বৃহস্পতিবার ● ৫ নভেম্বর ২০২৬
২১ কার্তিক ১৪৩৩
কিশোর ফুটবলারদের ২৫ লাখ টাকা পুরস্কার
প্রকাশ: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:০০ এএম আপডেট: ০৪.১১.২০২৬ ১:২১ এএম |

কিশোর ফুটবলারদের ২৫ লাখ টাকা পুরস্কার

আজারবাইজানের বাকুতে অনুষ্ঠিত প্রথম ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যালে অংশ নিয়ে ১৮৯টি দেশের মধ্যে ১৩০তম হওয়া বাংলাদেশ দল পেয়েছে সংবর্ধনা ও আর্থিক পুরস্কার।
মঙ্গলবার বাফুফে ভবনে কিশোর ফুটবলারদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক প্রত্যেক খেলোয়াড়কে এক লাখ টাকা করে পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দেন। বাফুফের সহ-সভাপতি নাসের শাহরিয়ার জাহেদী পুরস্কার ঘোষণা করেছেন ১০ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে দলের পুরস্কার দাঁড়িয়েছে ২৫ লাখ টাকা।
বাংলাদেশের কিশোররা গ্রুপ পর্বে ছয় দলের মধ্যে পঞ্চম স্থান অর্জন করে। এরপর তাদের খেলতে হয় পঞ্চম স্তরের ছয় দল নিয়ে গঠিত টায়ার ‘ই’-তে। সেখানে রানার্সআপ হয় বাংলাদেশ। মূল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্পেন, রানার্সআপ চেক প্রজাতন্ত্র।
তবে এই অর্জনকে ঘিরে বাফুফের প্রচারে তৈরি হয়েছে বিভ্রান্তি। দেশের ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি বাংলাদেশকে পুরো বিশ্বকাপের রানার্সআপ হিসেবে উল্লেখ করে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অতিথিদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। অথচ বাংলাদেশ রানার্সআপ হয়েছে কেবল পঞ্চম স্তরের টায়ার ‘ই’-তে।
ফিফা আয়োজিত প্রথম এই বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যালে অংশ নেওয়া দলগুলোকে শুরুতে ৩০টি গ্রুপে ভাগ করে লিগ পদ্ধতিতে খেলা হয়। বাংলাদেশ ছিল ‘জি’ গ্রুপে। এই গ্রুপে তাদের প্রতিপক্ষ ছিল ওয়েলস, পর্তুগাল, ইন্দোনেশিয়া, বুরুন্ডি ও ফিজি।
গ্রুপ পর্বে অবস্থানের ভিত্তিতে দলগুলোকে ছয়টি টায়ারে ভাগ করে শুরু হয় নকআউট পর্ব। ছয় দলের গ্রুপে পঞ্চম হওয়ায় বাংলাদেশ জায়গা পায় পঞ্চম স্তরের ‘ই’ টায়ারে। সেখানে রাউন্ড অব ৩২-এ সিশেলসের বিপক্ষে নির্ধারিত সময়ে ১-১ গোলে ড্র করার পর টাইব্রেকারে ৪-২ ব্যবধানে জিতে পরের রাউন্ডে ওঠে বাংলাদেশ।
শেষ ষোলোতেও টাইব্রেকারে সিঙ্গাপুরকে হারায় কিশোররা। এরপর কোয়ার্টার ফাইনালে মন্টেনিগ্রোকে ৪-০ গোলে এবং সেমিফাইনালে গ্যাবনকে ১-০ গোলে হারিয়ে টায়ার ‘ই’-এর ফাইনালে জায়গা করে নেয় তারা।
ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ছিল সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে ৪-১ গোলে হেরে যায় বাংলাদেশ। ফলে টায়ার ‘ই’-এর রানার্সআপ হয়েই অভিযান শেষ করতে হয় কিশোর ফুটবলারদের।





২ রাউন্ড বাকি থাকতেই শিরোপার ঘ্রাণ পাচ্ছে খুলনা
কিশোর ফুটবলারদের ২৫ লাখ টাকা পুরস্কার

জাতীয় ক্রিকেট লিগে যৌথভাবে সর্বোচ্চ সাত শিরোপার মালিক খুলনা বিভাগ। এমনকি এক সময়ে শিরোপা জয়ের হ্যাটট্রিকও করেছে দলটি। তবে গেলো ৫ আসরে খালি হাতেই ফিরতে হয়েছিল তাদের। এবার শুরু থেকেই দুর্দান্ত ছন্দে আছে খুলনা। ৫ রাউন্ড শেষেও অপরাজিত মোহাম্মদ মিঠুনের দল ২ রাউন্ড বাকি থাকতেই শিরোপার ঘ্রাণ পাচ্ছে।
পঞ্চম রাউন্ড শেষে শিরোপার দৌড়ে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করেছে খুলনা। মঙ্গলবার ঘরের মাঠে ময়মনসিংহকে ৮ উইকেটে হারিয়ে ৩২ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে সাতবারের চ্যাম্পিয়নরা। পাচ ম্যাচের তিনটিতে জয় ও দুটিতে ড্র করা দলটি এখন নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীদের চেয়ে ৮ পয়েন্টে এগিয়ে। বাকি দুই রাউন্ডে এই ব্যবধান ধরে রাখতে পারলে শিরোপা জয়ের পথ অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে খুলনার।
নিজেদের মাঠ খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়ামে জয়ের জন্য শেষ দিনে ১৪০ রান দরকার ছিল স্বাগতিকদের। এনামুল হক বিজয়ের ৮০ রানের ইনিংসে দুই উইকেট হারিয়েই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় তারা। পাঁচ ম্যাচে এটি খুলনার তৃতীয় জয়। অন্যদিকে প্রথম চার ম্যাচ ড্র করা ময়মনসিংহের চলতি আসরে এটিই প্রথম হার। ১৬ পয়েন্ট নিয়ে দলটির অবস্থান সপ্তম।
শীর্ষে থাকা খুলনার সঙ্গে পয়েন্ট ব্যবধান কমিয়ে আনার সুযোগ অবশ্য কাজে লাগাতে পারেনি চট্টগ্রাম ও ঢাকা। তবে শেষ দিনের রোমাঞ্চে সিলেটের বিপক্ষে ১ উইকেটের জয় পেয়েছে চট্টগ্রাম। জয়ের জন্য শেষ দিনে ১০১ রান প্রয়োজন ছিল তাদের, হাতে ছিল ৯ উইকেট। কিন্তু দিনের শুরুতে শাহ পরান ও শাহাদাত হোসেন দ্রুত ফিরে যাওয়ার পর ইয়াসির আলি চৌধুরীর ২৩ বলে ৩০ রানের ইনিংসও দলকে স্বস্তি দিতে পারেনি। একের পর এক উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে চট্টগ্রাম।
সেই চাপ সামলে এক প্রান্ত আগলে রাখেন সাদিকুর রহমান। ৫ চার ও এক ছক্কায় প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে নিজের ষষ্ঠ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ৩৪ বছর বয়সী বাঁ-হাতি ওপেনার। তবে ১০০ রানেই নাসুম আহমেদের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। তখনও জয়ের জন্য চট্টগ্রামের দরকার ছিল ১৭ রান। শেষ উইকেটে আশরাফুল হাসান ও সঞ্জিত মজুমদার আর কোনো বিপদ হতে দেননি। আশরাফুলের ১৫ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংসে জয় নিশ্চিত হয় চট্টগ্রামের। দুই ইনিংস মিলিয়ে ৯ উইকেট নিয়ে সিলেটের সেরা বোলার নাসুম। এই জয়ে ২৪ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে চট্টগ্রাম।
এদিকে পঞ্চম রাউন্ডে এসে প্রথম জয়ের দেখা পেয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন রংপুর। বগুড়ায় রাজশাহীকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে তারা। দ্বিতীয় ইনিংসে রাজশাহীকে দ্রুত অলআউট করে জয়ের জন্য ১৬০ রানের লক্ষ্য পায় রংপুর। মিম মোসাদ্দেকের ৬১ রানের ইনিংসের পর রিশাদ হোসেনের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে সহজ হয়ে যায় জয়। মাত্র ১৯ বলে অপরাজিত ৩০ রান করেন রিশাদ। পাঁচ ম্যাচে ২০ পয়েন্ট নিয়ে পঞ্চম স্থানে রংপুর। ১৬ পয়েন্ট নিয়ে ষষ্ঠ স্থানে রাজশাহী।
অন্যদিকে বৃষ্টির কারণে প্রথম দুই দিন মাঠে খেলা না গড়ানোয় ঢাকা ও বরিশালের ম্যাচে ড্র’তেই শেষ হয়েছে। তবে দুই দলের দুই ব্যাটার সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়েও ফিরেছেন হতাশা নিয়ে। বরিশালের মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ৯৪ রান করে তাইবুর পারভেজের বলে আউট হন। ঢাকার আশিকুর রহমান শিবলি তো আরও কাছে গিয়েছিলেন। ১৬২ বলে ৮ চার ও ২ ছক্কায় ৯৯ রান করার পর ইফতেখার হোসেনের দুর্দান্ত ক্যাচে থামে তার ইনিংস।
পাঁচ ম্যাচে এক জয় ও চার ড্রয়ে ২৪ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে ঢাকা। অন্যদিকে দুই ড্রয়ে ৮ পয়েন্ট পাওয়া বরিশাল রয়েছে পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে।

















http://www.comillarkagoj.com/ad/1752266977.jpg
Loading...
Loading...
Follow Us
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩, +৮৮ ০১৭১১ ৯৯৭৯৬৯, +৮৮ ০১৯৭৯ ১৫২৪৪৩, ই মেইল: [email protected]
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০২২