কুমিল্লার আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে ভোগান্তির অভিযোগ পেয়ে হঠাৎ পরিদর্শনে গিয়েছেন কুমিল্লা-৬ সদর আসনের এমপি মনিরুল হক চৌধুরী। বৃহস্পতিবার (০৫ নভেম্বর) দুপুরে এই পরিদর্শনে গিয়ে সেবা গ্রহীতাদের হয়রানি দেখে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং দূরদূরান্ত থেকে আসা সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তি দূর করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আবহান জানান।
এসময় মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, পাসপোর্ট অফিসে বিপুল সংখ্যক মানুষের চাপ কমাতে ও সেবার মান তরান্বিত করতে সদর দক্ষিণে একটি সাব-পাসপোর্ট অফিস চালুর জন্য ডিওলেটার দেওয়া হয়েছে। সেখানে একটি সাব অফিস চালু হলে মানুষের ভোগান্তি অনেকাংশে কমবে।।
পাসপোর্ট করতে আসা মানুষদের হয়রানীর চিত্র তুলে ধরে এমপি মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, প্রবাসীদেরকে আমরা রেমিট্যন্স যোদ্ধা বলি ঠিকই, কিন্তু বাস্তবে এদের মতো অত্যাচারিত কেউ নাই। প্রতিটা সেক্টরে তারা হয়রানির শিকার হচ্ছে। পাসপোর্ট অফিসে, এনআইডি অফিসে, জন্ম সনদ করতে, এয়ারপোর্টে এমন কোন জায়গা নাই তারা হয়রানির শিকার হয় না। একটা পাসপোর্টের জন্য এরকম লাঞ্ছিত হতে হবে, এটা ঠিক না।
এমপি বলেন, রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের কল্যাণে বাংলাদেশের অর্থনীতি গতি পাচ্ছে। বর্তমান সরকার গণমানুষের সরকার। রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের জন্য সরকার ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। এয়ারপোর্টে হয়রানি কমে আসছে। একসময় শূন্যের কোটায় নেমে আসবে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমি ইতিমধ্যে পাসপোর্ট অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মোঃ নুরুল হাফিজের সাথে কথা বলেছি। তিনি বিষয়গুলো নিয়ে খুবই আন্তরিক। আগামী রোববার থেকে হয়রানি রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আমি অনুরোধ করেছি বড় জেলা হিসেবে অন্তত উত্তরে একটি এবং দক্ষিণে একটি সাব অফিস করে সেবা দেয়ার জন্য। এছাড়াও অপর একটি বিভাগীয় অফিস করার জন্য পরিকল্পনা হয়েছে। উপযুক্ত স্থানে বিভাগীয় কার্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক রাখতে পুলিশ মোতায়েনের জন্য এসপির সাথে কথা বলেছি। তিনি আশ্বস্ত করেছেন এখানে দালারমুক্ত করতে এবং পরিস্থিতি ঠিক রাখতে পুলিশ মোতায়েন করবেন।
পরিদর্শন শেষে তিনি সম্মেলন কক্ষে কুমিল্লা পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করেন।
