শুক্রবার ● ২৩ অক্টোবর ২০২৬
৭ কার্তিক ১৪৩৩
মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা-গুরুতর বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্য সংকট
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০০ এএম আপডেট: ২২.১০.২০২৬ ১২:৫২ এএম |

মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা-গুরুতর বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্য সংকটমোহাম্মদ মাসুদ রানা চৌধুরী ।।
মানসিক স্বাস্থ্য একটি বড় ধরনের বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্য সংকট, যা কোটি কোটি মানুষ, অর্থনীতি এবং স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করে। মানসিক স্বাস্থ্য আমাদের সামগ্রিক সুস্থতা, জীবনমান এবং দৈনন্দিন কাজের দক্ষতার জন্য শারীরিক স্বাস্থ্যের মতোই সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। মানসিক ও শারীরিক-উভয়ই সামগ্রিক স্বাস্থ্যের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিক এবং এরা একে অপরের সাথে নিবিড়ভাবে জড়িত। মানসিক স্বাস্থ্যের দিকে মনোযোগ দেওয়ার মাধ্যমে শারীরিক স্বাস্থ্যেরও উন্নতি ঘটানো যায়; একইভাবে, শারীরিক স্বাস্থ্যের উন্নতির প্রভাবও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর পড়ে। এই দুটি একে অপরের সাথে গভীরভাবে জড়িত।
মানসিক অসুস্থতা হলো এমন একগুচ্ছ রোগের সাধারণ নাম, যা কোনো ব্যক্তির চিন্তাভাবনা, মেজাজ, আচরণ বা আবেগ নিয়ন্ত্রণের ওপর প্রভাব ফেলে এবং জীবনের চাপ সামলানোর পদ্ধতিকে প্রভাবিত করে। মানসিক স্বাস্থ্য মানে কেবল মানসিক রোগের অনুপস্থিতি নয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, এটি এমন এক সুস্থতার অবস্থা যেখানে আপনি নিজের সক্ষমতা সম্পর্কে সচেতন থাকেন, জীবনের স্বাভাবিক মানসিক চাপ সামলাতে পারেন এবং নিজের সমাজে কাজ ও অবদান রাখতে পারেন। মানসিক অসুস্থতার উৎপত্তি ঘটে মস্তিষ্কে। শরীরের অন্যান্য অঙ্গের মতোই মস্তিষ্কও জীবনের নানা অভিজ্ঞতার প্রেক্ষিতে পরিবর্তন, নিরাময় এবং আঘাতের মধ্য দিয়ে যায়। মানসিক অসুস্থতা শরীরের অন্যান্য অংশের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, বিষণ্নতা ডায়াবেটিস, হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের মতো দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। আবার শারীরিক অসুস্থতাও আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। মস্তিষ্কে আঘাত (ট্রমাটিক ব্রেইন ইনজুরি), ক্যানসার এবং ডায়াবেটিসের মতো দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক অসুস্থতা মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। 
সুস্থ শরীরের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হলো সুস্থ মন। শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যকে সমান গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করার জন্য আপনাকে বিদ্যমান সামাজিক কুসংস্কার বা কলঙ্কের গণ্ডি পেরিয়ে আসতে হবে। যদিও বর্তমানে আরও বেশি সংখ্যক মানুষ মানসিক স্বাস্থ্য ও মাদকাসক্তিজনিত সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন, তবুও সামাজিক কুসংস্কারের কারণে তাঁদের বিশাল একটি অংশ কোনো সহায়তা গ্রহণ করেন না। মানসিক স্বাস্থ্য ও মানসিক অসুস্থতা প্রায় প্রতিটি পরিবারকেই প্রভাবিত করছে; তা সত্ত্বেও সামাজিক কুসংস্কার বা লজ্জা, ভয়, সংশয়, বিচ্ছিন্নতা ও ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি করে চলেছে। এই লজ্জাবোধ প্রায়শই মানুষকে তাদের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ও প্রাপ্য চিকিৎসা গ্রহণ করা থেকে বিরত রাখে। মানসিক স্বাস্থ্যজনিত সমস্যাগুলোকে যথাযথ চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপনার আওতাভুক্ত কোনো শারীরিক বা মানসিক অসুস্থতা হিসেবে গণ্য না করে যখন সেগুলোকে নিয়ন্ত্রণযোগ্য ব্যক্তিগত পছন্দ বা সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখা হয়, তখন তা ভুক্তভোগীদের আরও বিচ্ছিন্ন করে তোলে এবং দোষারোপ ও লজ্জার পরিবেশ সৃষ্টি করে। হৃদযন্ত্র বা কিডনিকে প্রভাবিত করে এমন রোগের ক্ষেত্রে আমরা যেমন দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করি, মানসিক অসুস্থতাকেও ঠিক তেমনই মস্তিষ্কের ওপর প্রভাব বিস্তারকারী একটি শারীরিক অবস্থা হিসেবে দেখা শুরু না করা পর্যন্ত আমরা সামাজিক কুসংস্কারের ক্ষতিকর প্রভাবের শিকার হতে থাকব। শারীরিক ও মানসিক-উভয় ধরনের স্বাস্থ্যগত প্রয়োজনের দিকেই যথাযথ মনোযোগ দেওয়া আমাদের সামগ্রিক সুস্থতাকে অনেক গুণ বাড়িয়ে তুলতে পারে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে ১০০ কোটিরও বেশি মানুষ (৮ জনের মধ্যে প্রায় একজন মানুষ) কোনো না কোনো মানসিক ব্যাধিতে আক্রান্ত। এর মধ্যে উদ্বেগ ও বিষণ্নতার মতো সমস্যাগুলো ব্যাপক মানবিক ও অর্থনৈতিক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রায় ৪৭ কোটি মানুষ উদ্বেগজনিত সমস্যায় ভুগছেন। প্রায় ৩২ কোটি ২০ লাখ মানুষ বিষণ্নতায় ভুগছেন। পুরুষদের তুলনায় নারীদের মধ্যে বিষণ্নতা ও উদ্বেগের মতো মানসিক সমস্যার হার বেশি দেখা যায়। আনুমানিক ৬ কোটি মার্কিন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি (প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যার প্রায় ২৩.৪ শতাংশ বা প্রতি ৫ জনের মধ্যে প্রায় একজন) কোনো না কোনো মানসিক অসুস্থতার সম্মুখীন হয়েছেন। জাপানে আনুমানিক ৬১ লাখ মানুষ মানসিক স্বাস্থ্যজনিত সমস্যায় ভুগছেন বলে ধারণা করা হয়। জার্মানিতে প্রতি বছর প্রায় ১ কোটি ৭৮ লক্ষ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ (মোটামুটি প্রতি তিনজন প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে একজন) কোনো না কোনো মানসিক রোগে আক্রান্ত হন। ভারতে প্রায় ২০ কোটি মানুষ-যা প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যার প্রায় ১৪% থেকে ১৫%-মানসিক স্বাস্থ্যজনিত সমস্যায় ভুগছেন বা অতীতে এমন সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন।  বাংলাদেশের ১৬.৮ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক এবং ১২.৬ শতাংশ শিশু-কিশোর মানসিক স্বাস্থ্যজনিত সমস্যায় ভুগছে। 
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় আক্রান্ত বিশ্বের অধিকাংশ মানুষেরই কার্যকর চিকিৎসা বা সেবা পাওয়ার সুযোগ নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ‘মেন্টাল হেলথ অ্যাটলাস’-এর তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেকই এমন সব দেশে বসবাস করে যেখানে প্রতি ১ লাখ মানুষের জন্য একজনও পূর্ণাঙ্গ মনোরোগ বিশেষজ্ঞ নেই। স্বল্প-আয়ের দেশগুলোতে প্রতি ১ লাখ মানুষের বিপরীতে গড়ে প্রায় ০.১ জন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ (অর্থাৎ প্রতি ১০ লক্ষে প্রায় একজন) থাকেন; অন্যদিকে, উচ্চ-আয়ের দেশগুলোতে এই হার ৭০ থেকে ১২০ গুণ পর্যন্ত বেশি। উচ্চ-আয়ের ইউরোপীয় দেশগুলোতে প্রতি ১ লাখ মানুষের বিপরীতে প্রায় ২০ থেকে ২৭ জন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের উপস্থিতি দেখা যায়; অথচ বাংলাদেশসহ অনেক উন্নয়নশীল দেশে-যেখানে বিশাল জনসংখ্যার বিপরীতে মাত্র ৪৬৫ জনের মতো মনোরোগ বিশেষজ্ঞ রয়েছেন-এই অনুপাতটি অনেক কম (প্রতি ১ লাখ মানুষের বিপরীতে গড়ে মাত্র ০.১৬ থেকে ১.১৭ জন মানসিক স্বাস্থ্যকর্মী)।
মানসিক স্বাস্থ্যজনিত ব্যাধির অর্থনৈতিক প্রভাব অত্যন্ত ব্যাপক। শুধু স্বাস্থ্যসেবা বাবদ খরচ অনেক বেশি তা নয় , এর পরোক্ষ খরচ-বিশেষ করে উৎপাদনশীলতা হ্রাসের কারণে সৃষ্ট ক্ষতি-এর চেয়েও অনেক বেশি। শুধুমাত্র বিষণ্নতা ও উদ্বেগের কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রতি বছর আনুমানিক ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের ক্ষতি হয়। মানসিক স্বাস্থ্যজনিত ব্যাধির প্রাদুর্ভাব নারী ও পুরুষের ক্ষেত্রে ভিন্ন হতে পারে, তবে সামগ্রিকভাবে নারীরাই এর দ্বারা অধিক মাত্রায় প্রভাবিত হন। নারী ও পুরুষ উভয়ের মধ্যেই উদ্বেগজনিত ও বিষণ্নতা-সংক্রান্ত ব্যাধিগুলো সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। বিষণ্নতা থেকে মানুষের মধ্যে আত্নহত্যার প্রবণতা দেখা দেয়। আত্মহত্যা একটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ঘটনা, যা কেবল ২০২১ সালেই আনুমানিক ৭,২৭,০০০ মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। সব দেশ এবং সব ধরনের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে তরুণদের মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হলো আত্মহত্যা। বিশ্বব্যাপী নানামুখী প্রচেষ্টা সত্ত্বেও আত্মহত্যার হার হ্রাসের ক্ষেত্রে যে অগ্রগতি হয়েছে, তা ২০৩০ সালের মধ্যে আত্মহত্যার হার এক-তৃতীয়াংশ কমিয়ে আনার জাতিসংঘের ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা’ (এসডিজি) অর্জনের জন্য যথেষ্ট নয়।
উদ্বেগ ও বিষণ্নতার মতো মানসিক স্বাস্থ্যজনিত সমস্যাগুলো সব দেশ ও সমাজেই অত্যন্ত ব্যাপক এবং এগুলো সব বয়স ও আয়ের মানুষকে প্রভাবিত করে। আমাদের সমাজে মানসিক স্বাস্থ্যকে এখনো একটি বড় ‘ট্যাবু’ বা সামাজিক কুসংস্কার হিসেবে দেখা হয়, যা আক্রান্ত ব্যক্তির সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে তোলে। মানসিক রোগাক্রান্ত ব্যক্তিকে অবহেলা না করে তাদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং সহানুভূতিশীল আচরণ করা তাদের সুস্থতার জন্য ওষুধের মতোই কার্যকর হতে পারে। মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত কোনো বন্ধু, পরিবারের সদস্য বা পরিচিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে, তাদের অনুভূতিকে স্বীকৃতি দিতে হবে, মানসিক অবসাদে ভুগলে মানুষ প্রায়ই নিজেকে সবার থেকে গুটিয়ে নেয়, তাই তারা নিজে থেকে যোগাযোগ না করলেও নিয়মিত তাদের খোঁজ নিতে হবে। মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার সহজ উপায় হলো পর্যাপ্ত ঘুম, সুষম খাদ্য গ্রহণ এবং নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম করা। নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম মন ভালো রাখতে সাহায্য করে। ভালো মানের ঘুম মস্তিষ্ক ও শরীরকে সতেজ ও পুনরুজ্জীবিত করতে সহায়তা করে। মনের ভেতরে কষ্ট, ভয় বা অতিরিক্ত চাপ জমিয়ে না রেখে অনুভূতিগুলো কোনো বিশ্বস্ত বন্ধু, পরিবারের সদস্য বা মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সাথে ভাগ করে নেয়া প্রয়োজন। মানসিক চাপের সৃষ্টি করে এমন পরিস্থিতি থেকে নিজেকে সরিয়ে রেখে এবং প্রয়োজনে ‘না’ বলে নিজের মানসিক শক্তি ও প্রশান্তি বজায় রাখতে হবে। মনে রাখতে হবে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা কোনো দুর্বলতা বা লজ্জার বিষয় নয়; এটি শারীরিক অসুস্থতার মতোই একটি স্বাভাবিক চিকিৎসাযোগ্য বিষয়। 
মানসিক স্বাস্থ্য মানুষের সামগ্রিক সুস্থতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। শারীরিক অসুস্থতার মতো মানসিক চাপ, উদ্বেগ, হতাশা ও বিষণ্নতাকেও গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন। পারিবারিক চাপ, অর্থনৈতিক সংকট, কর্মক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অতিরিক্ত ব্যবহার মানুষের মানসিক চাপ বাড়াতে পারে। মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সামাজিক কুসংস্কার, নেতিবাচক ধারণা, সচেতনতার অভাব ও সংকোচের কারণে অনেকেই প্রয়োজনীয় সহায়তা নিতে চান না। মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তির পাশে দাঁড়ানো, তাঁর কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। সময়মতো চিকিৎসা, প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং পরিবারের সহযোগিতায় অনেক মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা কার্যকরভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব। যদিও অনেক দেশ তাদের মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক নীতিমালা ও কর্মসূচি জোরদার করেছে, তবুও মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের সুরক্ষা ও উন্নয়নের লক্ষ্যে সেবার পরিধি বাড়াতে বিশ্বজুড়ে আরও বেশি বিনিয়োগ ও কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন। মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা সম্পর্কে ভুল ধারণা দূর করতে আমাদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। মানসিক স্বাস্থ্যজনিত সমস্যার কারণে কাউকে অবহেলা করা উচিত নয়। আমাদের উচিত তার কথা শোনা এবং তার সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা। আমাদের মনে রাখতে হবে যে, মানসিক স্বাস্থ্য কেবল চিকিৎসা সেবার বিষয় নয়, বরং এটি একজন মানুষের মর্যাদা, পরিবার, সমাজ এবং দেশের সামগ্রিক কল্যাণের সাথে গভীরভাবে জড়িত।
লেখকঃ গবেষক, কলাম লেখক, সমাজকর্মী এবং একজন সরকারি কর্মচারী।














http://www.comillarkagoj.com/ad/1752266977.jpg
Loading...
Loading...
Follow Us
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩, +৮৮ ০১৭১১ ৯৯৭৯৬৯, +৮৮ ০১৯৭৯ ১৫২৪৪৩, ই মেইল: [email protected]
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০২২