কুমিল্লার মুরাদনগরে মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধি ও অভ্যন্তরীণ জলাশয়ের উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সরকারি উদ্যোগে বিভিন্ন জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের রাজস্ব বাজেটের আওতায় উপজেলার ৮টি নির্বাচিত প্রাতিষ্ঠানিক ও অভ্যন্তরীণ জলাশয়ে সর্বমোট ২৮৬ কেজি বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা ছাড়া হয়।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দিনব্যাপী উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের ব্যবস্থাপনায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ.বি.এম. সারোয়ার রাব্বী।
উপজেলা মৎস্য কার্যালয় জানায়, মাছের প্রজনন ও বংশবৃদ্ধির সুবিধার্থে ১০ থেকে ১৫ সেন্টিমিটার আকারের কাতলা, মৃগেল, কালবাউশ ও ঘানিয়াসহ বিভিন্ন কার্পজাতীয় মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে।
মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলা পরিষদ পুকুরে ৬০ কেজি, মুরাদনগর থানার পুকুরে ৪০ কেজি, নবিয়াবাদ আলহাজ আব্দুল ওয়াদুদ সরকার কামিল মাদ্রাসার পুকুরে ৪০ কেজি, চৌধুরীকান্দি জামে মসজিদ পুকুরে ৩০ কেজি, জাহাপুর কমলাকান্ত একাডেমি অ্যান্ড কলেজের পুকুরে ৩০ কেজি, রামচন্দ্রপুর উত্তর কাছারি বাড়ি পুকুরে ৩০ কেজি, কাজী নোমান আহমেদ ডিগ্রি কলেজের পুকুরে ৩০ কেজি এবং বাদিউল আলম ডিগ্রি কলেজের পুকুরে ২৬ কেজি মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।পোনা অবমুক্তকরণকালে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুমন লাল দেবনাথ, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মাহফুজ আলম জনি, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম এবং উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সুফি আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক আহমেদ বাদশা, উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাজিম উদ্দিনসহ স্থানীয় প্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের ব্যক্তিরা কর্মসূচিতে অংশ নেন।
