ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
জিতেও সুপার লিগ খেলা হচ্ছে না মোহামেডানের
Published : Saturday, 16 April, 2022 at 12:00 AM
জিতেও সুপার লিগ খেলা হচ্ছে না মোহামেডানেরঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে কাগজে-কলমে সুপার লিগে খেলার একটা হালকা সম্ভাবনা ছিল মোহামেডানের। কিন্তু লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে ৮০ রানের জয় পেয়েও শ্রেয়তর নেট রান রেট না থাকায় প্রাথমিক পর্বে বিদায় নিতে হলো ঐতিহ্যবাহীদের।
এদিন মোহামেডান মাশরাফি বিন মুর্তজার দল লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলে ১০ ম্যাচে অর্জন করেছিল ১০ পয়েন্ট। তাদের মতো সমান পয়েন্ট ছিল গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স ও রূপগঞ্জ টাইগার্স ক্রিকেট ক্লাবেরও। কিন্তু রান রেটে পিছিয়ে থাকায় মোহামেডানের স্থান হয়েছে সাত নম্বরে।
মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের মোহামেডান শুরুতে সবকটি উইকেট হারিয়ে ৪৭.৫ ওভারে করেছিল ৩০৭ রান। বড় স্কোরের পেছনে মুখ্য অবদান ছিল লঙ্কান ব্যাটার কুশল মেন্ডিস ও অধিনায়ক রিয়াদের। মেন্ডিস ৯১ বলে ১০১ করেছেন। তাতে ছিল ৭ চার ও ৪ ছয়ের মার। রিয়াদ তো ব্যাট চালিয়েছেন ঝড়ের বেগে। ৪৭ বলে ৫ চার ও ৪ ছক্কায় করেছেন ৭০।
রূপগঞ্জের হয়ে ৫০ রানে সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট নেন মেহেদী হাসান রানা। ২৪ রানে দুটি নেন তানবীর হায়দার। অধিনায়ক মাশরাফিও ৪৬ রানে নিয়েছেন একটি। সম সংখ্যক উইকেট নেন চেরাগ জানি ও নাবিল সামাদ।
জবাবে ব্যাটাররা বড় ইনিংস খেলতে না পারাতে ৪৯.১ ওভারে ২২৭ রানেই অলআউট হয়েছে রূপগঞ্জ। একমাত্র নাঈম ইসলামের ব্যাট থেকে আসে ৮০। বাকিরা সেভাবে অবদান রাখতে পারেননি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ইনিংসটি ছিল রাকিবুল হাসানের ৩৩।   মোহামেডানের হয়ে ঘূর্ণি জাদু দেখান নাজমুল অপু। ৩৫ রানে নেন ৫ উইকেট। ম্যাচসেরাও তিনি।
আরেক ম্যাচে ৫৩ রানের জয়ে শীর্ষেই থাকলো ইমরুল কায়েসের শেখ জামাল। সিটি ক্লাবকে তারা হারিয়েছে ৫৩ রানে। শুরুতে ব্যাট করা শেখ জামালের ব্যাটিং স্বস্তিদায়ক ছিল না। ৪৬.২ ওভারে ১৯৭ রানে অলআউট হলেও এই স্কোরের পেছনে বড় অবদান ছিল ইমরুল কায়েসের। ৮৯ বলে ৬১ রানের সর্বোচ্চ ইনিংসটা খেলেছেন তিনি। সিটির হয়ে তিন উইকেট নেন আব্দুল হালিম ও মইনুল ইসলাম। দুটি করে নিয়েছেন শাহরিয়ার আলম ও রাজিবুল ইসলাম। জবাবে শেখ জামালের বোলিং নৈপুণ্যে ৪৩.১ ওভারে ১৪৪ রানেই অলআউট হয়ে গেছে সিটি ক্লাব। শেখ জামালের হয়ে ১৯ রানে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন রবিউল ইসলাম রবি। দুটি করে নিয়েছেন জাহিদুর রহমান ও পারভেজ রসুল।