সোমবার ২৭ জুলাই ২০২৬
১২ শ্রাবণ ১৪৩৩
শাহ আলী মার্কেট থেকে ২৭০ ভরি স্বর্ণ চুরি, লাপাত্তা পাঁচ প্রহরী
প্রকাশ: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১:১৩ এএম |


রাজধানীর মিরপুরের শাহ আলী শপিং কমপ্লেক্সের দুটি গয়নার দোকান থেকে ২৭০ ভরি স্বর্ণালংকার চুরি হয়েছে। ঘটনার পর থেকে নিখোঁজ রয়েছেন মার্কেটের পাঁচ নিরাপত্তা প্রহরী।
দারুস সালাম থানার পুলিশ বলছে, রোববার ভোর ৫টা ৫৬ মিনিটের দিকে ওই চুরির ঘটনা ঘটে বলে তারা ধারণা করছে।
শাহ আলী শপিং কমপ্লেক্সের দ্বিতীয় তলায় থাকা আল রাজ্জাক জুয়েলার্স ও এ হোসেন জুয়েলার্স থেকে স্বর্ণালংকারগুলো চুরি হয়। দোকান দুটির মালিক যথাক্রমে মো. জসিম উদ্দিন ও আবুল হোসেন।
দারুস সালাম থানার ওসি মো. দুলাল হোসেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, প্রাথমিকভাবে প্রায় ২৭০ ভরি স্বর্ণালংকার চুরি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
"এটি একটি সুপরিকল্পিত চুরির ঘটনা। প্রাথমিক তদন্তে আমরা জানতে পেরেছি, মার্কেটের নিরাপত্তা প্রহরীর দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরাই এ ঘটনায় জড়িত। তাদের সঙ্গে আরও তিন থেকে চারজন অজ্ঞাত ব্যক্তি ছিল।"
ওসি বলেন, মার্কেটের নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি জুয়েলারি দোকানগুলোর পক্ষ থেকেও একজন নিরাপত্তাকর্মী নিয়োজিত ছিলেন। তাকে মিষ্টির সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে খাইয়ে অচেতন করে রাখা হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
আল রাজ্জাক জুয়েলার্সের মালিক মো. জসিম উদ্দিন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, সিসিটিভি ভিডিওতে মার্কেটের নিরাপত্তা প্রহরীদের ‘চুরিতে অংশ নিতে’ দেখা গেছে।
"আমার দোকান থেকে প্রায় ২০০ ভরি এবং পাশের দোকান থেকে প্রায় ৭০ ভরি স্বর্ণালংকার নেওয়া হয়েছে।"
এ ঘটনায় দারুস সালাম থানায় একটি মামলা হয়েছে। তবে রোববার রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। চুরি হওয়া কোনো স্বর্ণালংকারও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।
ওসি দুলাল হোসেন বলেন, "ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।"













http://www.comillarkagoj.com/ad/1752266977.jpg
Loading...
Loading...
Follow Us
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩, +৮৮ ০১৭১১ ৯৯৭৯৬৯, +৮৮ ০১৯৭৯ ১৫২৪৪৩, ই মেইল: [email protected]
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০২২