
ডারউইন
টেস্টের প্রথম দিনে স্টিভেন স্মিথকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল নাটকীয় মুহূর্ত।
ব্যক্তিগত ২ রানে তানজিদের হাতে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে বেঁচে যাওয়ার পর আবারও
আউটের খুব কাছে গিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যান। তবে শেষ পর্যন্ত
প্রযুক্তির সৌজন্যে বেঁচে যান তিনি।
অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসের ২১তম ওভারে
ইবাদত হোসেনের করা একটি বলে স্মিথের ব্যাটের কানায় লেগে উইকেটকিপার লিটন
দাসের হাতে জমা হয়। আম্পায়ার কুমার ধর্মসেনা আউট না দেওয়ায়, রিভিউ নেয়
বাংলাদেশ। কিন্তু আলট্রাএজে কোনো স্পাইক না থাকায় সিদ্ধান্ত বদলায়নি। এর
মধ্যেই স্মিথ নিজে ড্রেসিংরুমের দিকে হাঁটা শুরু করেছিলেন। পরে অবশ্য ফিরে
আসেন।
দিন শেষে সংবাদ সম্মেলনে সেই ঘটনা নিয়ে স্মিথ বলেন, ‘আমারও মনে
হয় হ্যাঁ, লেগেছিল... হাসি। মাঝেমধ্যে এমন হয়। আমি কিছু একটা অনুভব করেছি।
যদি আউট দিত, চলে যেতাম। কিন্তু মনে হচ্ছে প্রযুক্তি আমাকে আজ বাঁচিয়ে
দিয়েছে।’
প্রযুক্তির এই সিদ্ধান্তই শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার জন্য
গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। জীবন পাওয়া স্মিথ খেলেন ৭১ রানের ইনিংস, যা দলের
প্রথম ইনিংসে সর্বোচ্চ। যদিও বাংলাদেশের দুর্দান্ত পেস আক্রমণের সামনে ১৯৮
রানেই গুটিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া।
দিনের শেষে অবশ্য বাংলাদেশের বোলারদের
প্রশংসাই করেছেন স্মিথ। তাঁর ভাষায়, ‘আমার মনে হয় সব বোলাররাই খুব ভালো বল
করেছে। ব্যাটসম্যানদের জন্য চ্যালেঞ্জ ছিল। বল একটু সিম করছিল, তারা বেশ
ভালো লেংথে বল করেছে ও আমাদের ডিফেন্সকে চাপে ফেলেছে। আমার মনে হয়েছে,
তাদের সব বোলারই আজ বেশ ভালো বোলিং করেছে।’
শেষ পর্যন্ত স্মিথের ৭১ রান
অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসকে লম্বা করে। তবে, দিনটি ছিল বাংলাদেশের পেসারদের।
হাসান মাহমুদ ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করেন তুলে নেন ৫৫ রানে ৬ উইকেট। বাকি
দুই পেসার তাসকিন আহমেদ ও ইবাদত হোসেন বাকি চার উইকেট সমান ভাগে ভাগ করে
নেন।
