
কুমিল্লার
ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশের টানা পৃথক অভিযানে মাদক বিক্রেতা, বিশেষ ক্ষমতা
আইন ও চুরি মামলার পলাতক আসামি, এজাহারভুক্ত ও পরোয়ানাভুক্ত আসামিসহ মোট
১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে সার্চ ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে ১১ মাস
বয়সী এক শিশু ভিকটিমকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতের
মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ জুলাই
থেকে ২ আগস্ট পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে একজন মাদক বিক্রেতা, বিশেষ ক্ষমতা
আইনের এক পলাতক আসামি, দুটি চুরি মামলার দুই পলাতক আসামি, এজাহারভুক্ত দুই
আসামি, বিভিন্ন মামলার ছয়জন জিআর ও সিআর পরোয়ানাভুক্ত/সাজাপ্রাপ্ত আসামি
এবং মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানে এসআই ডিএমএ
মজিদ বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলার পলাতক আসামি মো. হেদায়েত উল্লাহ (৩২) এবং
এজাহারভুক্ত আসামি মো. শাহিন মিয়া (৩২)কে গ্রেপ্তার করেন। এসআই মো. আল-আমিন
চুরি মামলার আসামি মো. মনির হোসেন (২৫) ও মো. আলমগীর হোসেন (৩৮)কে পৃথক
অভিযানে গ্রেপ্তার করেন। এছাড়া জিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি মো. আবদুল
মোতালেবকেও গ্রেপ্তার করেন। এএসআই মো. নুর আল-আহসান একই ব্যক্তির নামে থাকা
দুটি জিআর পরোয়ানার আসামি মো. খলিল মিয়াকে গ্রেপ্তার করেন। এএসআই মো.
নাছির উদ্দিন পৃথক অভিযানে জিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি রাশেদ খান এবং সিআর
পরোয়ানাভুক্ত আসামি মো. মহসীন সরকারকে গ্রেপ্তার করেন। অপরদিকে এএসআই মো.
সাইফুল আলম সিদ্দিকী সিআর সাজা পরোয়ানাভুক্ত আসামি মো. আবুল হাসানকে আটক
করেন। এ ছাড়া দুটি পৃথক মোবাইল কোর্টে মাদক সেবনের দায়ে মো. আজমির হোসেন,
মো. মাহিন, মো. সোহেল ও নুর মোহাম্মদকে বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড ও
অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। এর মধ্যে আজমির হোসেনকে ১০ দিনের সশ্রম কারাদণ্ড,
মাহিনকে তিন দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং সোহেল ও নুর মোহাম্মদকে ১০ দিনের
বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আদালত তাদের প্রত্যেককে অর্থদণ্ডও প্রদান
করেন। অন্যদিকে, এসআই রুপম কুমার সরকার সঙ্গীয় ফোর্সের সহায়তায় সার্চ
ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে উপজেলার দুলালপুর গ্রামের ১১ মাস বয়সী শিশু ভিকটিম
ইলমা আক্তারকে উদ্ধার করেন। ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া
সকল আসামিকে যথাসময়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া শিশু ভিকটিমকে
আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে অভিভাবকের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
