রোববার ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৫ আশ্বিন ১৪৩৩
অপ্রতীমের মৃত্যু, মায়ের অপেক্ষা আর বিচারের প্রশ্ন
তাহনিয়া ইয়াসমিন
প্রকাশ: রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৪৭ এএম |

অপ্রতীমের মৃত্যু, মায়ের অপেক্ষা আর বিচারের প্রশ্ন
রাত হলে হয়তো দরজার দিকে তাকিয়ে থাকেন একজন মা। বাইরে কোনো পায়ের শব্দ হলেই বুকের ভেতরটা কেঁপে ওঠে এই বুঝি অপ্রতীম ফিরল! এই বুঝি দরজা খুলে হাসতে হাসতে বলবে, ‘মা, এত দেরি হলো কেন?’ হয়তো মা একটু রাগ দেখাবেন, বলবেন, ‘কোথায় ছিলি এতক্ষণ?’ তারপর সেই রাগের আড়ালেই লুকিয়ে থাকবে বুকভরা স্বস্তি।
কিন্তু সেই দরজা আর খুলবে না অপ্রতীমের জন্য। উঠোনে আর শোনা যাবে না তার পায়ের শব্দ। ঘরের কোনো এক কোণে পড়ে থাকা তার জামাকাপড়, বই কিংবা প্রিয় কোনো জিনিস এখন থেকে শুধু স্মৃতি হয়ে থাকবে। যে ছেলেটিকে নিয়ে একজন মা ভবিষ্যতের কত স্বপ্ন বুনেছিলেন, সেই ১৩ বছরের ইশায়াত শাহরিয়ার ওরফে অপ্রতীম আর কোনো দিন বাড়ি ফিরবে না।

একটি সন্তানের মৃত্যু যে কী ভয়াবহ শূন্যতা তৈরি করে, তা বাইরে থেকে বোঝা কঠিন। পৃথিবীর সব শব্দ তখন যেন হঠাৎ থেমে যায়, অথচ মায়ের ভেতরে একটি প্রশ্ন বারবার ফিরে আসে ‘আমার ছেলেটার কী হয়েছিল?’ এই প্রশ্নের কোনো সহজ উত্তর নেই। আর তার চেয়েও বড় প্রশ্ন এই মৃত্যুর বিচার কি হবে?
আমরা কি এমন একটি সমাজ চাই, যেখানে কোনো শিশু নিখোঁজ হলে একটি পরিবার আতঙ্কে দিন কাটাবে, আর মৃত্যুর পর শুরু হবে বিচারের অনিশ্চিত অপেক্ষা? আমরা কি এমন একটি রাষ্ট্র চাই, যেখানে একটি মায়ের শেষ প্রশ্নের উত্তর পেতে বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হবে?
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান অপ্রতীম শুক্রবার বিকেলে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে মায়ের আইফোন নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল। কে জানত, সেই বেরিয়ে যাওয়া আর ঘরে ফেরার পথ এক হবে না? এক দিন পর বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয় তার মরদেহ। পুলিশ জানিয়েছে, তার মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল।
একজন মায়ের কাছে এটি শুধু সন্তানের মৃত্যু নয়; এটি তাঁর পরিচিত পৃথিবীর হঠাৎ ভেঙে পড়া। যে সন্তানকে ঘিরে ছিল আগামী দিনের স্বপ্ন, তার জায়গায় এখন কেবল স্মৃতি। আর সেই শোকের পাশে দাঁড়িয়ে আমাদের সামনে ফিরে আসে একটি কঠিন প্রশ্ন, অপ্রতীমের মৃত্যুর সত্য কি জানা যাবে? দায়ী ব্যক্তিরা কি বিচারের মুখোমুখি হবে?

একটি মৃত্যুর পর শুরু হয় আরেক অপেক্ষা
অপ্রতীম নিখোঁজ হওয়ার পর তাঁর মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের ছবি দিয়ে সাহায্য চেয়েছিলেন। পরিবার থানায় সাধারণ ডায়েরি করে। তাঁর সঙ্গে থাকা ফোনের অবস্থান শনাক্তের চেষ্টাও করা হয়। তখন অপেক্ষা ছিল অপ্রতীমকে ফিরে পাওয়ার। হয়তো দরজায় কড়া নাড়বে সে, হয়তো হঠাৎ ফোন করে বলবে, ‘মা, আমি ভালো আছি।’ কিন্তু সেই অপেক্ষার পরিণতি হয়েছে সবচেয়ে নির্মম বাস্তবতায়।
এখন আর অপ্রতীমকে ফিরে পাওয়ার অপেক্ষা নেই। আছে তাঁর মৃত্যুর সত্য জানার অপেক্ষা। একজন মায়ের কাছে এই অপেক্ষাও কম যন্ত্রণার নয়। কারণ সন্তানকে হারানোর শোকের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অসংখ্য প্রশ্ন কী হয়েছিল তাঁর সন্তানের সঙ্গে? কোথায় ঘটেছিল ঘটনাটি? কারা ছিল এর সঙ্গে জড়িত?
অপ্রতীমের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো তদন্তাধীন। পুলিশ ও সংশ্লিষ্টদের প্রাথমিক ধারণায় মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়ার বিষয়টি সামনে এসেছে। তবে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে এটিকে হত্যার নিশ্চিত কারণ বলা যাবে না। কারা অপ্রতীমের সঙ্গে শেষবার যোগাযোগ করেছিল? কোথায় এবং কীভাবে তাঁর মৃত্যু হলো? তাঁর সঙ্গে থাকা ফোন কোথায়? ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ ছিল কি না এসব প্রশ্নের নির্ভরযোগ্য উত্তর প্রয়োজন।
একটি শিশুর মৃত্যুর ক্ষেত্রে কোনো প্রশ্নই ছোট নয়। কারণ একটি উত্তরহীন প্রশ্নও কখনো কখনো একটি পরিবারের জীবনে আজীবন যন্ত্রণা হয়ে থাকতে পারে।

অপরাধের পর মানুষের সবচেয়ে বড় ভয় কী?
অপরাধের ভয় আছে। কিন্তু তার চেয়েও বড় ভয় তৈরি হয়, যখন মানুষ মনে করে অপরাধের পরও বিচার নাও হতে পারে।
একটি হত্যাকাণ্ড শুধু একজন মানুষের জীবন কেড়ে নেয় না; বিচারহীনতা সেই মৃত্যুর অভিঘাতকে আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। তখন একটি পরিবারের শোক ধীরে ধীরে সামাজিক নিরাপত্তাহীনতার প্রশ্নে পরিণত হয়।
একজন বাবা ভাবেন, আমার সন্তান বাইরে গেলে সে কতটা নিরাপদ? একজন মা ভাবেন, সন্তান বিপদে পড়লে রাষ্ট্র ও আইন কি তাকে রক্ষা করতে পারবে? আর সাধারণ মানুষ ভাবেন, অন্যায় হলে আইনের কাছে যাওয়ার পর শেষ পর্যন্ত কী পাওয়া যায়?
রাষ্ট্রের প্রতি মানুষের আস্থা অনেকটাই নির্ভর করে এসব প্রশ্নের উত্তরের ওপর। আইন তখনই মানুষের কাছে অর্থবহ হয়ে ওঠে, যখন মানুষ বিশ্বাস করে অপরাধ যতই গুরুতর হোক, অপরাধী যতই প্রভাবশালী হোক, সত্য অনুসন্ধান হবে এবং ন্যায়বিচারের পথ বন্ধ হবে না।

বিচার মানে শুধু গ্রেপ্তার নয়
কোনো ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করা তদন্তের একটি ধাপ মাত্র। এরপর প্রয়োজন নিরপেক্ষ তদন্ত, যথাযথ প্রমাণ সংগ্রহ, সাক্ষ্য-প্রমাণ যাচাই, ঘটনার পারিপার্শ্বিকতা বিশ্লেষণ এবং আদালতের মাধ্যমে আইন অনুযায়ী বিচার।
অপ্রতীমের পরিবারের জন্য তাই শুধু একজন সন্দেহভাজন আটক হওয়া যথেষ্ট নয়। তাঁরা জানতে চান, তাঁদের সন্তানের সঙ্গে আসলে কী ঘটেছিল। একটি শিশুর মৃত্যুর পেছনে যদি অপরাধ থাকে, সেই অপরাধের প্রতিটি স্তর সামনে আসা প্রয়োজন।
তদন্তের ক্ষেত্রে কোনো তাড়াহুড়ো যেমন কাম্য নয়, তেমনি অযথা দীর্ঘসূত্রতাও কাম্য নয়। দ্রুততার নামে যেন তদন্তের মান ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, আবার দীর্ঘ তদন্তের অজুহাতে যেন সত্য হারিয়ে না যায় এই ভারসাম্য জরুরি।
কারণ একটি মামলার নথিতে অপ্রতীম হয়তো একটি নাম, একটি মামলা নম্বর বা একটি তদন্তের বিষয়। কিন্তু তাঁর মায়ের কাছে তিনি ছিলেন পুরো পৃথিবী।

আমরা ঘটনা মনে রাখি, শেষটা নয়
আমাদের সামাজিক বাস্তবতায় কোনো মর্মান্তিক ঘটনা ঘটলে প্রথম দিকে মানুষের আগ্রহ থাকে তীব্র। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট হয়, প্রতিবাদ হয়, বিচার দাবি ওঠে। সংবাদমাধ্যমেও নিয়মিত খবর আসে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই মনোযোগ কমে যায়।
নতুন ঘটনা পুরোনোটিকে সরিয়ে দেয়। নতুন শিরোনামের নিচে চাপা পড়ে যায় আগের মামলার অগ্রগতি। একসময় মানুষ ভুলে যায়, সেই ঘটনার একটি পরিবার এখনো অপেক্ষা করছে। অথচ ভুক্তভোগীর পরিবারের কাছে সময়ের সঙ্গে ঘটনাটি ছোট হয় না।
অপ্রতীমের মা হয়তো আর কখনো তাঁর ছেলের কণ্ঠ শুনবেন না। হয়তো কোনো সকালে ঘুম থেকে উঠে তাঁর মনে হবে, ছেলে স্কুলে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। কোনো দরজার শব্দে বুক কেঁপে উঠবে। কোনো ছবি চোখে পড়লে মনে হবে, এই তো অপ্রতীম একটু পরেই বুঝি ঘরে ঢুকবে। কিন্তু বাস্তবতা নির্মম।
তিনি নিশ্চয়ই জানতে চাইবেন, তাঁর সন্তান কেন মারা গেল, কার হাতে মারা গেল এবং সেই মৃত্যুর জন্য দায়ী ব্যক্তির কী হলো। এই প্রশ্নগুলোর উত্তর পাওয়া পর্যন্ত একটি পরিবারের কাছে ঘটনা কখনো পুরোনো হতে পারে না।

বিচারহীনতা শুধু অপরাধীকে নয়, সমাজকেও বদলে দেয়
বিচারহীনতার প্রভাব সবচেয়ে গভীরে পড়ে মানুষের মনে। মানুষ যখন বারবার দেখে কোনো অপরাধের তদন্ত দীর্ঘ হয়, বিচার বিলম্বিত হয় কিংবা মামলার খবর সময়ের সঙ্গে হারিয়ে যায়, তখন আইনের প্রতি আস্থায় ফাটল তৈরি হতে পারে। আর সেই জায়গাটিই সবচেয়ে বিপজ্জনক।
কারণ আইন শুধু আদালতের দেয়ালের মধ্যে কার্যকর থাকলেই হয় না; মানুষের বিশ্বাসেও তার উপস্থিতি থাকতে হয়। মানুষকে বিশ্বাস করতে হয় যে অন্যায় করলে তার জবাবদিহি আছে, অপরাধ করলে শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে এবং ভুক্তভোগীর পরিবার একা পড়ে থাকবে না। একজন অপরাধীকে শাস্তি দেওয়া যেমন জরুরি, তেমনি সাধারণ মানুষের মনে এই বিশ্বাস তৈরি করাও জরুরি যে আইনের চোখে কেউ দায়মুক্ত নয়।
বিচার বিলম্বিত হলে শুধু একটি মামলার সময় বাড়ে না; অনেক সময় একটি পরিবারের অপেক্ষাও দীর্ঘ হয়। আর দীর্ঘ অপেক্ষা একসময় হতাশায় পরিণত হতে পারে।

অপ্রতীমের জন্য সবচেয়ে বড় দায়িত্ব
অপ্রতীমকে কোনো রায় ফিরিয়ে দিতে পারবে না। তাঁর মা আর ছেলেকে স্কুলে পাঠাতে পারবেন না, বন্ধুর সঙ্গে ছবি তুলতে দেখতে পারবেন না, তাঁর ভবিষ্যৎ নিয়ে স্বপ্ন দেখতে পারবেন না।

তবু বিচার প্রয়োজন।
কারণ বিচার অপ্রতীমের জীবন ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য নয়; তাঁর মৃত্যুকে অর্থহীন হয়ে যেতে না দেওয়ার জন্য। বিচার প্রয়োজন এই বার্তা দেওয়ার জন্য যে একটি শিশুর জীবনও রাষ্ট্রের কাছে মূল্যবান। একটি পরিবারের কান্নাও রাষ্ট্রের কাছে উপেক্ষণীয় নয়।
এই ঘটনায় দ্রুত, নিরপেক্ষ ও পেশাদার তদন্ত দরকার। প্রকৃত ঘটনা সামনে আসা দরকার। যার বিরুদ্ধে অপরাধের প্রমাণ পাওয়া যাবে, তাঁর বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। একই সঙ্গে তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ার অগ্রগতিও মানুষের সামনে থাকা প্রয়োজন, যাতে সময়ের স্রোতে ঘটনাটি হারিয়ে না যায়।
এখানে সংবাদমাধ্যমেরও দায়িত্ব আছে। শুধু ঘটনার দিন বা মরদেহ উদ্ধারের খবর প্রকাশ করাই যথেষ্ট নয়। মামলার অগ্রগতি কী হলো, তদন্ত কোথায় পৌঁছাল, বিচার কোন পর্যায়ে সেসব প্রশ্নও অনুসরণ করা প্রয়োজন। কারণ কোনো অপরাধের বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে জনমনে সচেতনতা ও গণমাধ্যমের ধারাবাহিক নজরদারি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

শেষ পর্যন্ত প্রশ্নটা অপ্রতীমের নয়, আমাদের
অপ্রতীমের মৃত্যু হয়তো কিছুদিন পর সংবাদপত্রের নতুন খবরের নিচে চাপা পড়ে যাবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর ছবির জায়গা নেবে অন্য কোনো ছবি। মানুষ নতুন কোনো ঘটনা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়বে। কিন্তু একটি মা কি তাঁর সন্তানকে ভুলে যেতে পারবেন? সম্ভবত না।
একটি সন্তানের মৃত্যুর সঙ্গে ক্যালেন্ডারের পাতায় কোনো তারিখ যোগ হয় না; বরং মায়ের জীবনে তৈরি হয় এক দীর্ঘ শূন্যতা। সেই শূন্যতার কোনো শেষ নেই। থাকে শুধু স্মৃতি আর প্রশ্ন। তাই অপ্রতীমের ঘটনা আমাদের সামনে শুধু একটি হত্যাকাণ্ডের প্রশ্ন রাখে না। এটি আমাদের আইন, বিচারব্যবস্থা, তদন্তপ্রক্রিয়া এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার দিকেও তাকাতে বাধ্য করে।
আমরা কি এমন একটি সমাজ চাই, যেখানে কোনো শিশু নিখোঁজ হলে একটি পরিবার আতঙ্কে দিন কাটাবে, আর মৃত্যুর পর শুরু হবে বিচারের অনিশ্চিত অপেক্ষা? আমরা কি এমন একটি রাষ্ট্র চাই, যেখানে একটি মায়ের শেষ প্রশ্নের উত্তর পেতে বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হবে?
অপ্রতীম আর ফিরবে না এ সত্যটি বদলানোর ক্ষমতা কারও নেই। কিন্তু তাঁর মৃত্যুর সত্য উদ্‌ঘাটন করা, দায়ী ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দায়িত্ব আমাদেরই। কারণ বিচার শুধু একজন মৃত মানুষের জন্য নয়। বিচার জীবিত মানুষের নিরাপত্তার জন্যও।
অপ্রতীমের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত হলে হয়তো তাঁর মা সন্তানকে ফিরে পাবেন না। কিন্তু অন্তত এই বিশ্বাসটুকু ফিরে পেতে পারেন এই দেশে তাঁর সন্তানের জীবন পুরোপুরি অর্থহীন হয়ে যায়নি।
আর যদি সেই বিশ্বাসটুকুও হারিয়ে যায়, তাহলে প্রশ্নটি শুধু অপ্রতীমের পরিবারের থাকবে না; প্রশ্নটি আমাদের সবার।
তবে কি বিচারহীনতাই এ দেশের বড় বিচার?
লেখক : গণমাধ্যমকর্মী।












http://www.comillarkagoj.com/ad/1752266977.jpg
Loading...
Loading...
Follow Us
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩, +৮৮ ০১৭১১ ৯৯৭৯৬৯, +৮৮ ০১৯৭৯ ১৫২৪৪৩, ই মেইল: [email protected]
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০২২