কুমিল্লার মুরাদনগরে দারোরা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নতুন ভবন নির্মাণকাজে নিম্নমানের ও ত্রুটিপূর্ণ ইট ব্যবহারের বিষয়টি নজরে এসেছে উপজেলা প্রকৌশলীর। সরেজমিন পরিদর্শনে এমন ইট দেখতে পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো নির্মাণকাজ থেকে অপসারণের নির্দেশ দিয়েছেন মুরাদনগর উপজেলা প্রকৌশলী কাজী ফয়সাল বারী পূর্ণ। একই সঙ্গে নির্ধারিত নির্মাণমান বজায় রেখে কাজ সম্পন্ন করতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্টদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
রোববার (৪ অক্টোবর) দারোরা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নতুন ভবন নির্মাণকাজ পরিদর্শনে গিয়ে উপজেলা প্রকৌশলী কাজী ফয়সাল বারী পূর্ণ ভবনে ব্যবহৃত ইট পরীক্ষা করেন। এ সময় কিছু ইট ত্রুটিপূর্ণ ও মানসম্মত নয় বলে তাঁর নজরে আসে। পরে তিনি সংশ্লিষ্টদের ওই ইটগুলো দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন এবং ভবন নির্মাণে নির্ধারিত মান অনুসরণ করার বিষয়ে সতর্ক করেন।
জানা গেছে, দারোরা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নতুন ভবন নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৯৯ লাখ ৯৪ হাজার টাকা। বর্তমানে ভবনটির নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে। সরকারি অর্থে নির্মাণাধীন এ ভবনের কাজের গুণগত মান নিয়ে কোনো ধরনের প্রশ্ন যাতে না ওঠে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা প্রকৌশলী।
উপজেলা প্রকৌশলী কাজী ফয়সাল বারী পূর্ণ বলেন, ভবন নির্মাণকাজে কোনো ত্রুটিপূর্ণ বা নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। পরিদর্শনে ত্রুটিপূর্ণ ইট পাওয়া যাওয়ায় সেগুলো অপসারণের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্মাণকাজ নির্ধারিত মান অনুযায়ী সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, সরকারি অর্থে নির্মাণাধীন ভবনের কাজের মান নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি জরুরি। নির্মাণের শুরুতেই ত্রুটিপূর্ণ উপকরণ শনাক্ত করে অপসারণের নির্দেশ দেওয়ায় ভবিষ্যতে কাজের গুণগত মান আরও নিশ্চিত হবে বলে তাঁরা আশা করছেন।
তবে ভবনটির নির্মাণকাজে ব্যবহৃত সব ধরনের নির্মাণসামগ্রীর মান, প্রকল্পের নকশা ও নির্ধারিত কারিগরি ংঢ়বপরভরপধঃরড়হং অনুযায়ী কাজ হচ্ছে কি না তা নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে নিশ্চিত করাই এখন গুরুত্বপূর্ণ।
