
লিডসে
পাকিস্তানকে গুঁড়িয়ে দিলো ইংল্যান্ড। তৃতীয় দিন চা বিরতির আগেই জয় নিশ্চিত
করল স্বাগতিকরা। ইনিংস ও ১০৩ রানের ব্যবধানে জিতে টেস্ট সিরিজ শুরু করেছে
তারা। মাত্র ৩৭.৩ ওভারে পাকিস্তানের ইনিংস ১৩৫ রানে গুটিয়ে দিয়ে টেস্ট
অধিনায়ক হিসেবে জো রুটের দ্বিতীয় অধ্যায় শুরু হলো দারুণভাবে।
পাকিস্তানকে
প্রথম ইনিংসে ১৭১ রানে গুটিয়ে দিয়েছিল ইংল্যান্ড। তৃতীয় দিনে দুই উইকেট
হাতে রেখে চারশ পার করার চ্যালেঞ্জ ছিল তাদের সামনে। সফল হয় স্বাগতিকরা।
প্রথম ইনিংসে ৪০৯ রানে অলআউট হয়ে ইংলিশরা ২৩৮ রানের লিড নেয়।
৮ উইকেটে
৩৬৬ রানে শুক্রবারের খেলা শুরু করে ইংল্যান্ড। ১৯৫ রানে এগিয়ে ছিল তারা।
হ্যারি ব্রুক (৯১), নতুন তিন নম্বর জর্ডান কক্স (৭৩), অধিনায়ক জো রুট (৬৬) ও
ড্যান লরেন্স (৫১)—চার ব্যাটারের ফিফটি কার্যকরী ভূমিকা রাখে।
দুই বছরে
দ্বিতীয়বার ব্রুক টেস্টে নব্বইয়ের ঘরে আউট হলেন। ২০২৫ সালে হেডিংলিতে
ভারতের বিপক্ষে ৯৯ রান করেছিলেন হোম গ্রাউন্ডে। জোফরা আর্চার খুররাম
শাহজাদকে ছক্কা মারেন এবং গত মাসে জশ টাং স্ট্রেট ড্রাইভে দুটি চার মারেন।
জেমি স্মিথ ২৫ রানে থামেন। টাংকে বোল্ড করে খুররাম ইংল্যান্ডের ইনিংস
গুটিয়ে দেন। আলী উসমান ৫ উইকেট পান। খুররাম নেন তিন উইকেট।
পাকিস্তানের
দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুটা ভালো হয়নি। লাঞ্চের আগে ৫১ রানের মধ্যে তিন উইকেট
হারায় তারা। ইমাম উল হক দ্বিতীয় ওভারে ৫ বল খেলে ডাক মারেন। আজান আওয়াইজ ৯
রানে আর্চারের দ্বিতীয় শিকার হন। আব্দুল্লাহ শফিক (১৫) রবিনসনের কাছে
উইকেট হারান। ৩ উইকেটে ৫৯ রানে লাঞ্চে যায় পাকিস্তান।
দ্বিতীয় সেশনে
টাং নতুন করে ধস নামান সফরকারীদের ব্যাটিং লাইনে। ১১ বলের ব্যবধানে ৭ রানে ৩
উইকেট তুলে নিয়ে প্রতিপক্ষকে খাদের কিনারায় নেন ইংলিশ পেসার। দুটি ভিন্ন
ওভারে সৌদ শাকিল, শান মাসুদ ও সালমান আগাকে নিজের শিকার বানান টাং। আলী
উসমানকে সাজঘরে পাঠিয়ে পাকিস্তানের সপ্তম উইকেট পান রবিনসন।
টাংয়ের এক
ওভারে দুটি চার মেরে আগ্রাসী হয়ে ওঠার পরই ফিরে যান খুররাম। ১১১ রানে ৮
উইকেট হারিয়ে পাকিস্তান মোহাম্মদ রিজওয়ানের ব্যাটে লড়াইয়ের ইঙ্গিত দেয়।
তাকে ৪১ রানে ফেরান গাস অ্যাটকিনসন। আর্চার জয়ের আনুষ্ঠানিকতা সারেন
মোহাম্মদ আব্বাসকে ফিরিয়ে।
প্রথম ইনিংসে পাঁচ উইকেট নেওয়া রবিনসন দুই ইনিংস মিলিয়ে ৮ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন।
