প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ২:০১ এএম আপডেট: ০১.১০.২০২৬ ২:১৬ এএম |

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলা শ্রমিক দলের সদস্য সচিব মো.মহাসিন প্রধানের বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ৪০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মঙ্গলবার রাতে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী মো.মহাসিন প্রধান।
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মেঘনা থানা ওসি মো.শহিদুল ইসলাম।
মামলার এজাহার সুত্রে জানা যায়, ২৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা আনুমানিক সাতটার সময় উপজেলার চালিভাংগা ইউনিয়নের নলচর গ্রামে বাদীর বসত বাড়িতে গিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত চালিভাংগা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি সানাউল্লাহ সরকার, উপজেলা ছাত্র লীগের সাধারণ সম্পাদক মো.শফিক দেওয়ান,কুমিল্লা জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য আব্দুল কাইয়ুমসহ ৫০/৬০ জনের একটি দল সংঘবদ্ধ হয়ে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় বলে এজাহারে উল্লেখ করেন। এসময় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটাতে তাদেরকে চালিভাংগা ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক রবিউল্লাহ রবি সহযোগিতা করেছেন বলেও এজাহারে উল্লেখ করেছেন।
মামলার বাদী মহাসিন প্রধান বলেন, ২৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় ফ্যাসিস্ট হাসিনার জন্মদিন পালন করার জন্য সানাউল্লাহ সরকার, শফিক দেওয়ান ও কাইয়ুমসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা নলচর গ্রাম সংঘবদ্ধ হয়।এসময় আমিসহ আমাদের লোকজন বাধা দিলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে আমাদের বাড়িতে পর পর কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এসময় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটাতে তাদেরকে সহযোগিতা চালিভাংগা ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক রবিউল্লাহ রবি ও তার সহযোগীরা।
এবিষয়ে মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, নলচর গ্রামে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় মহাসিন বাদী হয়ে ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ৪০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে বিস্ফোরক আইনে মঙ্গলবার রাতে একটি মামলা করেছেন। আমরা অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে কাজ করছি।