ইতালির বিপক্ষে প্রথমার্ধে বিবর্ণ হলেও দ্বিতীয়ার্ধে ডেডলক ভেঙে লিড নেয় ফ্রান্স। তবে নিজেদের ভুলে গোল খাওয়ার পর সেটি আর শোধ করতে পারেনি। ফলে জিনেদিন জিদানের অধীনে ফরাসিরা প্রথমবার পয়েন্ট খোয়াল। এ ছাড়া দায়োত উপামেকানো লাল কার্ড দেখায় শেষদিকে ১০ জনের দলে পরিণত হয় ফ্রান্স। ম্যাচটি শেষ হয় ১-১ সমতায়।
উয়েফা নেশন্স লিগের ম্যাচটিতে আজ্জুরিদের আতিথ্য দেয় ফ্রান্স। স্বাগতিকরাই আধিপত্য দেখিয়েছে সবদিক থেকে। বল দখলে এগিয়ে থেকে গোলের জন্য ফ্রান্স ১৮টি শট নিয়ে ৮টি লক্ষ্যে রাখতে পারে। আর ১৪ শটের দুটি লক্ষ্যে ছিল ইতালির। ফরাসিদের পক্ষে মাইকেল ওলিসে এবং সফরকারীদের সমতায় ফেরানো গোলটি করেন আলেসান্দ্রো বাস্তোনি।
ম্যাচের নবম মিনিটে ইতালি প্রথম সুযোগ তৈরি করে। যদিও মইসে কিন ফাঁকায় বল পেয়ে ফরাসি গোলরক্ষককে পরাস্ত করতে পারেননি। দুই দলই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ চালাচ্ছিল, তবে পরিষ্কার সুযোগ তৈরি করতে পারছিল না কেউই। ৩৭ মিনিটে উসমান দেম্বেলের শটটিই কেবল প্রথমবার লক্ষ্যে ছিল ফ্রান্সের। তিন মিনিট পর ইতালির পিও এস্পোসিতো সুযোগ পেলেও শট লক্ষ্যে রাখতে পারেননি। ফলে প্রথমার্ধ গোলশূন্য সমতায় শেষ হয়।
বিরতির পর জিয়ান্নি দোন্নারুমা ডাবল সেভে ইতালির গোলবার অক্ষত রাখেন। তিনি পরপর দেজিরে দুয়ে এবং দেম্বেলের শট ঠেকিয়ে হতাশ করেছেন স্বাগতিকদের। মিনিট দুয়েক পর ওলিসের শটও আটকে দেন দোন্নারুমা। বায়ার্নের এই ফরাসি মিডফিল্ডারই ৫৫ মিনিটে ইতালির জাল কাঁপান। রায়ান চেরকি ফ্রি-কিকে বল বাড়িয়ে দিলে ওলিসে বুলেট গতির শটে ঠিকানা খুঁজে নেন।
সেই লিড ধরে রাখতে পারেনি ফ্রান্স। ৬৮ মিনিটে বক্সের বাইরে ফরাসি ফুটবলার লুকা দা কুনহা নিয়ন্ত্রণ হারালে বল পেয়ে বাস্তোনি আগুয়ান গোলরক্ষক মাইক মাইগনানকে পরাস্ত করেছেন। বাকি সময়ে একাধিক সুযোগ তৈরি করেও ফ্রান্স আর গোল পায়নি। উল্টো ৮৫ মিনিটে কিনকে ফাউল করায় উপামেকানো দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। ১০ দলের ফ্রান্স জিদানের অধীনে প্রথমবার জয়হীন থাকল। যদিও তিন ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে ‘এ’ লিগের এক নম্বর গ্রুপের শীর্ষে ফ্রান্স এবং ইতালি ৪ পয়েন্ট তিনে আছে।
