ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে সড়ক বিভাজকের খালি জায়গায় বিভিন্ন প্রজাতির ফুলের গাছের চারা রোপণ করছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ)। মহাসড়কের সৌন্দর্য বৃদ্ধি, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সড়ক নিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মহাসড়কের কুমিল্লার আলেখারচর থেকে সদর দক্ষিণ এলাকা পর্যন্ত বিভাজকে জারুল, সোনালু, কৃষ্ণচূড়া, রাধাচূড়াসহ বিভিন্ন প্রজাতির ফুলের গাছ লাগানো হচ্ছে। কম উচ্চতার এসব গাছ একদিকে যেমন মহাসড়কের সৌন্দর্য বাড়াবে, অন্যদিকে রাতের বেলায় বিপরীত দিক থেকে আসা যানবাহনের হেডলাইটের আলো সরাসরি চালকের চোখে পড়ার ঝুঁকি কমাতেও সহায়ক হবে।
সওজ সূত্রে জানা গেছে, মহাসড়কের বিভাজকের আলেখারচর থেকে সদর দক্ষিণ এলাকা পর্যন্ত খালি অংশে নতুন করে প্রায় ১ হাজার ৬০০টি বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণের করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে মহাসড়কে সবুজায়ন বাড়ানোর পাশাপাশি বিভাজকের খালি জায়গা সুশৃঙ্খল রাখারও প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথ। প্রতিদিন এ মহাসড়ক দিয়ে বিপুলসংখ্যক যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল করে। ফলে মহাসড়কের সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব উদ্যোগের গুরুত্বও রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, চারা রোপণের পাশাপাশি নিয়মিত পরিচর্যা, পানি দেওয়া এবং গাছের সুরক্ষা নিশ্চিত করা গেলে এ উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদে সুফল বয়ে আনবে। তবে মহাসড়কে নিরাপদ যান চলাচল বজায় রাখতে গাছের উচ্চতা ও ডালপালা নিয়ন্ত্রণে রাখাও গুরুত্বপূর্ণ।
এ বিষয়ে সওজ কুমিল্লার উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. আদনান ইবনে হাসান বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার আলেখারচর থেকে সদর দক্ষিণ এলাকা পর্যন্ত সড়ক বিভাজকে বিভিন্ন প্রজাতির ১ হাজার ৬০০টি গাছের চারা রোপণ করা হচ্ছে। এসব চারার যথাযথ পরিচর্যা ও প্রয়োজনীয় সুরক্ষার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।
