
নিজস্ব প্রতিবেদক: কুমিল্লায় স্বাস্থ্য বিভাগের অভিযানে সাময়িকভাবে বেসরকারি স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠান প্রাইম হাসপাতাল ও ডেল্টা হাসপাতাল নামে দুইটি প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া এভারগ্রিন হাসপাতাল ও মিশন হাসপাতালের ল্যাব বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে আভিযানিক দল। এছাড়া অনিয়মের অভিযোগে জননী ডায়াগনস্টিক নামে একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কার্যক্রমও বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এই অভিযান পরিচালনা করেন কুমিল্লা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার শফিকুল ইসলাম ও ওসমান হোসেন জাবির।
অভিযানে মেডিকেল অফিসারগণ চারটি হাসপাতালের নিবন্ধন, পরীক্ষা নিরীক্ষার আবেদন ও অনুমোদন পত্র, রোগী থাকার কক্ষ, প্যাথলজি, অপারেশন থিয়েটারসহ সকল সেবাসমূহ যাচাই করেন। এসময় এই চারটি হাসপাতালের বিষয়ে ব্যবস্থা নেন মেডিকেল টীম।
মেডিকেল অফিসার ওসমান হোসেন জাবির বলেন, কুমিল্লা নগরীর রেসকোর্স এলাকায় প্রাইম হাসপাতালটি অনুমোদন ব্যতীত ঠিকানা পরিবর্তন করেছে এবং ডেল্টা হাসপাতাল তাদের নিবন্ধনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে পারেন নি বিধায় তাদেরকে সাময়িক ভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া রেসকোর্স এলাকার মিশন হাসপাতাল ও এভারগ্রীন হাসপাতালের ল্যাবে অননুমোদিত পরীক্ষা নিরীক্ষা করানোর প্রমান মেলায় তাদের ল্যাব দু'টি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত তারা মেডিকেল টিমের জারিকৃত আদেশ মান্য করবেন।
মেডিকেল অফিসার শফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা চাই স্বাস্থ্য বিভাগের অভিযানের হাসপাতাল গুলিতে কর্তব্যরত চিকিৎসকগণ সহযোগিতা করবেন। আমাদের অভিযান কোন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে নয় আমাদের অভিযান প্রতিষ্ঠান পরিচালনার অনিয়ম ও পদ্ধতির বিরুদ্ধে। চিকিৎসকদের উচিত যে কোন প্রতিষ্ঠানে প্র্যাকটিস করার আগে সে প্রতিষ্ঠানের সকল ধরনের বৈধতা আছে কিনা তা যাচাই করে সেখানে যাওয়া। এতে স্বাস্থ্য বিভাগ সকল ক্লিনিক ও হাসপাতালগুলোতে শতভাগ আইন মানাতে পারবে।
