বুধবার ● ২৮ অক্টোবর ২০২৬
১২ কার্তিক ১৪৩৩
কুবি শিক্ষার্থী ফারজানার মৃত্যুতে সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা, স্বামী গ্রেপ্তার
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০০ এএম আপডেট: ২৭.১০.২০২৬ ১:২৬ এএম |

কুবি শিক্ষার্থী ফারজানার মৃত্যুতে সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা, স্বামী গ্রেপ্তারকুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী ফারজানা ইসলামের মৃত্যুতে আত্মহত্যায় প্ররোচণার অভিযোগে স্বামীসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। গত রোববার রাতে ফারজানার বাবা রফিকুল ইসলাম ফতুল্লা মডেল থানায় মামলাটি করেন।
মামলার আসামিরা হলেন– ফারজানার স্বামী কুবির ফার্মেসি বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী নাজমুল আলম, আব্দুর রহিম, স্বামীর বোন আফরোজা বেগম, স্বামীর ভাইয়ের স্ত্রী সায়মা আক্তার, স্বামীর ভাই রাসেল, সাইফুল আলম ও শাশুড়ি রোকেয়া বেগম। এ ঘটনায় স্বামী নাজমুলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।‎
ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মাহাবুব আলম জানান, এজাহারভুক্ত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
‎এজাহারে বলা হয়, ২০২৩ সালে পারিবারিকভাবে নাজমুলের সঙ্গে ফারজানার বিয়ে হয়। পরে নাজমুল মুন্সীগঞ্জে চাকরি পেয়ে সেখানে বাসা নেন। ফারজানা বিশ্ববিদ্যালয়ের হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা করতেন। ‎বাদীর অভিযোগ, বিয়ের পর সামর্থ্য অনুযায়ী জামাতাকে বিভিন্ন জিনিসপত্র ও টাকা দিয়ে সহযোগিতা করতেন তিনি। নাজমুল চাকরি পাওয়ার পর সেই সহযোগিতা কমিয়ে দিলে আসামিরা ফারজানার কাছে যৌতুক দাবি করে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করেন। পারিবারিকভাবে সমাধানের চেষ্টা ব্যর্থ হলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আদালতে একটি মামলা করা হয়। পরে সমঝোতার মাধ্যমে তাঁরা আবার সংসার শুরু করেন। দুই মাস আগে নাজমুল একটি ফার্মাসিউটিক্যালসে এক্সিকিউটিভ পদে চাকরি পেয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ভূইগড় এলাকায় বাসা ভাড়া নেন। গত ২০ অক্টোবর ফারজানা ওই বাসায় যান। ঘটনার দিন বিকেলে নাজমুলের বোনের স্বামী বাদীর ছেলেকে ফোন করে আগের যৌতুকের মামলার বিষয়ে জানতে চান। পরে রাত ৯টার দিকে তিনি রফিকুল ইসলামকে ফোন করে ফারজানার মৃত্যুর খবর জানান।
‎বাদী এজাহারে উল্লেখ করেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে আশপাশের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে তিনি জানতে পারেন, আদালতে করা মামলা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর কথা কাটাকাটি হয়েছিল। ‎
‎পুলিশ জানায়, গত শনিবার রাত ১টার দিকে ভূইগড়ের কবরস্থান রোডের একটি বাড়ির দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাট থেকে ফারজানার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। কক্ষ থেকে একটি চিরকুটও উদ্ধার করা হয়েছে। চিরকুটে স্বামীর নির্যাতনের অভিযোগের কথা উল্লেখ ছিল। ফারজানা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরের মুসল্লি বাড়ির রফিকুল ইসলামের মেয়ে।

















http://www.comillarkagoj.com/ad/1752266977.jpg
Loading...
Loading...
Follow Us
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩, +৮৮ ০১৭১১ ৯৯৭৯৬৯, +৮৮ ০১৯৭৯ ১৫২৪৪৩, ই মেইল: [email protected]
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০২২