ফারুক আহাম্মদ, ব্রাহ্মণপাড়াঃ কুমিল্লার বুড়িচং- উপজেলার ০৮নং ভারেল্লা উত্তর ইউনিয়নের কংশনগর পূর্ব পাড়া এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জেরে দুইজনকে কুপিয়ে জখম, নগদ অর্থ ও মালামাল লোটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ০৮নং ভারেল্লা উত্তর ইউনিয়নের কংশনগর (পর্বপাড়া,হাজী বাড়ি)'র মোঃ শাহ পরানের স্ত্রী মোসাঃ কাজল রেখা (৩০) বাদী হয়ে বুড়িচং থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। থানার লিখিত অভিযোগ ও অভিযোগের বাদী মোসাঃ কাজল রেখা (৩০) জানান, মোঃ মহিউদ্দিন হাছিম (৪৫), পিতা-মৃত সাজত আলী হাছিম, মোঃ সাইফুল (২৮), পিতা-নুরুল ইসলাম, মোঃ সাব্বির (২২), পিতা-মোঃ মহিউদ্দিন হাছিম, মোঃ কামরুল (৩৫), পিতা-মোঃ আবুল হোসেন, নুরুল ইসলাম (৬০), পিতা-মৃত ইব্রাহীম, কানন মিয়া (৩২), পিতা-আলী আশ্রাফ, রুমা আক্তার (৪০), স্বামী-মোঃ মহিউদ্দিন হাছিমরা -কংশনগর গ্রামের (পূর্ব পাড়া) এরা সবাই আমাদের একই বাড়ির মানুষ। তাদের সাথে আমাদের জমিজমা নিয়ে আদালতে মামলা চলমান আছে। উক্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে তারা আমাদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে নানান ষড়যন্ত্র করে আসছে। এবং তাদের কে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে। এরই ধারা ধারাবাহিকতায় গত ০২/১০/২০২৬ইং শুক্রবার রাত অনুমান ১১ টার দিকে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে হাতে দা, ছেনি, লাঠি ইত্যাদি দেশিয় অস্ত্র নিয়া বসত বাড়ীর উঠানে প্রবেশ করে পরিবারের লোকজনদের অকথ্য ভাষায় গালমন্দ শুরু করে। তখন আমার স্বামী মোঃ শাহপরান (৩৫) ঘর থেকে বেড় হয়ে বাড়িতে এ ব্যবহারের কারন জানতে চাওয়া মাত্র তাদের হাতে থাকা অস্ত্র দিয়ে এলোপাতারি আঘাত করতে থাকে। এতে আমার স্বামীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক জখম করে। এসময় আমার স্বামীকে বাচাতে এসে মোঃ আলী মিয়ার ছেলে মোঃ অনিক (১৭) কে মাথায়, দুই হাতে পায়েসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে। একপর্যায়ে তারা আমাদের বসত ঘরের ভিতর প্রবেশ করে বিভিন্ন আবাবপত্র ভাংচুর শুরু করে। আমি তাদের বাধা দিলে তারা আমাকেও আঘাত করে। এ সময় তারা আমার স্বামীর ব্যবসার নগদ ২২,৫০০/- টাকা নিয়া যায়। সোনার চেইন,আসবাবপত্র, দরজা-জানালাসহ আরো ১ লক্ষ ৬৫ হাজর টাকার ক্ষতি করে। এসময় আমাদের আত্মচিৎকারে তারা চলে যায়। পরে আহত আমার স্বামী মোঃ শাহপরান এবং অনিককে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এনে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করি। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছে। এবিষয় লিখিত অভিযোগের বিবাদী মোঃ মহিউদ্দিন হাছিম কে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বুড়িচং থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ লুৎফর রহমান জানান লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
