেতাভূমি গ্রামের রিপন মিয়ার বাড়ীর সামনের পাকা রাস্তা থেকে ১০০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক বিক্রেতাকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলো- বুড়িচং থানার ৭নং রাজাপুর ইউনিয়নের বারেশ্বর গ্রামের মোঃ মনির হোসেনের ছেলে মোঃ জুম্মন হোসেন (২২) এবং একই গ্রামের মৃত মোঃ ইসমাইলের ছেলে মোঃ আরিফ হোসেন (২২)।
অন্যদিকে, একই দিনে ব্রাহ্মণপাড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোঃ মাহতাব হোসাইনের নেতৃত্বে অপর একটি চৌকস দল ৪নং শশীদল ইউনিয়নের দক্ষিণ শশীদল রেল স্টেশন সংলগ্ন আশাবাড়ি-শশীদলগামী পাকা রাস্তার তালেব আলী মেম্বারের বাড়ীর সামনে অভিযান চালায়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অজ্ঞাতনামা ৩-৪ জন চোরাকারবারী মালামাল ফেলে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ঘটনাস্থল থেকে ফেলে যাওয়া ১৩৮০ (এক হাজার তিনশত আশি) পিস 'ঞটগচঅ ঋওজঊডঙজক' নামক ভারতীয় বাজী এবং ১২৫০ (এক হাজার দুইশত পঞ্চাশ) পাতা 'কওঘএ ঈঙইজঅ ঈজঅঈকঊজঝ, ঝওঠঅকঅঝও' উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ব্রাহ্মণপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ ফারুক হোসেন জানান, "মাদক ও অবৈধ চোরাচালানের বিরুদ্ধে আমাদের শূন্য সহনশীলতা (জিরো টলারেন্স) নীতি বজায় রয়েছে। ইয়াবাসহ গ্রেফতারকৃত দুই আসামীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া বাজী চালানের সাথে জড়িত পলাতক অজ্ঞাতনামা আসামীদের সনাক্ত ও গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।"
