
দেশের অন্যতম শীর্ষ ক্রীড়া সংগঠন বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন। এশিয়ান গেমস থেকে ফেরার পর পদক প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি নিয়ে যখন আলোচনা-সমালোচনা ক্রীড়াঙ্গনে, তখন অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তারা একে একে পদত্যাগ করছেন। গতকাল তিন জন পদত্যাগের পর আজও তিন জন পদত্যাগ করেছেন।
বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব জোবায়েদুর রহমান রানা বলেন, ‘হ্যান্ডবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আহমেদ ও রোইং ফেডারেশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাকসুদ আলমের পদত্যাগের চিঠি আজ আমি পেয়েছি।’ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের এই দুই নির্বাহী সদস্যের পাশাপাশি আজ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এমএ কুদ্দুস খান অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের উপ-মহাসচিব থেকে পদত্যাগ করেছেন বলে জানা গেছে। এখন পর্যন্ত চার জন সদস্য, এক সহ-সভাপতি ও এক উপ-মহাসচিব পদত্যাগ করেছেন। সবাই ব্যক্তিগত কারণই উল্লেখ করছেন পদত্যাগপত্রে।
বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী কমিটি ৩৭ জনের। এর মধ্যে ৬ জন ইতোমধ্যে পদত্যাগ করেছেন। ক্রীড়াঙ্গনে গুঞ্জন আছে আগামীকাল আরও কয়েকজন ইস্তফা দিতে পারেন। অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের এই সংকট সম্পর্কে মহাসচিব জোবায়েদুর রহমান রানা বলেন, ‘পদত্যাগ করা সবার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত ও অধিকার। যারা পদত্যাগপত্র দিয়েছেন এটি আমরা নির্বাহী কমিটির সভায় উপস্থাপন করব। এই মাসে একটি নির্বাহী কমিটির সভা হতে পারে। সেই সভায় পরবর্তী পদক্ষেপ বা কর্মকান্ড নির্ধারণ হবে।’
আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার আমলে ক্রিকেট বোর্ডে নির্বাচন হয়েছিল। সেই নির্বাচন হওয়ার কয়েক মাস পর বিসিবির একাধিক পরিচালক পদত্যাগ করেছিলেন। জাতীয় নির্বাচনের পর এক পর্যায়ে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ বিসিবির নির্বাচিত কমিটি ভেঙে অ্যাডহক কমিটি গঠন করে। বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির নির্দেশনা অনুসরণ করে পরিচালিত হয়। সরকারি কোনো হস্তক্ষেপ প্রমাণ হলে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি থেকে নিষেধাজ্ঞার শঙ্কা রয়েছে।
