নারী
এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারসের সেমিফাইনালে পাকিস্তানকে রীতিমতো উড়িয়েই দিল
বাংলাদেশ নারী দল। লো-স্কোরিং ম্যাচে পাকিস্তানকে ৫৪ রানের বড় ব্যবধানে
হারিয়ে দ্বিতীয় দল হিসেবে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করল বাংলাদেশের মেয়েরা।
শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে ভারতের মেয়েদের মুখোমুখি হবে ফাহিমা খাতুনের
বাংলাদেশ।
মাত্র ১১১ রানের জবাবে ব্যাট করতে নামা পাকিস্তানের শুরুটা
ভালো করতে দেননি বাংলাদেশের বোলাররা। পাকিস্তানি ওপেনার ইমান নাসেরকে বোল্ড
করেন ফারিয়া তৃষ্ণা। পরের ওভারেই আরেক ওপেনার শাওয়াল জুলফিকারকে বোল্ড
করেন দলনেতা ফাহিমা খাতুন। আর হুরাইনা সাজিদকে ফেরান সানজিদা আক্তার মেঘলা।
এরপর
আর মাথা তুলে দাঁড়াতেই পারেনি পাকিস্তান। সময়ের পরিক্রমায় পড়তে থাকে একের
পর এক উইকেট। মাঝখানে ইউসরা আমি ও হাফসা খালিদ প্রতিরোধের চেষ্টা চালালেও
সেটা দলের জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না। শেষ পর্যন্ত অসহায় আত্মসমর্পন করে
পাকিস্তান। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ১২ রান করেন দলনেতা হাফসা। ১১ রান করেন ইউসরা
আমির। বাকি ব্যাটারদের কেউই দুই অঙ্কের ঘর স্পর্শ করতে পারেননি। ফলে সবকটি
উইকেট হারিয়ে পাকিস্তানের ইনিংস থামে মাত্র ৫৬ রানে।
বাংলাদেশের হয়ে
সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন সানজিদা আক্তার মেঘলা। দুটি উইকেট পেয়েছেন ফাহিমা
খাতুন। আর একটি করে উইকেট নিয়েছেন তিনজন বোলার।
থাইল্যান্ডের ব্যাংককে
অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। ৩.৫ ওভারে ওপেনিং
জুটিতে আসে মাত্র ১৯ রান। ১৩ রান করে আউট হন শামীমা সুলতানা। আরেক ওপেনার
ইসমা তানজিমের ব্যাট থেকে আসে ১২ রান। আর ১৫ রানে থামেন দ্বিতীয় উইকেটে
ব্যাট করতে আসা শারমিন সুলতানা।
এরপর আসা-যাওয়ার মিছিলে যোগ দিতে থাকেন
পরবর্তী ব্যাটাররা। কিন্তু একাই একপ্রান্ত আগলে রাখেন দলনেতা ফাহিমা খাতুন।
তিনি ছাড়া বাকি ব্যাটারদের কেউই দুই অঙ্কের ঘর স্পর্শ করতে পারেননি। মাত্র
৩২ বলে সর্বোচ্চ ৪০ রান করে অপরাজিত থাকেন ফাহিমা। এছাড়া লতা মণ্ডল ৫,
ফারজানা ইয়াসমিন ৬, শরিফা শূন্য, সাদিয়া আক্তার, ৮, ফাতেমা জাহান ২ ও
সানজিদা আক্তার মেঘলা ১ রান করেন। আর বাংলাদেশের ইনিংস থামে ১১০ রানে।
