শনিবার ● ২৪ অক্টোবর ২০২৬
৮ কার্তিক ১৪৩৩
কুমিল্লা জেলা স্কুলের সাবেক শিক্ষিকা মুহসিনা আক্তার আর নেই 
প্রকাশ: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০০ এএম আপডেট: ২৪.১০.২০২৬ ১:১৮ এএম |

কুমিল্লা জেলা স্কুলের সাবেক শিক্ষিকা মুহসিনা আক্তার আর নেই নিজস্ব প্রতিবেদক: ফেরার দেশে চলে গেছেন কুমিল্লা জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষিকা মুহসিনা আক্তার। গতকাল শুক্রবার রাতে নগরীর গ্রামবাগিচা এলাকায় এক আত্মীয়ের বাসায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। শনিবার সকাল সাড়ে ৯ টায় কুমিল্লা জিলা স্কুল মাঠে মরহুমার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। শনিবার বাদ আসর মুরাদ নগরের শ্রীকাইল এর চন্দনাইল তাঁর গ্রামের বাড়িতে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। 
কুমিল্লা জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুল হাফিজ জানান, সর্বশেষ তিনি কুমিল্লা জিলা স্কুল থেকেই অবসর গ্রহন করেন। তিনি শিক্ষার্থীদের ইংরেজি পড়াতেন। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে অবসর গ্রহন করেন। তার স্বামী মোঃ জামাল হোসেন সাবেক সমাজ সেবা কর্মকর্তা। 
মুহসিনা আক্তারের গ্রামের বাড়ি মুরাদনগর উপজেলার শ্রীকাইল ইউপির চন্দনাইল এলাকায়। চাকরি সূত্রে তিনি কুমিল্লা শহরে বসবাস করতেন। 
কুমিল্লা জিলা স্কুলের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা তাদের প্রিয় এই শিক্ষকের জন্য দোয়া কামনা করেছেন।








বিজিবি ও পুলিশের 
পৃথক অভিযান, 
ব্রাহ্মণপাড়ায়
গ্রেফতার ৯
কুমিল্লা জেলা স্কুলের সাবেক শিক্ষিকা মুহসিনা আক্তার আর নেই ইসমাইল নয়ন।। 
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় পুলিশ ও বিজিবির পৃথক পৃথক অভিযানে ৪ কেজি ১০০ গ্রাম গাঁজা, ৪ বস্তা ভারতীয় চাল উদ্ধারসহ ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এতে জিআর ও সিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি, চুরির মামলার আসামি এবং মাদক সেবনের অপরাধে সামারি ট্রায়ালের আসামিরা রয়েছেন।
পুলিশ সূত্র জানায়, ২২ ও ২৩ অক্টোবর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে এসব অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানের বিবরণে জানা যায়, গত ২২ অক্টোবর শশীদল ইউনিয়নের মল্লিকারদিঘী এলাকায় সীমান্ত পিলার ২০৫৮ এর কাছে বিজিবি অভিযান চালিয়ে নরসিংদী সদরের দড়িগাজীর গাঁও এলাকার মোঃ শাকিলকে (২৭) ৪ কেজি ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে। একই দিনে শশীদল রেলস্টেশন সংলগ্ন জামাল মার্কেটের সামনে পাকা রাস্তার ওপর থেকে পুলিশ ৪ বস্তা পরিত্যক্ত ভারতীয় চাল উদ্ধার করে।
এদিকে ২৩ অক্টোবর ব্রাহ্মণপাড়া থানার এসআই রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে চুরির মামলায় জড়িত সন্দেহে মাধবপুর ইউনিয়নের মনগোছ এলাকার মোঃ মোস্তফা (৩১) ও ষাইটশালা এলাকার আবুল কাশেমকে (২৫) গ্রেফতার করা হয়।
পৃথক অভিযানে সিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি জান্নাতুল ফেরদাউস ও জিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি মোঃ আনোয়ার হোসেনকে (৩২) গ্রেফতার করে পুলিশ।
এ ছাড়া ২৩ অক্টোবর মাদক সেবনের অপরাধে শশীদলের শাকিল মিয়া (৩০), রানীগাছের রবিউল চৌধুরী (২৪), তিতাসের কদমতলীর মোঃ হাসান (৪৭) এবং বাড়ানী এলাকার মোঃ খলিলুর রহমানকে (৩০) সামারি ট্রায়ালের জন্য বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ব্রাহ্মণপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ ফারুক হোসেন জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীদের আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।




ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক
চালকের ছদ্মবেশে সিএনজি
অটোরিকশায় ছিনতাই 
আতঙ্ক, টার্গেট নারীরা
কুমিল্লা জেলা স্কুলের সাবেক শিক্ষিকা মুহসিনা আক্তার আর নেই চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি : ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম এলাকায় একের পর এক ছিনতাইয়ের ঘটনায় বাড়ছে আতঙ্ক। সাম্প্রতিক সময়ে সিএনজি অটোরিকশা ও মিশুক চালকের ছদ্মবেশে ছিনতাইয়ে টার্গেট করা হচ্ছে নারীদের। দিন দুপুরে ছিনতাইয়ের ঘটনায় আতঙ্ক বেড়েছে মহাসড়কে চলাচলকারী নারী যাত্রী ও জনসাধারণের মাঝে। 
জানা গেছে, দৈনন্দিন কাজে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যাতায়াত করেন। স্বল্প দূরত্বে যাতায়াতের অন্যতম ও সহজ মাধ্যম সিএনজি অটোরিকশা ও মিশুক। চালক বেশে যাত্রী উঠিয়ে নির্জন স্থান এলাকায় পৌঁছলে এই চালকরাই হয়ে উঠছেন ছিনতাইকারী। কিছু কিছু ঘটনায় চালকের সাথে সহযোগী থাকার কথা জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
গত ১৮ অক্টোবর রবিবার দুপুরে মিশুক নিয়ে রোগী দেখতে ট্রেনিং সেন্টার থেকে হাড়িসর্দার এলাকায় যাচ্ছিলেন চৌদ্দগ্রাম ডায়াবেটিক হাসপাতালের চিকিৎসক ডা: জিনিয়া জামান। পথিমধ্যে মহাসড়কের অফ-বিট হোটেলের সামনে পেছন থেকে আসা সিএনজি অটোরিকশা থেকে হাতে থাকা ব্যাগ টান দিয়ে নিয়ে যায়। এতে অন্তঃসত্ত্বা ওই চিকিৎসক পড়ে আহত হন।
গত ৭ সেপ্টেম্বর বিকেলে ছিনতাইয়ের শিকার হন হাছিনা বেগম (৩৮) নামের অপর এক নারী। মহাসড়কের ফেনীর মোহাম্মদ আলী থেকে পার্শ্ববর্তী পদুয়া বাজারের উদ্দেশ্যে সিএনজি অটোরিকশায় উঠেন তিনি। সিএনজিতে থাকা চালক ও যাত্রীবেশে ছিনতাইকারী চক্র তাকে অজ্ঞান করে মহাসড়কের ফালগুনকরা দিঘী ও মাজারের মাঝামাঝি একটি নির্জন স্থানে মারধর করে তার দুইটি কানের দুল, মোবাইল ও নগদ টাকা নিয়ে যায়। ওই নারীর চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে চৌদ্দগ্রাম সরকারি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যায়। 
পরদিন ৮ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার রাতে মহাসড়কের চৌদ্দগ্রামের চিওড়া রাস্তার মাথা থেকে সিএনজি অটোরিকশা যোগে বাড়ি ফিরছিলেন আবদুল আলিম ফরায়েজী নামে এক ব্যবসায়ী। এসময় সিএনজিতে থাকা চালকসহ দুর্বৃত্তরা আবদুল আলিম ফরায়েজীকে কুপিয়ে জখম করে সাথে থাকা নগদ টাকা লুটে নেয় এবং সিএনজি অটোরিকশা তাকে থেকে ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায় ছিনতাইকারীরা।
এর দুইদিন পর ১০ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার ছিনতাইয়ের শিকার হন উপজেলার আঞ্জুমান আরা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ফাহিমা আক্তার। তিনি জগন্নাথদিঘী এলাকার তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্যে মহাসড়কের পদুয়া রাস্তার মাথা থেকে সিএনজি অটোরিকশায় ওঠেন। অটোরিকশায় থাকা চক্র আঞ্জুমানআরা বিদ্যালয়ের সামনে না নামিয়ে তাকে মারধর করে তার সাথে থাকা মোবাইল ও স্বর্ণালংকার ছিনতাই করে চিওড়া এলাকায় ফেলে যায়। 
গত ১৯ সেপ্টেম্বর বিকেলে মুরাদনগর থানার সুমন্ডা গ্রামের মো. আলাউদ্দিন কুমিল্লা পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড থেকে যাত্রী হয়ে মাইক্রোতে ওঠেন। এ সময় মাইক্রোতে থাকা ছিনতাইকারী চক্র রাত আনুমানিক ১০টার দিকে তাকে আহত করে সবকিছু নিয়ে চৌদ্দগ্রামের জগন্নাথদিঘী ইউনিয়নের কাঁঠাল গাছতলায় ফেলে যায়।
একই মাসের ২৭ সেপ্টেম্বর রোববার রাত আনুমানিক ১১টার সময় ছিনতাইয়ের শিকার হন চৌদ্দগ্রাম বাজার সংলগ্ন আজমির হোটেলের মালিক পারভেজ এর পরিবার। পারভেজের বাবা নজির আহাম্মদ বলেন, ছেলে, ছেলের বউ, ভাতিজি ঐদিন বিসিক শিল্পনগরী সংলগ্ন আত্মীয়ের বাড়ি থেকে দাওয়াত খেয়ে বের হন। এসময় মহাসড়কের পাশ দিয়ে হেঁটে বাড়ি যাওয়ার পথে অটোরিকশাতে থাকা একটি চক্র চলন্ত অবস্থায় টান দিয়ে হাতব্যাগ নিয়ে যায়। এসময় তাৎক্ষণিক দৌড়িয়েও আর অটোরিকশাটি ধরতে পারেনি। 
মিয়াবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নিরঞ্জন কুমার বলেন, 'মহাসড়কে আমাদের টহল জোরদার করা হয়েছে, হাইওয়ে পুলিশ তৎপর রয়েছে এবং অভিযান অব্যাহত আছে। মহাসড়কে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষার্থে টহল টিমকে আরো সক্রিয় করা হয়েছে। 
চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো: আরিফ হোসাইন এসব ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে জানিয়ে বলেন, 'প্রায়ই কিছু কিছু সিএনজি অটোরিকশার মধ্যে লোক বসে থাকে এবং পথের মধ্যে যাত্রী উঠিয়ে ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে। আমরা এসব অবৈধ সিএনজি অটোরিকশা ও চালক যারা এসব কাজে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে প্রায়ই অভিযান করি এবং অভিযান অব্যাহত থাকবে।





লালমাইয়ে নবজাতক
রেখে মা উধাও
শিশুটিকে 
পাঠানো হলো 
সেফ হোমে
কুমিল্লা জেলা স্কুলের সাবেক শিক্ষিকা মুহসিনা আক্তার আর নেই প্রদীপ মজুমদার :
কুমিল্লার লালমাই উপজেলায় জন্মের পর সদ্যজাত কন্যাসন্তানকে এক বৃদ্ধার জিম্মায় রেখে চলে গেছেন এক নারী। বাগমারা রেললাইনের পূর্ব পাশের একটি ঘরে এ ঘটনা ঘটে। পরে শিশুটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে তাকে চট্টগ্রামের সরকারি শিশু সেফ হোম ও আশ্রয়কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।
জানা গেছে, মুন্নি বেগম নামে ওই নারী তাঁর নবজাতক কন্যাসন্তানকে ছফুরা বেগম নামের এক বৃদ্ধার কাছে রেখে চলে যান। শিশুটির নিরাপত্তা ও জীবন রক্ষার কথা বিবেচনা করে বৃদ্ধা তাকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। তাঁর বাড়ি লালমাই উপজেলার বেলঘর দক্ষিণ ইউনিয়নের জালগাঁও গ্রামে।
বিষয়টি জানাজানি হলে নবজাতককে দেখতে স্থানীয় লোকজন ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ওই বাড়িতে ভিড় করেন। পরে বেলঘর দক্ষিণ ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান শাহ আলম বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানান।
এদিকে, শিশুটিকে নিজের কাছে রাখলেও আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে তার ভরণপোষণ ও লালন-পালন করা সম্ভব নয় বলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) জানান ছফুরা বেগম। খবর পেয়ে ইউএনও সুব্রত বিশ্বাস দাস শিশুটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেন। তিনি উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়কে শিশুটির সার্বিক দেখভাল ও সুরক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
সমাজসেবা কার্যালয়ের পরামর্শে এবং আইনগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে ছফুরা বেগম লালমাই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
ঘটনার পর চার দিন পার হলেও শিশুটির প্রকৃত অভিভাবকের সন্ধান না পাওয়ায় উপজেলা প্রশাসন পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করে। ইউএনও সুব্রত বিশ্বাস দাসের উদ্যোগে ও প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে নবজাতকটিকে চট্টগ্রামের সরকারি শিশু সেফ হোম ও আশ্রয়কেন্দ্রে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে লালমাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুব্রত বিশ্বাস দাস বলেন, “ঘটনাটি জানার পরপরই আমরা শিশুটির সার্বিক নিরাপত্তা ও চিকিৎসাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছি। যেহেতু শিশুটির কোনো আইনি অভিভাবক বা পরিচয় পাওয়া যায়নি, তাই প্রচলিত শিশু আইন মেনে তাকে সরকারি নিরাপদ হেফাজতে (সেফ হোম) পাঠানো হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা কার্যালয় যৌথভাবে শিশুটির সর্বোচ্চ সুরক্ষা নিশ্চিত করেছে।
শিশুটির নিরাপদ আশ্রয় নিশ্চিত হলেও তার জন্মদাত্রী মা ও প্রকৃত অভিভাবকের পরিচয় নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।
















http://www.comillarkagoj.com/ad/1752266977.jpg
Loading...
Loading...
Follow Us
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩, +৮৮ ০১৭১১ ৯৯৭৯৬৯, +৮৮ ০১৯৭৯ ১৫২৪৪৩, ই মেইল: [email protected]
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০২২