
নিলামে সবার আগে উঠল শেখ মেহেদি হাসানের নাম। টেবিলের লড়াই বেশ জমে উঠল তাকে নিয়ে। পরে অবশ্য তাকে ছাড়িয়ে গেলেন আরও কয়েকজন। সবচেয়ে বেশি কাড়াকাড়ি হলো শরিফুল ইসলামকে নিয়ে। তাসকিন আহমেদ ও তানজিদ হাসানকে দলে পেতেও লড়াই হলো তুমুল। দিনজুড়ে নিলাম শেষে চূড়ান্ত হলো ডি থ্রি ট্রফির ছয়টি দলের স্কোয়াড।
তিন সংস্করণ মিলিয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটে বিসিবির নতুন আয়োজন এই ডি থ্রি ট্রফির প্রথম আসরের নিলাম হয়ে গেল সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে। প্রতিটি দল আগেই চূড়ান্ত করেছিল আইকন ক্রিকেটার। নিলাম থেকে নিয়েছে তারা ২২ জন করে ক্রিকেটার।
এই ২৩ জনের স্কোয়াড থেকেই তিন সংস্করণের স্কোয়াড সাজাতে হবে প্রতিটি দল। প্রতিটি সংস্করণের আসরের আগে বেছে নেওয়া হবে ১৫ সদস্যের স্কোয়াড। বিশেষ পরিস্থিতিতে অবশ্য বিসিবির কাছে আবেদন করে এই ২৩ জনের বাইরে ক্রিকেটার নিতে পারবে দলগুলি।
এই টুর্নামেন্ট যেমন নতুন, তেমনি এটির নিলাম প্রক্রিয়াও ছিল অভিনব। টেবিলের খেলায় এখানে টাকার লড়াই ছিল না, বরং ছিল পয়েন্টের সমীকরণ। ক্রিকেটারদের মূল্য এখানে ‘অকশন পয়েন্ট।’ পাঁচটি ক্যাটেগরিতে ভাগ করা হয় ক্রিকেটারদের, প্রতিটি ক্যাটেগরিতে ছিল নির্দিষ্ট ভিত্তি পয়েন্ট। সেই পয়েন্টের ওপরই হয়েছে নিলাম। ‘এ’ ক্যাটেগরির ভিত্তি পয়েন্ট ৪০ লাখ, ‘বি’ ক্যাটেগরিতে ৩০ লাখ, ‘সি’ ক্যাটেগরিতে ২০ লাখ, ‘ডি’ ক্যাটেগরিতে ১০ লাখ ও ‘ই’ ক্যাটেগরিতে ৫ লাখ পয়েন্ট।
প্রতিটি দলের খরচের সর্বোচ্চ সীমা ছিল ১০ কোটি পয়েন্ট। ২ কোটি ৩০ লাখ পয়েন্টে দল পেয়ে নিলামের সবচেয়ে দামি ক্রিকেটার বাঁহাতি পেসার শরিফুল ইসলাম। আরেক পেসার তাসকিন আহমেদকে নিতে খরচ হয়েছে ২ কোটি ১০ লাখ পয়েন্ট, ব্যাটসম্যান তানজিদ হাসানের জন্য লেগেছে ২ কোটি পয়েন্ট। অলরাউন্ডার সাইফ হাসান ও পেসার হাসান মাহমুদ দল পেয়েছেন ১ কোটি ৯৫ লাখ পয়েন্টে।
নিলামে নাম ছিল ২৭৫ ক্রিকেটারের, দল পেয়েছেন ১৩২ জন। উল্লেখযোগ্যদের মধ্যে দল পাননি প্রিতম কুমার, নাসির হোসেন, সোহাগ গাজী, আশিকুর রহমান শিবলি, আলাউদ্দিন বাবু ও সালাউদ্দিন সাকিল।
