বিএনপি যখনই ক্ষমতায় থাকে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সীট দখল, সন্ত্রাস, রাহাজানি হয় না। সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় থাকে, শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন হয়। বিএনপি সরকার সব পাবলিক পরীক্ষা নকলমুক্ত করে শিক্ষাক্ষেত্রে ইতিহাস গড়েছে। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার শিক্ষাঙ্গণে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি এবং ঢালাওভাবে পাশের হার বাড়িয়ে শিক্ষা ব্যবস্থাকে সমূলে ধ্বংস করেছে। শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে তারা কোনো কাজই করেনি। ইচ্ছে করে শিক্ষাঙ্গণকে অশান্ত ও বিপর্যস্ত করেছে। কারণ দেশের মানুষ ভালো থাকুক, এটি তারা কখনও চায়নি।
৪ অক্টোবর রবিবার দাউদকান্দি উপজেলার ঐহিত্যবাহী রায়পুর কৈলাস চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃত্তি প্রদান ও বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এইসব কথা বলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড.খন্দকার মারুফ হোসেন।
তিনি আরও বলেন, মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বর্তমান সরকারের শিক্ষাঋণ এবং উচ্চশিক্ষার জন্য বিশেষ সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। নারীদের জন্য স্নাতকোত্তর এবং ছেলেদের জন্য স্নাতক পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।
তিনি আগামী দিনে নিজেদের সুশিক্ষিত ও যোগ্য নাগরিক হিসাবে গড়ে তুলতে শিক্ষার্থীদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।
বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো. হজরত আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য ও ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি মো.আনোয়ার হোসেন আনন্দ। এতে
স্বাগত বক্তব্য দেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মোমেন ভুইয়া।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক এম.এ লতিফ ভূইয়া, সদস্য সচিব ভিপি মো.জাহাঙ্গীর আলম, দাউদকান্দি পৌর বিএনপির সাবেক আহবায়ক নূর মোহাম্মদ সেলিম সরকার, ভিপি শাহাবুদ্দিন ভুইয়া, শাহ্ আলম সরকার, রোমান খন্দকার, ইব্রাহীম খলিল, রিমন খন্দকার, কাওসার মোল্লা, লিয়াকত আলী, তৈয়ব আলী, আওলাদ মেম্বার প্রমুখ।
