সোমবার ● ৯ নভেম্বর ২০২৬
২৫ কার্তিক ১৪৩৩
নাসিমের বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে শঙ্কা
প্রকাশ: শনিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ৬:২৩ পিএম |

নাসিমের বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে শঙ্কাএশিয়া কাপে গত বৃহস্পতিবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে নিজেদের শেষ ম্যাচ খেলেছে পাকিস্তান। তবে এর আগেই আসর থেকে ছিটকে পড়েন নাসিম শাহ।

এবার জানা গেল, কাঁধের ইনজুরির কারণে ডানহাতি এই পেসারের বিশ্বকাপ খেলাই এখন শঙ্কার মুখে। এমনটাই জানিয়েছে ক্রিকেটভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ইএসপিএনক্রিকইনফো।
যেমনটা ধারণা করা হয়েছিল তার চেয়ে গুরুতর নাসিমের ইনজুরি। দুবাইয়ে করা স্ক্যান রিপোর্ট অনুযায়ী, চলতি বছরের বাকি সময়টা মাঠের বাইরে থাকতে হবে তাকে। তবে তা নিশ্চিত হতে কিছুদিনের মধ্যেই দ্বিতীয়বার স্ক্যান করাবে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি তারা।

গত ১১ সেপ্টেম্বর ভারতের বিপক্ষে ইনিংসের ৪৬তম ওভার করতে গিয়ে ডান কাঁধে চোট পান নাসিম। এরপর আর বোলিংয়ে নামেননি তিনি। বিশ্বকাপে তাকে  না পেলে বড়সড় এক ধাক্কাই খাবে পাকিস্তান। গত এক বছরে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে তাদের অন্যতম সেরা বোলার নাসিম। শুধু তা-ই নয়, শাহিন আফ্রিদি ও হারিস রউফের মিশেলে দুর্দান্ত এক পেস অ্যাটাক তৈরি হয়েছিল। যা বিশ্বের যেকোনো দলের জন্যই ভীতি জাগানিয়া।  

ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই ইনজুরি প্রবণ ২০ বছর বয়সী নাসিম। চার বছর আগে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় তার। কিন্তু এর পরের বছরই পিঠের ইনজুরির কারণে ১৪ মাস মাঠের বাইরে থাকতে হয় তাকে। সেরে উঠতে না উঠতেই কাঁধের ইনজুরিতে পড়ে আরও এক মাস ছিটকে যান তিনি। আসন্ন বিশ্বকাপ নিয়ে তার ওপর প্রত্যাশার ভার বেশি ছিল পাকিস্তানের। কিন্তু সেই আশায় পানি ঢেলে দিচ্ছে ইনজুরি।

চোট গুরুতর হলে বিশ্বকাপসহ অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট সিরিজ ও পাকিস্তান সুপার লিগ থেকে ছিটকে যাবেন নাসিম। এদিকে, আগামী ৫ অক্টোবর থেকে ভারতে শুরু হবে ওয়ানডে বিশ্বকাপ। পরদিনই নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলবে পাকিস্তান।












Loading...
Loading...
Follow Us
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩, +৮৮ ০১৭১১ ৯৯৭৯৬৯, +৮৮ ০১৯৭৯ ১৫২৪৪৩, ই মেইল: [email protected]
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০২২