নিজস্ব প্রতিবেদক: মুরগীর উৎপাদনে মাঝারি ও ছোট খামারিরা সরকারি হ্যাচারি থেকে প্রতিটি মাত্র ১৫ টাকা দরে সুস্থ বাচ্চা পাবে; যা প্রান্তিক পোল্ট্রি খামারিদের জন্য সবচেয়ে উপকারী ও নিরাপদ পদক্ষেপ বলে জানিয়েছেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াছিন।
তিনি শুক্রবার বিকেলে কুমিল্লা নগরীর চর্থায় সরকারি মুরগি প্রজনন ও উন্নয়ন খামারের আধুনিক হ্যাচারি উদ্বোধন শেষে এ কথা জানান। এসময় কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উদবাতুল বারী আবু, কুমিল্লা সিটি প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু, কুমিল্লা ওয়াসা-র চেয়ারম্যান আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ শাহজামাল খান, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোহাম্মদ শামসুল আলম, সরকারি মুরগি প্রজনন ও উন্নয়ন খামার কুমিল্লার উপপরিচালক চন্দন কুমার পোদ্দার।
এসময় মন্ত্রী আরো বলেন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রান্তিক মুরগি খামারীরা সাধারণত সুস্থ মা মুরগি থেকে সুস্থ ডিম পায়না। কিন্তু কুমিল্লায় এই হ্যাচারি স্থাপনের মাধ্যমে কুমিল্লার খামারিরা এখন সুস্থ মুরগির বাচ্চা পাবে। আগেই এই বাচ্চা চট্টগ্রাম থেকে এনে কুমিল্লার খামারিরা লালন পালন করতো। যা ব্যয় সাপেক্ষ ছিলো। এখন প্রান্তিক খামারিদের খরচ অনেক কমে আসবে।
পরে মন্ত্রী নতুন স্থাপিত হ্যাচারটি এটি ঘুরে দেখেন। তিনি জানান, এটি ব্যাপক প্রচারের মাধ্যমে যেন মাঝারি ও ছোট খামারীরা এখান থেকে ডিম সংগ্রহ করতে পারে সে ব্যবস্থা করার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
সরকারি মুরগি প্রজনন ও উন্নয়ন খামার কুমিল্লার উপ-পরিচালক চন্দন কুমার পোদ্দার জানান, বর্তমানে হ্যাচারিতে ১ লাখ ডিম রাখার ধারণ ক্ষমতা রয়েছে। এইসব ডিম থেকে প্রতি সপ্তাহে সাড়ে ২১ হাজার মুরগির বাচ্চা সরবরাহ সম্ভব। সারা বছরজুড়ে মাত্র ১৫ টাকা ধরে এই হ্যাচারি থেকে মুরগির বাচ্চা পাওয়া গেলে যাবে, শীতকালের তিন মাস মাত্র ১২ টাকা দিয়ে মুরগির বাচ্চা পাওয়া যাবে। আগে ফাওমি ও সোনালী জাতের এসব বাচ্চা আনতে ১ মাসের বাচ্চার জন্য ৮০ টাকা ও দেড় মাসের ১০০ টাকা ব্যয় করতে হত।
