টেলরকে শেষটা রাঙাতে দিতে চায় না বাংলাদেশ
Published : Saturday, 1 January, 2022 at 12:00 AM
বাংলাদেশের
বিপক্ষে দুটি ম্যাচ খেলেই টেস্ট ক্রিকেটকে বিদায় জানাচ্ছেন রস টেলর।
স্বাভাবিকভাবেই মুমিনুলদের বিপক্ষে এই সিরিজ রাঙাতে চাইবেন তিনি। কিন্তু
নিউজিল্যান্ডের অভিজ্ঞ এই ব্যাটারকে সেই সুযোগ দিলে তো! বাংলাদেশের প্রধান
কোচ রাসেল ডমিঙ্গো মনে করেন, তার শিষ্যরা টেলরকে সেই সুযোগ দেবে না।
৩৭
বছর বয়সী টেলর কিউইদের হয়ে খেলেছেন ১১০টি টেস্ট। ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট
খেলেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে। পার্থে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষেই ক্যারিয়ার
সর্বোচ্চ ২৯০ রানের ইনিংস খেলেছেন। ১১০ টেস্টে ৪৪.৮৭ গড়ে ৭ হাজার ৫৮৪ রান
আছে তার। ১৯ সেঞ্চুরির সঙ্গে তার নামের পাশে আছে ৩৫ ফিফটি। বাংলাদেশের
বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকেও বিদায় জানাবেন পুরোপুরি।
তার আগে অস্ট্রেলিয়া ও নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে খেলবেন মোট ৬টি ওয়ানডে।
তাই
বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের আগে টেলরকে নিয়ে বাংলাদেশের প্রধান কোচ
রাসেল ডমিঙ্গো বলেছেন, ‘এখনও কিছু ক্রিকেট তার বাকি আছে, এই সিরিজে যেমন।
তবে অনেক বোলারই খুশি হবে, সামনে তাকে আর বল করতে হবে না। গত ১০-১২ বছর ধরে
সে দারুণ ধারাবাহিক। আমরা নিশ্চিত করার চেষ্টা করবো, তার বিদায় যেন খুব
ভালো না হয়। তবে আমরা জানি, তাকে আউট করতে হলে সামনের কয়েকদিন ভালো বল করতে
হবে। কারণ, শেষটা সে ভালো করতে মুখিয়ে থাকবে। ভালো মানের সব ক্রিকেটারই
চায় চূড়ায় থেকে শেষটা করতে এবং মাথা উঁচু করে বিদায় নিতে। সে অবশ্যই চেষ্টা
করবে সামনের দুই সপ্তাহে বড় স্কোর করতে।’
নিউজিল্যান্ডের কঠিন কন্ডিশনে
আরেকবার কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। কিন্তু ডমিঙ্গোর
কথা থেকে বোঝা গেলো, প্রথম টেস্ট শুরুর আগে কিছু ইতিবাচক দিক খুঁজে নিচ্ছেন
তিনি, ‘মাস দুয়েক ধরে খুব কঠিন সময় যাচ্ছে, সন্দেহ নেই। টেস্ট ম্যাচে আমরা
দল হিসেবে উন্নতি করছি। ফলাফলে হয়তো সেই প্রতিফলন নেই, তবে টেস্ট ম্যাচে
আগের চেয়ে ভালো করছি। আমাদের দু-একজন বড় ক্রিকেটার এখানে নেই, যা খুব একটা
আদর্শ অবস্থা নয়। তবে অনেক ইতিবাচক দিকও আছে। অনেক তরুণ ক্রিকেটার এখানে
এসেছে, যারা নিউজিল্যান্ডে খুব একটা টেস্ট খেলেনি। আগের পারফরম্যান্সের
ক্ষত তাই তাদের থাকবে না। বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখতে হবে। আমরা জানি,
এখানে টেস্ট ম্যাচে আমাদের রেকর্ড ভালো নয়। তবে আমরা রোমাঞ্চিত যে তরুণদের
সামনে ভালো সুযোগ পারফর্ম করার।’
গত মার্চেও নিউজিল্যান্ড সফরে পাওয়া
যায়নি সাকিবকে। ব্যক্তিগত কারণে এই সিরিজেও তিনি অনুপস্থিত। তাকে না
পাওয়াটা বড় শূন্যতা হিসেবে দেখছেন এই কোচ, ‘সাকিবকে না পাওয়া অবশ্যই বড়
ক্ষতি। বিশ্বের সেরা অলরাউন্ডারদের একজন সে। দলের ব্যালান্সও দারুণ হয় তাকে
পেলে। সে শীর্ষ ছয়ে ব্যাট করে এবং বিশেষজ্ঞ বোলার। এরকম খুব বেশি কেউ নেই।
তাকে না পাওয়া তাই বড় শূন্যতা। তবে এটি তরুণদের জন্য সুযোগ।’