
নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে ২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১৪
হাজার ৯৯১ জন শিক্ষার্থী। যা গত ৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। কুমিল্লা
বোর্ডের অধীনে কুমিল্লা, নোয়াখালী, ফেণী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর এই পাঁচ
জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি জিপিএ-৫ পেয়েছেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ।
এই কলেজ থেকে উত্তীর্ণ ১ হাজার ১৮৮জন শিক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন
৭শ ৭৯ জন। এরপরেই আছে ফেণী সরকারি কলেজ থেকে উত্তীর্ণ ১ হাজার ২৩৮জন
শিক্ষার্থীদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৫শ ৩০ জন, ইস্পাহানি পাবলিক স্কুল
এন্ড কলেজের উত্তীর্ণ ৭শ ৭৭ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৫শ ১৬
জন। নোয়াখালী সরকারি কলেজের উত্তীর্ণ ৯শ ৮১ জনের মধ্যে ৪শ ৭৬ জন,
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে উত্তীর্ণ ৮শ ৪৪ জনের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪শ
২৩জন, কুমিল্লার অধ্যাপক আব্দুল মজিদ কলেজের উত্তীর্ণ ৭শ ৪জনের মধ্যে ৪শ
১২জন, কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ১হাজার ৬৯ জনের মধ্যে ৩শ ৯৭জন, সোনার
বাংলা কলেজের ৪শ ২১ জনের মধ্যে ৩শ৯৬ জন, জুরানপুর আদর্শ কলেজের ৫শ ৬১ জনের
মধ্যে ৩শ ৮৩ জন এবং পারুয়ারা আবদুল মতিন খসরু কলেজের ৫শ ৬১ জনের মধ্যে ৩৮৩
জন জিপিএ-৫ পেয়েছেন। এছাড়াও আরো অন্যান কলেজ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক জিপিএ-৫
পেয়েছেন।
এদিকে প্রচুর শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পাওয়াকে তাদের যোগ্যতার
প্রমান বলে মন্তব্য করেছেন কুমিল্লা মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের
চেয়ারম্যান প্রফেসর জামাল নাছের। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিয়ে
সর্বোচ্চ ভালো ফলাফল করেছে- এটা তাদের কষ্টের ফল। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে
যারা প্রচুর পরিমানে জিপিএ-৫ পাওয়া নিয়ে সমালোচনা করছেন আমি তাদেও
সমালোচনা করি। তারা কেন একটা শিক্ষার্থীর ভালো ফলাফল মেনে নিতে পারছেন না?
কুমিল্লা
শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এ বছর ৮৫
হাজার ৮৮০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। পরীক্ষায় ৭৭ হাজার ৯০৭জন শিক্ষার্থী
উত্তীর্ণ হয়েছেন। বোর্ডে শতভাগ পাস করেছে ৩৭টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।
ফলাফলে ছেলেদের চেয়ে এগিয়ে আছে মেয়েরা। এই বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮ হাজার
৭৫৭জন মেয়ে শিক্ষার্থী। মেয়েদের শতকরা পাশের হার ৯১দশমিক ৩৯ শতাংশ। ছেলেদের
পাসের হার ৮৯ দশমিক ৮৪ শতাংশ। বোর্ডে এবার বিজ্ঞান বিভাগে পাশের হার ৯৫
দশমিক ৭৯ শতাংশ। মানবিক বিভাগে ৮৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ ও ব্যবসায় শিক্ষায় পাশের
হার ৯১ দশমিক ১২ শতাংশ। কোন শিক্ষার্থী পাশ করেনি বোর্ডে এমন প্রতিষ্ঠান
রয়েছে ৫টি।
