মো. হাবিবুর রহমান ।।
মাদক, ঘুষ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও জিনা-ব্যভিচারের মতো সামাজিক ব্যাধি নির্মূলে জুমার খুতবাকে ‘নৈতিক জাগরণের হাতিয়ার’ হিসেবে ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ এমপি। ইমাম ও আলেম সমাজের ঐতিহাসিক অবদানের কথা স্মরণ করে মন্ত্রী আরো বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় থেকে শুরু করে বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন ‘আস্থা গণভোটে’ আলেম-ওলামারা ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিলেন।
শনিবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল ও জাতীয় ইমাম সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, দৈনিক ইনকিলাবের সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দীন।
বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা কাজী আবু হুরায়রা-র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি রফিকুল ইসলাম জামাল, বিএনপির চেয়ারপারসনের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক উপদেষ্টা ড. এনামুল হক চৌধুরী, সিলেট-৫ আসনের এমপি মুফতি আবুল হাসান ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক মুফতি মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহিল বাকী নদভী প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ এমপি বলেন, "আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আইনি পদক্ষেপের চেয়ে ইমামদের নৈতিক বার্তা মানুষের হৃদয়ে বেশি প্রভাব ফেলে। সমাজের মানুষ ইমামদের কথা গভীর আস্থা ও পরম বিশ্বাসের সঙ্গে গ্রহণ করেন। তাই মিম্বর থেকে অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে একটি দুর্নীতিমুক্ত ও আলোকিত সমাজ গঠনে দেশের সব ইমামকে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।"
তিনি আরও বলেন, ১৯৯৪ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ঘোষিত ২ কোটি টাকার ‘ইমাম-মুয়াজ্জিন কল্যাণ তহবিল’ আজ সুসংগঠিত হয়ে প্রায় ১০০ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে, যা ধর্মীয় সেবকদের কল্যাণ ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে ব্যবহৃত হচ্ছে।
