মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪
১ শ্রাবণ ১৪৩১
ভারতের লোকসভা নির্বাচন ও বাংলাদেশের বিভ্রান্ত বিরোধী দল
আবদুল মান্নান
প্রকাশ: শনিবার, ১৫ জুন, ২০২৪, ১:৩৬ এএম |


 ভারতের লোকসভা নির্বাচন ও বাংলাদেশের বিভ্রান্ত বিরোধী দল
১৯ এপ্রিল শুরু হয়ে ১ জুন শেষ হয়েছে ভারতের সংসদের নি¤œকক্ষ লোকসভার নির্বাচন। প্রায় চল্লিশ দিন ধরে চলা এই নির্বাচনে ভারতের জনগণ লোকসভায় তাদের ৫৪৩ জন প্রতিনিধি নির্বাচন করেছেন। নির্বাচনে ভোট দেওয়ার জন্য তালিকায় লিপিবদ্ধ ছিলেন প্রায় ৯৭ কোটি ভোটার। এত বিশাল সংখ্যক ভোটার বিশ্বের মোট জনসংখ্যার আনুমানিক এক-অষ্টমাংশ। ভারতের ভোটযজ্ঞ সারা বিশ্বে এক অতুলনীয় কর্মযজ্ঞ। ৪ জুন নির্বাচনি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। ৯ তারিখ বিজেপি শরিক দলগুলোকে নিয়ে সরকার গঠন করেছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তৃতীয়বারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী প-িত জওহারলাল নেহরুকে ছুঁয়েছেন (১৯৪৭-১৯৬৪)। মোদির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে পাকিস্তান ছাড়া সব সার্কভুক্ত সরকার প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন। এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতি ছিল বেশ উজ্জ্বল ও নানা কারণে তাৎপর্যপূর্ণ।
ভারতের রাজনীতি নিয়ে বাংলাদেশের সরকারি দল বা বিরোধী দল সবারই এক ধরনের আগ্রহ থাকে, এবারও তার ব্যতিক্রম ছিল না। ২০১৪ সালে বিজেপি কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ জোটকে পরাজিত করে প্রথমবার সরকার গঠন করে তখন বাংলাদেশে বিএনপি মিষ্টি বিতরণ করে উল্লাস প্রকাশ করেছিল। তাদের ধারণা আওয়ামী লীগ যেহেতু সবসময় কংগ্রেসের কাছের দল ছিল, এবার বিজেপি ক্ষমতায় আসার কারণে তাদের সেই সম্পর্ক আর কোনও কাজে তো আসবেই না বরং বিজেপি’র সঙ্গে আওয়ামী লীগের সম্পর্ক দা-কুমড়ার মতো হতে পারে, যার লাভ ঘরে তুলবে বিএনপি। বাস্তবে তা না হয়ে হয়েছে উল্টো।
অন্য যেকোনও দেশের মতোই ভারতও চাইবে তার নিজ দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে। ভারতে যে দলই ক্ষমতায় আসুক বিএনপি সম্পর্কে তাদের ধারণা স্পষ্ট। বিএনপি’র জন্ম, বেড়ে ওঠা ক্ষমতায় যাওয়ার অন্যতম পুঁজি ছিল ভারত বিরোধিতা। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার ক্ষেত্র তৈরি করতে তার প্রতিপক্ষরা প্রস্তুত করেছিল প্রচ- একটি ভারতবিরোধী মনোভাবসম্পন্ন কায়েমি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী, যাদের প্রায় সবাই পরবর্তীকালে বিএনপি বা তাদের সমমনা দলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছিল। এতে যেমন ছিল চীনপন্থি বামেরা, তেমন ছিল একাত্তরে যুদ্ধাপরাধী দল জামায়াত ও অন্যান্য মৌলবাদী রাজনৈতিক দলগুলো। যখনই দেশে কোনও নির্বাচন এসেছে ঠিক তখনই বিএনপি ও তার মিত্ররা প্রচার করেছে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে দেশ ভারত দখল করে নেবে। মসজিদে আজানের বদলে উলুধ্বনি শোনা যাবে। ১৯৯৭ সালে যখন পার্বত্য শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হলো তখন বিএনপি প্রচার চালালো এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশের ফেনী পর্যন্ত ভারতের দখলে চলে যাবে। যখন ভারতের সঙ্গে গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হলো তখন বলা হলো বাংলাদেশের স্বার্থ বিলিয়ে দিয়ে এই চুক্তি।
রাজিব ভট্টাচার্য ভারতের একজন প্রথিতযশা সাংবাদিক। আসাম তার কর্মস্থল। কাজ করেছেন ভারতসহ একাধিক আন্তর্জাতিক মিডিয়ার সঙ্গে। তিনি উত্তর-পূর্ব ভারতের ক্রিয়াশীল বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলো নিয়ে একাধিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও গবেষণাধর্মী গ্রন্থ প্রকাশ করে খ্যাতি অর্জন করেছেন। ২০১৪ সালে রাজিব ভট্টাচার্য এসব বিষয়ে নিয়ে প্রকাশ করেছেন তার গ্রন্থ ‘জবহফবুাড়ঁং রিঃয জবনবষং’। বইটি মূলত আসামের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ‘উলফা’র কর্মকা-ের বিশ্লেষণ। এই বইয়ের তথ্য সংগ্রহের জন্য তিনি দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে আসাম, মেঘালয়, মিয়ানমার সীমান্তে প্রচ- এক বৈরী প্রাকৃতিক পরিবেশের মধ্যে কাজ করেছেন।
দীর্ঘ সময় ধরে তিনি উলফা নেতা পরেশ বড়ুয়াসহ অনেকের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন, তাদের সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন। দেখেছেন তাদের বিশাল কর্মযজ্ঞ। রাজিব ভট্টাচার্য তার বইতে বিস্তারিত বর্ণনা করেছেন বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে তারা কত সহজে বাংলাদেশের সরকারের কাছ থেকে নানান সহায়তা পেতেন। শুরুটা হয়েছিল ১৯৯১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর। বইতে বিস্তারিত বর্ণনা আছে বাংলাদেশে বিএনপি আমলে অনেকটা খোলামেলাভাবে অনুষ্ঠিত সভা ও দাফতরিক কাজের সুবিধাপ্রাপ্তির কথা। পরেশ বড়ুয়া অকপটে স্বীকার করেছেন আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বাংলাদেশ থেকে তাদের কর্মকা- গুটিয়ে চলে আসতে হয়।
ভারতীয় সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার পূর্বাঞ্চলীয় উপ-প্রধান জেনারেল গগনজিৎ সিং ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ভারতের বহুল প্রচারিত ‘ইন্ডিয়া টুডে’তে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, উলফা কত সহজে বাংলাদেশে বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে চোরাইপথে অস্ত্র ও গোলাবারুদ আসামে নিয়ে আসতে পারতো। তিনি স্পষ্ট ভাষায় ২০০৪ সালে চট্টগ্রামে দশ ট্রাক অস্ত্র আটকের কথা উল্লেখ করতে গিয়ে বলেছেন, এই অস্ত্র চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া জ্যেষ্ঠপুত্র তারেক রহমান। আর কিছু না হোক ভারতের রাষ্ট্রক্ষমতায় যে সরকারই থাকুক তারা ঠিকই জানে কোনও সরকার বাংলাদেশে থাকলে তাদের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর নিরাপত্তার জন্য মঙ্গল।
বাংলাদেশের দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে ঠিকই বিএনপি’র নেতৃত্বে তাদের যত সব খুচরা মিত্ররা শুরু করেছিল ভারতবিরোধিতা। বিভিন্ন সভা সমাবেশে ভারতবিরোধিতা হয়ে উঠলো মূল স্লোগান। কয়েকজন ওয়ানম্যান পার্টির নেতা তো এমনভাবে চিৎকার শুরু করলেন যেন সুযোগ পেলেই তারা দিল্লি দখল করবে। নির্বাচনের পর মির্জা ফখরুল থেকে শুরু করে সবাই চিৎকার দিলো এই নির্বাচনের পেছনে ভারতের হাত সুস্পষ্ট। তাদের এই বক্তব্যে ইন্ধন জোগালো সরকারি দলের দু-একজন দায়িত্বশীল নেতার কিছু দায়িত্বহীন বক্তব্য। তারপর শুরু হলো বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রিজভী আহমদের তথাকথিত ‘ভারত বয়কট’ আন্দোলন। চৈত্র মাসে একটি শাল পুড়িয়ে তিনি শুরু করলেন এই আন্দোলন। ওয়াকিবহাল মহল জানালো ওটা কুমিল্লার শাল ছিল।
বিএনপি’র অন্য নেতারা জানালো এই নাটক রিজভী আহমেদের একার, তাদের দলের নয়। দিন যায় বিএনপি’র বিভ্রান্তিও আর শেষ হয় না। কয়েক দিন আগেও বিএনপি জোটের ওয়ানম্যান পার্টির এক তামাদি নেতা স্পষ্ট ভাষায় ‘বুলন্দ’ আওয়াজ তুলে বললেন– ‘যতদিন পর্যন্ত ভারতের তাঁবেদার শেখ হাসিনা উৎখাত না হবে ততদিন তাদের ভারতবিরোধিতা চলবে’।
বিএনপি’র ভারতবিরোধিতা এক নতুন মাত্রা যোগ হয় ২০১৩ সালের মার্চ মাসে যখন ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন। বেগম জিয়া ক্ষমতায় থাকাকালে মাত্র একবার ভারতে সফর করেন, ২০০৬ সালে। সফরকালে তিনি রেওয়াজ অনুযায়ী ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাকে বাংলাদেশ সফরে আমন্ত্রণ জানান। সেই সফরে বেগম জিয়ার সঙ্গে নানান বিষয়ে ভারতের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা কথা বলেন। ভারতের নেতারা বেগম জিয়াকে জামায়াতের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক ছিন্ন করতে অনুরোধ করেন। ভারত সফর শেষে বেগম খালেদা জিয়া পাকিস্তান সফর করেন। এই সফরটি ছিল দেশে তার দলের নেতাকর্মীদের খুশি করার জন্য।
২০০৬ সালের পর বেগম জিয়ার আর ক্ষমতায় নেই। ২০০৮ সালের নির্বাচনে তাদের ভরাডুবির পর বেগম জিয়া আর তার দল বর্তমানে এক অনিশ্চিত রাজনৈতিক কানাগলিতে। ২০১১ সালে দেশের সর্বোচ্চ আদালত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে দিলে বেগম জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি-জামায়াত জোটের শুরু হয় এক ভয়াবহ অগ্নিসন্ত্রাস। এরইমধ্যে ২০১৩ সালের মার্চ মাসের ৩ থেকে ৫ তারিখ পর্যন্ত ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি এক রাষ্ট্রীয় সফরে বাংলাদেশে আসেন। বিএনপি’র অনুরোধে ভারতের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বেগম খালেদা জিয়ার সাক্ষাৎ করার জন্য একটি সময় নির্ধারণ করা হয়। তখন বেগম খালেদা জিয়া সংসদে বিরোধী দলের নেতা। তার একটি রাষ্ট্রীয় প্রোটোকল আছে। প্রণব মুখার্জি যখন বাংলাদেশে ঠিক তখনই বিএনপি’র মিত্র জামায়াত দেশে তিনদিনের এক লাগাতার হরতাল আহ্বান করে। মিত্রের হরতালের কারণে বেগম খালেদা জিয়া অপ্রত্যাশিত ও নজিরবিহীনভাবে প্রণব মুখার্জির সঙ্গে তার নির্ধারিত সাক্ষাৎটি বাতিল করে দেন। এটি ছিল চরম শিষ্টাচারবহির্ভূত কাজ এবং ভারতের রাষ্ট্রপতির প্রতি চরম অসৌজন্যমূলক আচরণ। দিল্লিতে যে সরকারই ক্ষমতায় থাকুক তারা কীভাবে এই ঘটনা ভুলবে?
দিল্লিতে নরেন্দ্র মোদির সরকার গঠনের পর গত ১০ জুন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘তিনি আশা করেন ভারতের নতুন সরকার বাংলাদেশের জনগণের প্রত্যাশাকে মর্যাদা দেবে।’ নির্বাচন শেষে মির্জা ফখরুল ভারতের জনগণকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদিকে ‘প্রত্যাখ্যান’ করার জন্য। কারণ মোদির দল সরকার গঠন করার জন্য একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাননি। শেষ পর্যন্ত তিনিই শরিকদের নিয়ে সরকার গঠন করলেন।   প্রশ্ন হচ্ছে মির্জা ফখরুল কীসের ও কাদের মর্যাদার কথা বলছেন? তিনি বা তার মিত্ররা কি চান বাংলাদেশে এমন একটি সরকার ক্ষমতায় থাকুক, যারা ভারতের  উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলোতে ক্রিয়াশীল বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলোকে সার্বক্ষণিক  সহায়তা করবে এবং তেমন একটি সরকারকে ক্ষমতায় আনতে ভারত সাহায্য করবে? তারা কি এমন একটি সরকার চান যারা কথায় কথায় কোনও কারণ ছাড়া দুই দেশের সম্পর্কে অবনতি ঘটানোর জন্য নানাভাবে চেষ্টা করবে। বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় থাকার সময় বেগম খালেদা জিয়ার আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ সংসদে বলেছিলেন, ভারতের ‘স্বাধীনতাকামী (বিচ্ছিন্নতাবাদী) জনগণকে নৈতিক সমর্থন জোগানো আমাদের দায়িত্ব’। যে দলের একজন দায়িত্বশীল নেতা এমন একটা দায়িত্বজ্ঞানহীন কথা বলতে পারে তারা কীসের বলে ভারতের সরকার কাছ থেকে কিছু প্রত্যাশা করে? মির্জা ফখরুল বাংলাদেশের জনগণের কথা বলেছেন। বাংলাদেশের জনগণ অনেক কিছুই প্রত্যাশা করে কিন্তু নিশ্চয় একটি সন্ত্রাসনির্ভর সরকার প্রত্যাশা করে না। বাংলাদেশ আর ভারতে মধ্যে সমস্যার কমতি নেই। তাই বলে ভারতবিরোধিতা করে এই সমস্যাগুলোর তো আর সমাধান হবে না। বিএনপিকে ক্ষমতায় আসতে হলে আগে তাদের রাজনৈতিক বিভ্রান্তি দূর করতে হবে। তাদের মিত্র বাছাইয়ে সতর্ক হতে হবে। বিএনপি’র সমর্থকের অভাব নেই। তাদের খাঁড়া হচ্ছে অদূরদর্শী নেতৃত্ব ও বাতিল রাজনৈতিক দল ও নেতৃত্বের সঙ্গদোষ। দেশে সুস্থধারার এক বা একাধিক রাজনৈতিক দল গণতন্ত্র বিকাশের জন্য অপরিহার্য।
লেখক: বিশ্লেষক ও গবেষক












সর্বশেষ সংবাদ
রাজাকারদের ভূমিকা সম্পর্কে এরা জানে?
কুমিল্লায় জোড়া খুনের মামলায় ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড
কুবিতে এক দফা দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল
কুবিতে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল
কোটা আন্দোলন: নিরাপত্তার স্বার্থে ঢাবির হলে থাকবেন শিক্ষকরা
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
আমার বাসার কাজের লোক ৪০০ কোটি টাকার মালিক
লাইসেন্সবিহীন হাসপাতালে ভূয়া বিল, ভুয়া ডাক্তার
জুন মাসে ৬ খুন কুমিল্লায়
উপজেলা পরিষদ এসোসিয়েশন কুমিল্লার নতুন কমিটি
কুমিল্লায় উল্টো রথযাত্রা
Follow Us
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩, +৮৮ ০১৭১১ ৯৯৭৯৬৯, +৮৮ ০১৯৭৯ ১৫২৪৪৩, ই মেইল: [email protected]
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০২২ | Developed By: i2soft