
নিজস্ব প্রতিবেদক: শুক্রবার যশোরের গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয় হত্যাকাণ্ডের শিকার স্কুলছাত্রী তাজমিনকে। এ সময় তার মায়ের আত্মচিৎকারে ভারী হয়ে ওঠে চারপাশ। সন্তান হত্যার বিচার চান বাবা।
কাউকে সন্দেহ হয় কিনা বা কেউ ঘটনাটি ঘটিয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে ফরিদা বিদ্যায়তনের নিহত শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিনের পিতা আবদুল আলীম বলেন, আমি খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আমার মেয়েকে সনাক্ত করার পরই পুলিশের তদন্তে জানতে পেরেছি মেয়ের কি হয়েছে। আমার মেয়ের লাশটা আমি পেয়েছি। তবে এর আগে পরে কোন ব্যক্তি আমার মেয়েকে নিয়েছে বা কোন ব্যক্তি ঘটাইছে কাউকে আমি জানিনা। অজ্ঞাত নামা এতটুকু জানি। আমি ন্যায় বিচার চাই। শুধু আমার মেয়ের জন্য নয় রাষ্ট্রের যত মেয়ে আছে তাদের বাবা হিসেবে। আমি ন্যায় বিচার চাই যাতে রাষ্ট্রে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা হয়। সকলের ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
গতকাল শুক্রবার ৯ অক্টোবর যশোরের চুড়ামনকাটির ছাতিয়ানতলার গ্রামের বাড়িতে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান তাজমিনের পিতা আবদুল আলীম।
ফরিদা বিদ্যাতয়নের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমীনের মাতা গতকাল যশোরের চুড়ামনকাটির ছাতিয়ানতলার গ্রামের বাড়িতে সাংবাদিকদের জানান, আমার মেয়েটা আমরা যদি টের পেতাম বাচানোর অনেক চেষ্টা করতাম। অনেক বুজাইছি। সর্বশেষ তাজমীনের সাথে আগের দিন ৪টায়ও কথা হয়েছে। ও যে বান্ধবীর বাসায় গেছে ওকে জিজ্ঞেস করেছি তোর বান্ধবীর নাম কি, বান্ধবীর মায়ের নাম কি, বান্ধবীর বাপের নাম কি আমাকে বল। আমি ঔ বান্ধবীর বাসায় গিয়ে নিয়ে আসি। ওর বান্ধবীরা খুব খারাপ। বান্ধবীরা খুব খারাপ। এজন্য আমি আমার মেয়েকে স্কুলে ছয়মাস পাঠাইনি। যেন আমার মেয়ে আমার সামনে থাকুক। কোনো মা বাবা যেন সন্তান আর না নেয়।
