প্রকাশ: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০০ এএম আপডেট: ২৩.১০.২০২৬ ১:৪৯ এএম |

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে আধুনিক কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলেছেন তরুণ উদ্যোক্তা রাশেদ। প্রায় ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে গ্রিন হাউস নির্মাণ করে আধুনিক প্রযুক্তিতে সারা বছর সবজি ও ফল উৎপাদনের উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি।
উদ্যোক্তা রাশেদ বুড়িচং উপজেলার বাকশিমুল ইউনিয়নের আজ্ঞাপুর উত্তরপাড়া গ্রামের আবদুল মতিনের ছেলে। প্রচলিত কৃষিপদ্ধতির বাইরে গিয়ে আগাম সবজি ফলাতে বিএডিসির মাধ্যমে প্রযুক্তিনির্ভর কৃষিকে এগিয়ে নিতেই তার এ উদ্যোগ।
জানা গেছে, গ্রিন হাউসের ভেতরে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে চারপাশে স্থাপন করা হয়েছে একাধিক ফ্যান। এসব ফ্যান সচল রাখতে স্থাপন করা হয়েছে বড় আকারের সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা। ফলে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে সারা বছর ফসল উৎপাদন করা সম্ভব হবে।
এই গ্রিন হাউস কলমিশাক, পুঁইশাক, ধনেপাতা, পালংশাক, বরবটি, আঙুর ও তরমুজসহ বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি ও ফল চাষের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে বুড়িচং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আফরিন জানান, সরকারের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় গ্রিন হাউসের মাধ্যমে সবজি উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তরুণ উদ্যোক্তা রাশেদের এগিয়ে আসা অত্যন্ত ইতিবাচক। পরিকল্পনা অনুযায়ী উৎপাদন সফল হলে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও কৃষিপণ্য রপ্তানির সম্ভাবনা তৈরি হবে।
রাশেদ বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিরাপদ ও বিষমুক্ত সবজি ও ফল উৎপাদন করাই তার মূল লক্ষ্য।
কৃষি অফিস বলছে, কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তি ও সৌরবিদ্যুতের এ ব্যবহার সফল হলে বুড়িচংসহ পুরো কুমিল্লার কৃষিতে নতুন দিগন্তের সূচনা হবে। বিএডিসি কর্মকর্তা ইছাক মজুমদার বলেন সরকারের প্রকল্পের মধ্যে গ্রীন হাউসের প্রকল্প, কুমিল্লা জেলার মধ্যে দুটি বুড়িচং উপজেলার মধ্যে এসেছে এর মধ্যে একটি কুরপাই অপরটি বাকশিমুল ইউনিয়নের পাল্টি রাজাপুর, আগাম সবজি ফলাতে গ্রীন হাউসের বিকল্প নেই। এবিষয়ে লিল মিয়া জানান এরকম একটা গ্রীণ হাউজ এলাকায় তৈরি হয়েছে এতে আমাদের জন্য একটি সুখবর, আমরা চাই এরকরম আরো বেশি বেশি করে তৈরি হোক।আমি নিজেই মুলা লাউয়ের বীজ রোপন করেছি।