
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে কুমিল্লায় দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন। যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে দিবসটি উদযাপনে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে নেওয়া হয়েছে নানা আয়োজন। দিবসটি উদযাপনেপ্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন।
আজ ৭ নভেম্বর (শনিবার) সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে জেলার সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু হবে। বাদ জোহর অথবা সুবিধাজনক সময়ে জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনায় জেলার মসজিদগুলোতে মিলাদ মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি মন্দির, গির্জা, প্যাগোডাসহ অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে।দিবসটি উপলক্ষে হাসপাতাল, কারাগার, এতিমখানা, শিশুকেন্দ্র, শিশু পরিবার, শিশু সদন, কিশোর সংশোধন কেন্দ্র, শান্তি নিবাস ও ভবঘুরে প্রতিষ্ঠানগুলোতে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে।ক্রীড়াঙ্গনেও থাকছে বিশেষ আয়োজন। দুপুর ২টায় কুমিল্লা শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে মহিলা কাবাডি প্রীতি ম্যাচ। এরপর দুপুর আড়াইটায় একই মাঠে আয়োজন করা হবে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ।
এদিকে, দিবসের তাৎপর্য ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে বিকেল সাড়ে ৩টায় কুমিল্লা টাউন হল মাঠের মুক্তমঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। একই স্থানে জেলা শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে পরিবেশিত হবে দেশাত্মবোধক গান ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মিজ রোজী আকতার দিবসটির তাৎপর্য যথাযথভাবে তুলে ধরতে গৃহীত সব কর্মসূচিতে সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ও অংশগ্রহণ কামনা করেছেন। জাতীয় জীবনে ঐতিহাসিক গুরুত্ব বহনকারী এ দিবসের আয়োজনের মধ্য দিয়ে নতুন প্রজন্মের মধ্যে দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, জাতীয় ঐক্য ও দেশপ্রেমের চেতনা আরও সুদৃঢ় হবে এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।
