নিজস্ব প্রতিবেদক: জ্ঞান বাড়াও, সমাজ গড়ো এই শ্লোগানকে সামনে রেখে আবদুস সামাদ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে কুমিল্লা সদর উপজেলার অরণ্যপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরন বিতরণও ক্রিড়া সামগ্রী বিতরন অনুষ্ঠান গত ৮ অক্টোম্বর বৃহস্পতিবার স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হয়।
আবদুস সামাদ ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও কুমিল্লা আইডিয়াল কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ মহিউদ্দিন লিটনএর সভাপতিত্বে
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সুশাসনের জন্য নাগরিক কুমিল্লার সভাপতি ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক শিক্ষানুরাগী আলহাজ¦ শাহ মো. আলমগীর খান, বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক আবুল বাসার খান, অরণ্যপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি শরিফ উদ্দিন আহম্মেদ, আবদুস সামাদ ফাউন্ডেশনের সাধারন সম্পাদক ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক মো: আবদুস সামাদ।
আবদুস সামাদ ফাউন্ডেশনের কোষাধ্যক্ষ ও কুমিল্লা বিশ^বিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী কাজী মহিবুর রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অরণ্যপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসাম্মৎ কামরুনাহার।
শাহ মো. আলমগীর খান বলেন, শিক্ষা সামগ্রী উপহার দেওয়া মানে হলো একজন ব্যক্তিকে নতুন কিছু শেখার সুযোগ করে দেওয়া। শিক্ষা মানুষকে আলোকিত করতে পারে, তার চিন্তাভাবনায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে।
মো: মহিউদ্দিন লিটন বলেন, নিজেকে পরিবর্তন করার জন্য সু-শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। মাতৃভূমি ও মাতৃভাষার প্রতি ভালোবাসা জাগ্রত হয় এমন শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। স্মার্ট বাংলাদেশের স্মার্ট নাগরিক হওয়ার জন্য এখনি প্রস্তুতি নেওয়ার সময়। ভালো ফলাফলের পাশাপাশি ভালো মানুষ হতে হবে
বিশিষ্ট সমাজ সেবক মো: আবদুস সামাদ বলেন, শিক্ষা মানুষকে ভালো- মন্দের পার্থক্য করতে শেখায়। মানুষকে প্রকৃত মানুষ হতে শেখায়। তোমরা ও উচ্চশিক্ষিত হয়ে দেশ ও সমাজের মঙ্গলে কাজ করবে। তোমাদের পাশে আবদুস সামাদ ফাউন্ডেশন আগামী দিনে থাকবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সমাজ সেবক শরিফ হোসেন, রাসেল সরকার, শফিউল বাসার খান, আবদুল কাদের বাবুল, ।ালমগীর হোসেন, মো. রনি হোসেন, মো. রবিউল আবদুস সামাদ ফাউন্ডেশনের সদস্য ইব্রাহিম হাসান, আজিজুল ইসলাম, আবদুল কাদের জিলানী, অরণ্যপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষক মোসাম্মঃ নাজমিন আক্তার, সুলতানা ফরিদা তাজমিন, মো. মাইনুল রশিদ,ফাহিমা ফারহানাসহ সকল শিক্ষার্থীরা।
আলোচনা সভা শেষে সকল শিক্ষার্থীর মাঝে স্কুল ব্যাগ, পেন্সিল, খাতাও কলম, জ্যামিতি বক্স, চিত্রাংকন খাতা. ড্রইয়ং পেন্সিল উপহার দেওয়া হয়। এ ছাড়া ও খেলাধুলার জন্য ফুটবল, কেরামবোর্ড, লুডু, দড়িলাফানি দেওয়া হয়।
