সোমবার ২৭ জুলাই ২০২৬
১২ শ্রাবণ ১৪৩৩
হাম নিয়ে ‘উচ্চ ঝুঁকিতে’ বাংলাদেশ: ডব্লিউএইচও
প্রকাশ: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০২ এএম আপডেট: ২৫.০৪.২০২৬ ১:২১ এএম |



  হাম নিয়ে ‘উচ্চ ঝুঁকিতে’ বাংলাদেশ: ডব্লিউএইচওবাংলাদেশ হাম নিয়ে ‘উচ্চ ঝুঁকিতে’ রয়েছে বলে মনে করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। রোগটি ছড়িয়ে পড়া এবং সৃষ্ট স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। 
বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে বাংলাদেশের হাম পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, যেখানে সরকারকে বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছে তারা।
হাম পরিস্থিতি নিয়ে গত ৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ‘ন্যাশনাল আইএইচআর ফোকাল পয়েন্ট’ যেসব তথ্য সরবরাহ করেছে, মূলত তার ভিত্তিতেই প্রতিবেদনটি তৈরি করে জাতিসংঘের এ সংস্থা।
বাংলাদেশ কেন ‘উচ্চ ঝুঁকিতে’ সেই কারণ তুলে ধরতে গিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখানে একাধিক বিভাগে সংক্রমণ ক্রমাগত ছড়িয়ে পড়ছে।
রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার ঘাটতি এবং হামের উপসর্গ নিয়ে একের পর এক মৃত্যুর ঘটনাও তারা কারণ হিসেবে তুলে ধরেছে।
ডব্লিউএইচও বলেছে, আক্রান্তদের বড় অংশের টিকা নেওয়া ছিল না। কারো কারো আবার প্রথম ডোজ নেওয়া, দ্বিতীয় ডোজন নেওয়া হয়নি।
আগের অর্থবছরে দেশে এমআর টিকার ঘাটতি এবং পাঁচ-ছয় বছর ধরে দেশব্যাপী সম্পূরক টিকাদান কর্মসূচি অনিয়মিত হয়ে পড়া কারণেও ঝুঁকি বেড়েছে।
গত ১৫ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দেশে হামে আক্রান্ত হয়ে ৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, যাদের প্রায় সবাই শিশু। সবচেয়ে বেশি মৃত্যু ঢাকা বিভাগে; ২৫ জন।
এছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ১৯৪ জন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৯০ জন ঢাকা বিভাগে মারা গেছে; আর ৬৬ জন রাজশাহী বিভাগের।
সংক্রমণের এসব হিসাব তুলে ধরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, আট বিভাগের ৫৮টি জেলায় হাম ছড়িয়েছে। আক্রান্তদের অধিকাংশের বয়স পাঁচ বছরের কম।
সংস্থাটির পর্যবেক্ষণ বলছে, বাংলাদেশের পাশাপাশি আঞ্চলিক পর্যায়ও (দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া) 'উচ্চ ঝুঁকিতে’ রয়েছে; আর বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে এই ঝুঁকি 'মাঝারি' পর্যায়ের।
ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে দীর্ঘ সীমান্ত এবং মানুষের অবাধ যাতায়াত আন্তঃসীমান্ত সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলছে বলে প্রতিবেদনে বলেছে ডব্লিউিএইচও।
বিশেষ করে যশোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের মতো সীমান্ত এলাকাকে 'হটস্পট' হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
হাম মোকাবেলার পরামর্শ হিসেবে দেশের অন্তত ৯৫ শতাংশ অঞ্চলকে টিকার আওতায় আনার কথা বলেছে সংস্থাটি।
সঙ্গে বলেছে, সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বাড়াতে হবে, যেন বিদেশ থেকে সংক্রমিত কেউ এলে দ্রুত শনাক্ত করা যায়। হাসপাতালে আইসোলেশন ও সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা জোরদারের কথাও বলা হয়েছে।
স্বাস্থ্যকর্মী, পর্যটন ও পরিবহন খাতের কর্মীদের মতো ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠীকে টিকার আওতায় আনা জরুরি বলেও মনে করে সংস্থাটি।
















http://www.comillarkagoj.com/ad/1752266977.jpg
Loading...
Loading...
Follow Us
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩, +৮৮ ০১৭১১ ৯৯৭৯৬৯, +৮৮ ০১৯৭৯ ১৫২৪৪৩, ই মেইল: [email protected]
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০২২