
নেপালে
ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে মৃত্যুর সংখ্যা ৪৬৯ জনে পৌঁছানোর দুই দিন পর
সীমান্তের তিব্বত অংশে ফের একটি বাঁধ ভেঙে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এতে নতুন
করে বন্যার আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় উদ্ধারকর্মী ও সাধারণ মানুষকে দ্রুত নিরাপদ
স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে নেপাল।
নেপাল পুলিশের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তিব্বত অংশে আবারও একটি পানির বাঁধ ভেঙে যাওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।
উদ্ধার
ও ত্রাণকাজে নিয়োজিত সব নিরাপত্তাকর্মী, উদ্ধারকর্মী এবং সাধারণ মানুষকে
সতর্ক থাকতে এবং দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এদিকে
নতুন করে বন্যার ঝুঁকি থাকায় তিব্বতে উদ্ধার অভিযান সাময়িকভাবে স্থগিত
করেছে চীন। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।
চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম
সিসিটিভি জানিয়েছে, চীন-নেপাল সীমান্তে ভূমিধসের পর বিপুল পরিমাণ কাদা ও
ধ্বংসাবশেষ জমে একটি হ্রদের মতো জলাধার তৈরি হয়েছে। সেই জলাধারের পানি এখন
উপচে উদ্ধারকারী দলগুলোর যাওয়ার পথে থাকা এলাকায় প্রবাহিত হতে শুরু করেছে।
এ
কারণে সব উদ্ধারকারী দলকে নিজ নিজ অবস্থানে অপেক্ষা করতে এবং পরবর্তী
নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত অভিযান বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। যেসব জরুরি
উদ্ধারকারী দল এরই মধ্যে দুর্গত এলাকায় পৌঁছেছিল, তাদেরও সেখান থেকে প্রায়
এক কিলোমিটার দূরে সরে যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার তিব্বতের
সীমান্তবর্তী গিরং এলাকায় বিপুল পরিমাণ কাদা ও ধ্বংসাবশেষের স্রোত আঘাত
হানার পর ওই জলাধার তৈরি হয়। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি শত শত মানুষ
নিখোঁজ রয়েছেন।
এর আগে হিমবাহ ধসে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় নেপালে ব্যাপক
প্রাণহানি ঘটে। দুই দিন পরও নতুন করে বাঁধ ভাঙা ও জলাধারের পানি উপচে পড়ায়
উদ্ধারকাজ আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।
সূত্র: এনডিটিভি
