শনিবার ● ১৭ অক্টোবর ২০২৬
১ কার্তিক ১৪৩৩
সালভিয়া মেসি: আন্দিজের দুর্গমতম ঢালে অমর মেসি
প্রকাশ: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪৫ এএম আপডেট: ১৭.১০.২০২৬ ১:৩০ এএম |


  সালভিয়া মেসি: আন্দিজের দুর্গমতম ঢালে অমর মেসি


লিওনেল মেসি যেন এক আবেগের নাম। আর্জেন্টিনা ছাপিয়ে সেই আবেগ ছড়িয়ে গেছে পুরো বিশ্বে। এমনকি আন্দিজের দুর্গমতম কোণাতেও পৌঁছে গেছে। আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানীদের একটি দল পেরুর আন্দিজ পর্বতমালায় একটি উদ্ভিদ আবিষ্কার করেছে এবং মেসির সম্মানে এর নাম দিয়েছেন ‘সালভিয়া মেসি’ (Salvia messii)।
কৌতূহল থেকে দুর্গমতম পাহাড়ে
এই আবিষ্কারের পেছনের গল্প কোনো শীতল পরীক্ষাগারে শুরু হয়নি। বরং শুরু হয়েছিল নাগরিক বিজ্ঞানের বিভিন্ন সরঞ্জাম এবং প্রকৃতির তথ্য-উপাত্তের বৈশ্বিক আদান-প্রদানের মাধ্যমে। সেখানেই লন্ডনের রয়্যাল হর্টিকালচারাল সোসাইটি কর্তৃক পুরস্কৃত একজন প্রখ্যাত চাষী ও উদ্ভিদ প্রজননবিদ আর্জেন্টিনার কৃষিবিজ্ঞানী রোলান্ডো উরিয়া অপেশাদারদের শেয়ার করা তথ্য-উপাত্ত পর্যবেক্ষণ করছিলেন এবং একটি অদ্ভুত জিনিস লক্ষ্য করলেন, পেরুর পার্বত্য অঞ্চলে জন্মানো একটি গুল্মের ছবি বইয়ে নথিভুক্ত কোনো প্রজাতির সঙ্গে মিলছিল না।
কৌতূহল মনের মধ্যে জেগে ওঠে। উরিয়া যোগাযোগ করেন বিখ্যাত পেরুভিয়ান উদ্ভিদবিদ পল গঞ্জালেস আরেক এবং জীববিজ্ঞানী জ্য ক্যাপচা রামোসের সঙ্গে। তারা একটি দল গঠন করেন যারা আনুষ্ঠানিক গবেষণার নেতৃত্ব দিয়েছেন, ঐতিহাসিক নথিপত্র পর্যালোচনা করেছেন, বৈজ্ঞানিক সংগ্রহ থেকে নমুনা অধ্যয়ন করেছেন এবং পর্বতশ্রেণীর সবচেয়ে দুর্গম ঢাল বরাবর বহু বছরব্যাপী অভিযান পরিচালনা করেছেন।
নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও পারস্পরিক ভূদৃশ্যের মাঝে তারা একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হলেন যে, এটি দেড় মিটার লম্বা একটি গুল্ম, যা কোনো মানুষ এখন পর্যন্ত শ্রেণিবিন্যাস করেননি। এই আবিষ্কার কিছুদিন আগে আন্তর্জাতিক জার্নাল ফাইটোটাক্সা-য় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়।














http://www.comillarkagoj.com/ad/1752266977.jpg
Loading...
Loading...
Follow Us
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩, +৮৮ ০১৭১১ ৯৯৭৯৬৯, +৮৮ ০১৯৭৯ ১৫২৪৪৩, ই মেইল: [email protected]
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০২২