সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪
৩১ আষাঢ় ১৪৩১
কষ্টার্জিত আমার স্বদেশ
শান্তিরঞ্জন ভৌমিক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২ জুলাই, ২০২৪, ১২:০১ এএম |


 কষ্টার্জিত আমার স্বদেশ
বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের জন্য তিনটি স্তর অতিক্রম করতে হয়েছে। পাকিস্তান আমলে ২৩ বছর আন্দোলন-হরতাল-সংগ্রাম করা হয়েছে ধারাবাহিকভাবে। শেষের দিকে অসহযোগ আন্দোলনের মাধ্যমে চূড়ান্ত অবস্থায় পৌঁছে মুক্তিযুদ্ধ তথা স্বাধীনতা যুদ্ধে অবতীর্ণ হতে হয়েছে। তিন স্তর তথা তিনটি তারিখ। ৭ মাচর্ ১৯৭১, ২৬ মার্চ ১৯৭১, ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রাথমিক ঘোষণা আসে ৭ মার্চ ১৯৭১। রমনা রেইস কোর্স ময়দানে দশ লক্ষাধিক জনতাকে সাক্ষী রেখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এ ঘোষণার সূচনা করেন। সেদিন জাতি সশস্ত্র যুদ্ধে অবতীর্ণ হতে প্রস্তুত ছিল। প্রত্যাশা ছিল, দাবী ছিল- এই ময়দানের জনসভা থেকেই সরাসরি যুদ্ধ ঘোষিত হবে। কৌশলগত কারণে তা হয়নি। কারণ, বিজয়ী সংখ্যাগরিষ্ঠ আওয়ামী লীগ জনগণ নির্বাচিত গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। বিশ^ তখন বঙ্গবন্ধুর দিকে তাকিয়ে আছে। তাঁর নেতৃত্বের কারিশমায় দেশবাসীসহ বিশ^ রাজনৈতিক মহল বিস্ময় নিয়ে তাকিয়ে আছে। তিনি কীভাবে এগিয়ে যাচ্ছেন, তা পর্যবেক্ষণ করছে।
তারপরও ৭ মার্চ ১৯৭১ পরোক্ষভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করলেন এবং স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ ঘোষণা করলেন। বললেন-
* ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোল।
* তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে প্রস্তুত থাক।
* রক্ত যখন দিয়েছি রক্ত আরও দিব, এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব, ইনশাআল্লাহ।
এবং
* এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম।
* এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। জয় বাংলা।
তাহলে স্বাধীনতার জন্য ঘোষণার বাকী রইলো কোথায়? ঘোষণা দিলেই তো দেশ স্বাধীন হয় না? একই অবস্থানে পৌঁছে দিয়ে চূড়ান্তভাবে জানান দিতে হয় দেশ আজ থেকে স্বাধীন। ৭ মার্চ যদি স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম নয়, যুদ্ধ ঘোষিত হতো, তবে হয়ত বা এত লোক শহিদ হতো না।
কিন্তু ২৫ মার্চ ১৯৭১ যখন পাকহানাদার বাহিনী অতর্কিতে ঘুমন্ত বাঙালিকে হত্যা শুরু করল, তখন বঙ্গবন্ধু ২৬ মার্চ ১৯৭১ স্বাধীনতা ঘোষণা করলেন। বললেন, ‘‘ইহাই হয়ত আমার শেষ বার্তা, আজ হইতে বাংলাদেশ স্বাধীন।’’
৭ মার্চ ১৯৭১-এর বার্তা বা ভাষণ জাতি প্রত্যক্ষভাবে শুনেছে কিন্তু ২৬ মার্চ ১৯৭১ এর “আজ হইতে বাংলাদেশ স্বাধীন” এ কথাটি সরাসরি দেশবাসী শুনেনি। এ নিয়ে বিগত ৫২ বছর যাবত ধূম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে, কাগজে-পত্রে, দলিল-দস্তাবেজে, সংবিধানে সুরাহা হলেও জনমনে দ্বিধা বা প্রশ্ন থেকে গেছে।
২৫ মার্চ ১৯৭১ প্রকৃতপক্ষে সশস্ত্র যুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। তখন বাঙালি ছিল নিরস্ত্র, ছিল ঘুমন্ত। যুদ্ধ করার মানসিক প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও কীভাবে কখন যুদ্ধ শুরু করতে হবে তা জানা ছিল না। এজন্য নয়মাস ব্যাপী মুক্তিযুদ্ধ বা স্বাধীনতা যুদ্ধ করে সম্পূর্ণভাবে শত্রুমুক্ত করে স্বাধীনতা লাভ করতে হয়েছিল। একপক্ষ ছিল অস্ত্রধারী প্রশিক্ষিত যোদ্ধা, অন্যপক্ষ ছিল নিরস্ত্র সাধারণ জনগণ, মনে ছিল অদম্য সাহস, যুদ্ধ করার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত, কিন্তু প্রশিক্ষণ ছিল না, শৃঙ্খলা ছিল না, নির্দেশক ছিল না। এজন্য ২৬ মার্চ ১৯৭১ বাংলাদেশ স্বাধীন হলেও এই স্বাধীনতা সম্পূর্ণভাবে শত্রুমুক্ত ও শত্রুদের আত্মসমর্পণের মাধ্যমে ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ স্বাধীনতা লাভ বা অর্জন হয়।
স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে ৭ মার্চ ১৯৭১- কে স্বাধীনতা দিবস ঘোষিত দিবস হিসেবে মেনে নিলে অসুবিধা কোথায়? আবার ২৬ মার্চ ১৯৭১ যখন বঙ্গবন্ধু ঘোষণা দিলেন- “আজ হইতে বাংলাদেশ স্বাধীন”। সেদিন থেকেই কী আমরা স্বাধীন ছিলাম। অন্যদিকে ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ পাকহানাদারদের পরাজিত করে তখন সম্পূর্ণ স্বাধীনতার সাধ লাভ করলাম। তাহলে এ দিবসটি কী স্বাধীনতা দিবস বলা অযৌক্তিক। বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের তারিখ নিয়ে এখন হয়ত বিতর্কের সুযোগ নেই। কিন্তু মননচর্চায় যাপিত ধারণা বা যুক্তিকে দ্বিধাহীনভাবে মেনে নিতে গিয়ে এখনও এ প্রশ্নগুলো মনে উঁকি দেয়।
কারণ, বর্তমান প্রজন্ম বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস জানতে গিয়ে নানা বই-এ এবং নানাজনের ভাষ্য থেকে এ প্রশ্নটি তাদের মনে ভেসে বেড়ায়। তাদের প্রশ্ন হলো-
* ৭ মার্চ ১৯৭১ যখন বঙ্গবন্ধু ভাষণের শেষ বাক্যে বললেন- “এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।” তাহলে এই দিনই তো স্বাধীনতা দিবস।
*  আবার ২৬ মার্চ ১৯৭১ যখন বঙ্গবন্ধু তার বার্তায় ঘোষণা দেন- “আজ হইতে বাংলাদেশ স্বাধীন।” তাহলে নয় মাস যুদ্ধ কেন? তখন তিনি কেন বন্দী হয়ে পশ্চিম পাকিস্তানে, কেন প্রবাসী সরকার, কেন স্বাধীন দেশবাসী দেশত্যাগী এককোটি লোক শরণার্থী?
*  ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ শত্রুদের পরাজয়, আত্মসমর্পণ এবং শত্রুসৈন্য বন্দী ইত্যাদি হওয়ার পর বাংলাদেশ পুরোপুরি স্বাধীন হলো। প্রবাসী সরকার দেশে এলো, শরণার্থীরা ঘরে ফিরে এলো, নেতা তথা বঙ্গবন্ধুকে সসম্মানে তাঁর স্বাধীনদেশে মুক্তি দিয়ে পাঠিয়ে দিতে বাধ্য হলো। দেশের জনগণ সম্পূর্ণভাবে মুক্তির স্বাদ পেলো। প্রকৃত স্বাধীনতা বলতে যা বুঝায় তা তো ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ ই অর্জিত হলো। এদিনটিই স্বাধীনতা দিবস নয় কেন- এ কথা যখন বর্তমান প্রজন্ম জানতে চায়, তখন গ্রহণযোগ্য জবাবটি দিতে একটু দ্বিধাগ্রস্ত হতে হয়।
মুক্তিযোদ্ধারা তাঁদের যুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল দিকটি বর্ণনা দেন, স্বাধীনতার পূর্বাপর বিষয়গুলো তেমনভাবে ব্যাখ্যা দিতে পারেন না। ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১- ৩০ লক্ষ শহিদের আত্মত্যাগের কথা উল্লেখ আছে। জীবিত-আহত ৮০ হাজার মুক্তিযোদ্ধার কথা তখন স্বীকৃত নিবন্ধিত ছিল। এখন ৫০ বছর পর অনেক মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুর পরও দু’লক্ষ পঞ্চাশ হাজার সংখ্যাটি কোথা থেকে এলো, তারও তো সঠিক গ্রহণযোগ্য জবাব নেই।
এই যে মাতৃগর্ভ থেকে নতুন নতুন মুক্তিযোদ্ধা জন্ম লাভ করছেন, প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি এমন রসিকতা কেন? দায়িত্ব নিয়ে বলতে পারি, ১৯৭১ সালে আমি একটি বেসরকারি কলেজের অধ্যাপক ছিলাম। মুক্তিযুদ্ধকালীন নয়মাস ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে আশ্রয় নিয়েছিলাম, শরণার্থী ছিলাম, ভারতীয় রেডক্রস- এ দৈনিক বেতনে শরণার্থী শিবিরে চাকরিও করেছি, মুক্তিযোদ্ধাদেরকে দেখেছি, তাঁদের জীবনবাজী আত্মপ্রত্যয়ের অভিযান অবলোকন করেছি। গর্বে বুক ভরে গিয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কাজও করেছি, এ সংক্রান্ত সনদও রয়েছে। কিন্তু অস্ত্র নিয়ে শত্রু মোকাবেলা করিনি। তাই নিজকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে দাবীও করি না। আমি তো মুক্তিযোদ্ধাদের চিনি-জানি। যাদের নামের আগে পরবর্তীকালে ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ তকমা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ঘোষিত হয়ে ভাতাসহ নানা সুবিধা নিচ্ছেন তাদেরকে কোন সিংহাসনে বসতে দিব ভেবে পাই না। এই যে পরিক্রমা তার শেষ কবে হবে। প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা যখন এক সময় জান্নাতবাসী হবেন, তারপরও কী দ্রৌপদীর কাপড়ের মতো এরূপ পদবীধারীরা থেকে যাবেন? পত্রিকায় দেখলাম মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে আর আবেদন গ্রহণ এখন হবে না, আর থাকলে তো? যারা প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা তাঁদের ন্যুনতম বয়স ৭০/৭২ হতে পারে। তবে মুক্তিযুদ্ধকালীন মুক্তিযোদ্ধা হতে হলে তাঁকে ২০/২২ বছরের হতে হতো। কম বয়সীদেরকে ক্যাম্পে অন্য কাজে নিয়োজিত রাখা হতো। যুদ্ধের ময়দানে পাঠানো হতো না। তাঁদেরকে সহমুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সম্মান ও স্বীকৃতি দিতে হবে। তাঁদের ত্যাগকে ছোট করে দেখার অবকাশ নেই। কাজেই এই বিতর্কটির একটি গ্রহণযোগ্য সম্মানজনক সমাধান যদি রাষ্ট্র উদ্যোগ নিয়ে না করেন, তবে নিজেরাই নিজেদের কাছে ছোট হয়ে যাবো।
যে কথা বলছিলাম- ইতিহাস লেখা হবে সত্য ঘটনাকে সামনে রেখে। মনগড়া ইতিহাস সৃষ্টিকারীদের থামিয়ে না দিলে একদিন হয়ত বলা হবে, এদেশে কোনো মুক্তিযুদ্ধ হয় নাই। ১৯৭১ সাল ছিল ‘গণ্ডগোলের বছর’। অনেকে তাই বলতে চায়। বিষয়টি ছোট করে দেখার অর্থ হলো স্বাধীনতার অর্জনকে অস্বীকার করা।
এমনিতেই স্বাধীন বাংলাদেশে বাস করে সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করে ‘জয় বাংলা’ উচ্চারণ করে না, জাতির পিতা হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বীকার করে না, সংবিধানের চার স্তম্ভকে ভেঙে অস্তিত্বহীন করে দিয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকার ছাড়া অন্য মতাদর্শের সরকার যখন দেশ পরিচালনা করেছিল, তারা বাংলাদেশের সকল অর্জনকে বিতর্কিত করে গেছে। তারা জাতীয় পতাকা, জাতীয় সঙ্গীত পরিবর্তনের চেষ্টা করেছে। দৃশ্যত তা করতে না পারলেও অন্তর্গত মনোজগতে বিষটুকু রোপণ করে গেছে। এজন্যই হয়ত বা জাতি ও সম্প্রদায় একাকার হয়ে গেছে। তখনই ভাবি আমাদের ভবিষ্যৎ কি? তারপর কী হবে, হতে পারে ইত্যাদি।
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে অর্থাৎ স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারত সরকার সরাসরি সর্ববিষয়ে সহযোগিতা করেছিলেন, তা অস্বীকার করা হবে অকৃতজ্ঞতা। অথচ কালপ্রবাহে বর্তমান বাংলাদেশে কতিপয় রাজনৈতিক দল ও সাম্প্রদায়িক মনোভাবাপন্ন ব্যক্তিরা ভারতকে এক নম্বর শত্রু হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে ভারতীয় পণ্য বর্জন, ভারতের সাথে সকল সম্পর্ক ছিন্নকরণ, এমনকি কোনো কোনো কট্টরপন্থী সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী ঘোষণা দিয়েছে যে কোনো মুসলমান যেন হিন্দুদের কাছ থেকে কোনো কিছু কেনাকাটা না করে ইত্যাদি। এটা কোন আলামত। আমার বন্ধু ১৫/২০ বছর আগে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে, বাংলাদেশে থাকবে না, ভারতে চলে যাবে। প্রায় চলেই গিয়েছিল। বছর খানিক সময় থেকে আবার টাকাপয়সা সব নিয়ে বাংলাদেশে চলে আসে। পরিচিত আমরা অবাক হলাম। একদিন তাকে জিজ্ঞাসা করলাম- কেন গিয়েছিলে, আবার ফিরে আসলেই বা কেন? সে হাসতে হাসতে বলল- “ভারতে গিয়ে যে জিনিষপত্র কিনে খাই-পরি-ব্যবহার করি তা তো বাংলাদেশেই সহজে পাওয়া যায়। তাই ভাবলাম স্বদেশ অর্থাৎ মাতৃভূমিতে থাকাই পরম স্বর্গীয় সুখ। ফিরে এলাম। যে যেভাবেই ভাবুক, আমি ভালো আছি, সুখে আছি।” আমার তখন তৃতীয় চক্ষুর জন্ম হলো। আমরা মাতৃগর্ভ থেকে ভূমিষ্ট হই যেখানে, এটাই মাতৃভূমি, জন্মভূমি। জননী ও জন্মভূমি স্বর্গের চেয়েও শ্রেষ্ঠ। আমার সুখ, আমার তৃপ্তি, আমার প্রাপ্তি কেড়ে নেবার শক্তি কি কারও আছে? যারা মানসিক সংকটে আছে, তাদেরই কষ্ট বেশি। তাদের জন্য দুঃখ হয়।
লেখক : বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক এবং উপদেষ্টা, যাত্রী সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন, কুমিল্লা।













সর্বশেষ সংবাদ
আমার বাসার কাজের লোক ৪০০ কোটি টাকার মালিক
কুবি শিক্ষার্থীদের গণপদযাত্রা ও স্মারক লিপি প্রদান
ব্রাহ্মণপাড়ায় পৃথক অভিযানে ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
ফাঁস হওয়া প্রশ্নে যারা চাকরিতে, তাদেরও ধরা উচিত: প্রধানমন্ত্রী
মহানগর ছাত্রলীগ ‘শান্তি সমাবেশ’
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
কুমিল্লা নগরীতে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতিকে কুপিয়ে জখম
ভাত খেতে চাওয়ায় শিশুকে মেরে ফেললেন সৎ মা!
কুমিল্লায় বৃক্ষমেলা উদ্বোধন আজ
পুলিশ সুপারের কাছে চাওয়া
কোটা আন্দোলন নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
Follow Us
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩, +৮৮ ০১৭১১ ৯৯৭৯৬৯, +৮৮ ০১৯৭৯ ১৫২৪৪৩, ই মেইল: [email protected]
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০২২ | Developed By: i2soft