
আগামী
৮ মে বাংলাদেশ সফরে আসবে শ্রীলঙ্কা। এই সফরে দুটি টেস্ট ম্যাচ খেলবে দুই
দল। যেহেতু দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে সাকিব আল
হাসানকে পাওয়া যায়নি, তাই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তাকে পাওয়া যাবে কিনা- তা
নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল। সব শঙ্কা উড়িয়ে অবশ্য সাকিব নিজেই জানালেন, শ্রীলঙ্কার
বিপক্ষে খেলবেন তিনি।
বুধবার যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরে বাঁহাতি
অলরাউন্ডার বিমানবন্দরে সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, ‘এটায় (শ্রীলঙ্কা সিরিজ)
সন্দেহের তো কোনও কারণ ছিল বলে আমার মনে হয় না। হ্যাঁ, যদি কোনও
ইমার্জেন্সি থাকতো, অবশ্যই সেটা অন্য বিষয়। তবে হ্যাঁ, অবশ্যই খেলবো।’
মানসিকভাবে
ভালো অবস্থানে না থাকায় দক্ষিণ আফ্রিকায় শুরুতে যেতে চাননি সাকিব। পরে
সেখানে গেলেও কেবলমাত্র ওয়ানডে সিরিজ খেলে দেশে ফিরতে বাধ্য হন পরিবারের
প্রায় সবাই অসুস্থ হয়ে পড়ায়।
বাঁহাতি এই অলরাউন্ডার দেশে ফিরে পরে
মেয়েকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র চলে যান। ক্যানসার আক্রান্ত হয়ে সাকিবের শাশুড়ি
মারা গেলেও ওই অবস্থায় মেয়েকে একা রেখে দেশে ফিরতে পারেননি। সব মিলিয়ে
পারিবারিকভাবে কঠিন সময় পার করতে হয়েছে।
তবে এই মুহূর্তে মানসিকভাবে
স্বস্তি বোধ করছেন বলে জানালেন সাকিব, ‘এখন অবশ্যই ভালো অনুভব করছি।
ফোকাসটা ক্রিকেটে রাখতে চাচ্ছি। চেষ্টা থাকবে সামনে যত ম্যাচ আছে, সবই যেন
খেলতে পারি।’
ঢাকা লিগের চলতি মৌসুমে মোহামেডানের জার্সিতে খেলার কথা
ছিল সাকিবের। কিন্তু মোহামেডান সুপার লিগে উঠতে ব্যর্থ হওয়ায় সেই সুযোগ
পাননি। তবে সাকিব খেলার আগ্রহ প্রকাশ করায় তাকে দলে ভিড়িয়েছে মাশরাফির
রূপগঞ্জ। মোহামেডানও তাতে কোনও আপত্তি করেনি। বৃহস্পতিবার থেকে সাকিব সুপার
লিগের বাকি চারটি ম্যাচ খেলবেন।
হুট করে রূপগঞ্জে আসা কেন- এমন প্রশ্নে
সাকিব বলেছেন, ‘একদম হঠাৎ করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া। মানে এক ঘণ্টার মধ্যে
সিদ্ধান্তটি নেওয়া। ভাবলাম যেহেতু একটা সুযোগ আছে খেলার, সামনে শ্রীলঙ্কা
সিরিজটাও আছে, তো এখন যদি কয়েকটা ম্যাচ খেলতে পারি, আমার জন্য প্রস্তুতি
ভালো হবে। যেহেতু বেশ অনেক দিনের গ্যাপ একটা হয়ে গেলো, প্রায় এক মাসের মতো;
যদি এই চারটা ম্যাচ খেলতে পারি, খেলার মধ্যে আসার একটা সুযোগ হবে। তো
সেজন্যই সুযোগটি নেওয়া।’