
কুমিল্লার তিতাস উপজেলার নতুন বাটেরার চর গ্রাম ও মেঘনা উপজেলার চরবিনোদপুর গ্রামবাসীর মধ্যে চর দখলকে কেন্দ্র করে ২৬ জুলাই সংঘর্ষে মেঘনা উপজেলার বিনোদপুর গ্রামের কুহিনূর আক্তার (৩৫)টেটা বিদ্ধ হয়ে ঘটনা স্থলেই নিহত হয়েছেন।
এই ঘটনার জেরে বাদী পক্ষের লোকজন বাটেরার চর গ্রামের প্রায় ৩০/৪০ টি ঘরে হামলা লুটপাট, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে আসছে।
গতকাল ২০ অক্টোবর ঘটনার তিন মাস পর সহকারী পুলিশ সুপার (মুরাদনগর সার্কেল)মো. কামরুজ্জামান সরেজমিনে ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেন। এসময় সাথে ছিলেন তিতাস থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিরুল হক এবং এস আই ও এ এস আইসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য বৃন্দ।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের লোকজন সহকারী পুলিশ সুপার (এ এসপি) কাছে অভিযোগ করে বলেন,কুহিনূর হত্যার ঘটনায়
মেঘনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের পর থেকে আমাদের গ্রামের সকল পুরুষ লোক ভয়ে বাড়ি ছেড়ে চলে জান। এই সুযোগে বাদী পক্ষের লোকজন এসে প্রতিদিনই আমাদের বাটেরার চর গ্রামে হামলা, ভাংচুর, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ ও নারীদেরকে হুমকি এবং মারধরসহ লাঞ্চিত করে। আমরা মহিলা মানুষ তাদের কথা বলারও সাহস পাইনা। তাদের দাবি তারা ছেলে মেয়ে নিয়ে শান্তিতে গ্রামে বসবাস করতে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কথা শুনে সহকারী পুলিশ সুপার (এ এসপি) মো.কামরুজ্জামান তাদেরকে ধৈর্য ধরার জন্য আহ্বান করেন এবং আগামী কয়েক দিনের মধ্যে একটা সমাধান হবে বলেও আশ্বস্ত করেন।
