
এশিয়ান গেমসে ক্রিকেটে পদক না পেলেও বড় একটি অর্জন নিয়ে ফিরছে জাপান—এমনটাই মনে করছেন আইসিসির প্রধান নির্বাহী কমিটির সহযোগী সদস্য প্রতিনিধি অভিরাম এস. যাদব। বড় ক্রীড়া আয়োজনকে কাজে লাগিয়ে ক্রিকেটের উন্নয়ন কীভাবে ত্বরান্বিত করা যায়, জাপান তার একটি কার্যকর দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
অভিরাম বলেন, ‘জাপান বুঝেছিল, এশিয়ান গেমস শুধু অংশ নেওয়ার জন্য কোনো প্রতিযোগিতা নয়। তারা এই আয়োজনকে ঘিরে থাকা সুযোগগুলো নিয়ে ভেবেছে এবং দেখেছে, কীভাবে এর মাধ্যমে কয়েক দিনের প্রতিযোগিতার বাইরেও ক্রিকেটকে এগিয়ে নেওয়া যায়। অন্য সহযোগী সদস্য দেশগুলো এ থেকে শিখতে পারে।’
তার মতে, জাপান ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন (জেসিএ) এশিয়ান গেমসকে ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ক্রিকেটের প্রতি মনোযোগ বাড়িয়েছে। একই সঙ্গে অবকাঠামো শক্তিশালী করা, বাণিজ্যিক ও সরকারি সহায়তা আকর্ষণ এবং ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক ম্যাচ আয়োজনের সুযোগও তৈরি করেছে তারা।
এশিয়ান গেমসে ভারতীয় দলের হাতে পদক তুলে দেওয়া আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ নাগোয়া ও জাপানকে ক্রিকেটের ইতিহাসে ‘গর্বের নতুন অধ্যায়’ লেখার জন্য প্রশংসা করেছেন। অভিরামের মতে, এই মূল্যায়ন শুধু এশিয়ান গেমসের প্রতিযোগিতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এর প্রভাব আরও বিস্তৃত।
জাপানের এই কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল এশিয়ান গেমসে পুরুষ ক্রিকেট শুরু হওয়ার আগেই ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ আয়োজন। গত ২২ সেপ্টেম্বর সানো ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টি-টোয়েন্টি বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ভারতের বিপক্ষে প্রথম পুরুষ টি-টোয়েন্টি খেলেছিল জাপান। বৃষ্টিতে ম্যাচটি পাঁচ ওভারে নেমে আসে। তাতেও বড় অঘটনের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল জাপান। শেষ পর্যন্ত মাত্র দুই রানে হারে তারা।
জাপান অবশ্য এর আগেই নিশিনের কোরোগি স্পোর্টস পার্কে ক্রিকেট অবকাঠামো তৈরি করেছিল। ২০২৬ সালের শুরুতে আইসিসি ইস্ট এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের বাছাইপর্বের ক্রিকেট আয়োজনের পর এশিয়ান গেমসের ক্রিকেট প্রতিযোগিতাও এই মাঠে অনুষ্ঠিত হয়।
