
কুমিল্লার
চান্দিনায় একটি খাল দখল ও ভরাটের ফলে বিপাকে পড়েছে কৃষকরা। ওই খালে পানি
নিস্কাশন না হওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতে তলিয়ে যাচ্ছে কৃষকদের সৃজিত ফসল।
বর্তমান সরকার খাল খনন কর্মসূচীর আওতায় ওই খালটি দখলমুক্ত করে খননের দাবী
জানান কৃষক ও স্থানীয়রা।
চান্দিনা পৌরসভার প্রাণ কেন্দ্রে রারিরচর
এলাকার ওই খালটি দীর্ঘদিন যাবৎ স্থানীয়দের দখল ও ভরাটের কবলে। রারিরচর
এলাকার ওই খালটি ছায়কোট হয়ে হারং পর্যন্ত বয়ে যাওয়া তার উভয় পাশে রয়েছে
সহস্রাধিক কৃষকের স্বপ্ন। খালের পানি সেচ করে যেমন একদিকে জমিতে পানি দেয়
অপর দিকে বর্ষা মৌসুমে পানি নিস্কাশন করে জমির পানি খালে নামায়। রারিরচর
পৌর পানি শোধনাগাঢ় এলাকায় খালটির দুই পাশে কেউ দেয়ায় তুলে কেউবা ভরাট করে
দখলে নিয়েছে। আবার কেউবা বাড়ি-ঘর নির্মাণ কৃষি জমির পানি বড় খালে গিয়ে পড়তে
পারছে না।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুর জলিল জানান- ছায়কোট এলাকার বিশাল
ফসলী মাঠের সাথে থাকা খালটির পানি রারিরচর হয়ে চান্দিনা সাহাপাড়া এলাকা বড়
খালে গিয়ে পড়তো। কয়েক বছর যাবৎ রারিরচর এলাকায় খালটি দখল ও ভরাট হয়ে যাওয়ায়
ওই পানি উত্তর দিকে অর্থাৎ সাহাপাড়া খালে যেতে পারছে না।
একাধিক কৃষক
জানান- বৃষ্টি হলেই খাল পানিতে পূর্ণ হয়ে উপচে গিয়ে ফসলি মাঠ তলিয়ে
আর্থিকভাবে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। ফসল বাঁচাতে কৃষকরা জমির চারিদিকে
বাঁধ নির্মাণ করে সেলু মেশিন দিয়ে পানি নিষ্কাশনের ফসল রক্ষার চেষ্টা করেও
অনেক সময় ব্যর্থ হচ্ছেন।
রারিরচর গ্রামের রমিজ মিয়া, আক্কাছ আলী সহ
অনেকেই জানান- এ খালটি দখল ও ভরাট হয়ে যাওয়ার কারণে এলাকার সবাই
ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। সবার দাবী ও প্রত্যাশা দ্রুত খালটি পূন:খনন ও দখল মুক্ত
করা হোক।
এব্যাপারে জানতে উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি ) কে এম
ইন্জারুল হক জানান, আমি নতুন এসেছি, বিষয়টি জানলাম, আমি ইউএনও স্যারের সাথে
আলোচনা এবং পরিদর্শন করে কী করা যায় দেখে ব্যবস্থা নিব।
